বুধবার, ০৮ জুলাই ২০২৬, ০৮:৩৬ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
আইশোস্পিডের বিরুদ্ধে তদন্ত করছে ফিফা শ্বাসরুদ্ধকর লড়াইয়ে মিসরকে হারিয়ে কোয়ার্টার ফাইনালে আর্জেন্টিনা মেসির গোলে সমতায় আর্জেন্টিনা পেনাল্টি মিস করে বিশ্বরেকর্ড মেসির প্রথমার্ধে একাই আর্জেন্টিনাকে রুখে দিলেন শোবেইর যুক্তরাষ্ট্রে তীব্র তাপপ্রবাহে তিন দিনে ৩৩ জনের মৃত্যু ফুলবাড়ীতে স্বামীর শাবলের আঘাতে স্ত্রী নিহত, স্বামী আটক॥ ৬ বছরের শিশুকে ধর্ষণচেষ্টা, প্রভাবশালীদের চাপে উল্টো ভুক্তভোগীর পরিবারকে হয়রানি, পুলিশ নিষ্ক্রিয় শার্শা ও বেনাপোল সীমান্তে মানব পাচার প্রতিারোধ বিষয়ে রাইটস যশোরের উদ্যেগে মতবিনিময় সভা অনুষ্টিত জয়পুরহাটে ট্রাক-অটোরিকশা মুখোমুখি সংঘর্ষ, নিহত ২, আহত ৫

অভাব না আভিজাত্য, সন্তানকে কী শেখাবেন?

Reporter Name
  • Update Time : বৃহস্পতিবার, ৩০ নভেম্বর, ২০২৩
  • ১৭৩ Time View

লাইফ ষ্টাইল ডেস্ক : কিছুদিন হল সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে এই নিয়ে হচ্ছে বেশ আলোচনা-সমালোচনা। একপক্ষ বলছেন, সন্তানকে আভিজাত্য শেখান তো আরেক পক্ষ বলছেন, সন্তানকে অভাব শেখান। দুই পক্ষই সমানে যুক্তি তুলে ধরছেন যার যার বক্তব্যের সমর্থনে।

কিন্তু আসলেই সন্তানকে কি শেখানো উচিত?

শিশুকালই শেখানোর সেরা সময়। এ সময় যা কিছু শেখাবেন, তা সারা জীবনের জন্য মাথায় গেঁথে যাবে। তাই এই বয়স থেকেই শিশুকে সঞ্চয়ী হওয়ার পাশাপাশি ব্যক্তিত্ব গঠনের বিষয়ে ধারণা দিতে হবে।

অভাব বনাম আভিজাত্য

অর্থের অভাব থাকলেও অন্তরের আভিজাত্য যেন নষ্ট না হয়, সন্তানকে সেটাই শেখান। আপনার সন্তানকে একজন ইতিবাচক মানুষ হিসেবে গড়ে উঠতে সাহায্য করুন। এটি থাকতে হবে আপনার স্বভাবে। মা-বাবার মধ্যে ইতিবাচকতা, অন্যের যেকোনো খুশির খবরে আনন্দিত হওয়া, অন্যের কষ্টে কষ্ট পাওয়া, ক্ষমা করতে জানা ইত্যাদি বৈশিষ্ট্য লক্ষ্য করলে শিশু তা-ই শিখে শিখে বড় হবে।

সঞ্চয়ী হওয়া শেখান

সন্তানকে সঞ্চয়ী বানাতে চাইলে আগে নিজে সঞ্চয়ী হোন। কেননা, শিশুরা অনুকরণপ্রিয়। আপনার সন্তানকে সঞ্চয়ের প্রয়োজনীয়তা উদাহরণ দিয়ে বুঝিয়ে বলুন। চাইলেই কিছু পাওয়া যায়, এমন ধারণা যেন আপনার সন্তানের না হয়। মাঝেমধ্যে আপনার সন্তানকে দিয়ে ঘরের কাজ করান। আর সেজন্য তাকে অর্থ দিন। একটা শিশু যখন পরিশ্রম করে টাকা পাবে, তখন সে সেই কষ্টে উপার্জিত অর্থ খরচ করার বিষয়ে ভাববে ও সচেতন হবে। সন্তানকে কোনটা প্রয়োজন আর কোনটা বিলাসিতা, সেটা বুঝিয়ে বলুন।

ইতিবাচকতা শেখান

সন্তানকে একজন ইতিবাচক মানুষ হিসেবে গড়ে উঠতে সাহায্য করুন। মা-বাবার মধ্যে ইতিবাচকতা, অন্যের যেকোনো খুশির খবরে আনন্দিত হওয়া, অন্যের কষ্টে কষ্ট পাওয়া, ক্ষমা করতে জানা ইত্যাদি বৈশিষ্ট্য লক্ষ্য করলে শিশু তা-ই শিখে শিখে বড় হবে। শিশুর মধ্যে কোনো নেতিবাচকতা গড়ে উঠতে দেখলে সঙ্গে সঙ্গেই তাকে সতর্ক করতে হবে। এর ভয়াবহতা তাকে বুঝিয়ে বলতে হবে।

নির্লোভ হওয়া শেখান

সন্তানকে এমন শিক্ষা দেন যাতে সে অন্যের কিছু দেখে যেন লোভ না করে। লোভে কি কি ক্ষতি হয় তা সন্তানের সামনে তুলে ধরুন। এমনকি অন্যের কোন জিনিস যেন তার অনুমতি ছাড়া না ধরে সে শিক্ষাও দিন আপনি নিজেও তা পালন করুন। কারণ নিজে যে পথে থাকবেন, সন্তান তো সেই পথেই যাবে। তাই নিজের পথটা সহজ রাখুন। তখন সন্তানই আপনার সম্পদ হয়ে উঠবে।

সন্তানকে বিনয়ী হতে শেখান

একজন ভালো মানুষের স্বভাবে থাকে বিনয়, থাকে ক্ষমা করার মতো উদারতা। এই দুই শিক্ষা সন্তান যেন আপনার কাছ থেকে পায়। তাকে শেখান, ঘৃণার চেয়ে ক্ষমা সুন্দর।

কিউএনবি/অনিমা/৩০ নভেম্বর ২০২৩,/বিকাল ৩:৩৮

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category

আর্কাইভস

July 2026
M T W T F S S
 123456
78910111213
14151617181920
21222324252627
282930  
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০১৫-২০২৬
IT & Technical Supported By:BiswaJit