বাদল আহাম্মদ খান ,ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা প্রতিনিধি : মদ নিয়ে বক্তব্যের জের ধরে ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৩ (সদর-বিজয়নগর) আসনের আওয়ামী লীগের মনোনয়ন প্রত্যাশী ফিরোজুর রহমান ওলিওকে মুরতাদ ঘোষণা দিয়ে তাকে আইনের আওতায় আনার দাবি জানানো হয়েছে। শুক্রবার দুপুরে ব্রাহ্মবাড়িয়ায় অনুষ্ঠিত মানববন্ধন চলাকালে বক্তব্য রাখতে গিয়ে বিক্ষুব্ধরা এ দাবি জানান। ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রেসক্লাবের সামনে ধর্মপ্রাণ মুসলিম জনতা ও ওলামা সমন্বয় পরিষদ, ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা শাখার উদ্যোগে এ কর্মসূচি পালিত হয়। পরিষদের জেলা সভাপতি ক্বারী আনাসের সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক মাওলানা আবদুল্লাহর সঞ্চালনায় এতে বক্তব্য রাখেন মাওলানা ইলিয়াছ চৌধুরী, মাওলানা মাহবুবুর রহমান, ওলামা সমন্বয় পরিষদ, ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা শাখার সহ-সভাপতি কাজী আবুল কালাম, ব্রাহ্মণবাড়িয়া পৌরসভার সাবেক কাউন্সিলার মুফতি মাকবুল হোসেন, মনিরুজ্জামান শিপু, কাজী খায়রুল ইসলাম, আবদুল আজিজ অনিক। সংহতি প্রকাশ করেন জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি রবিউল হোসেন রুবেল, সাধারণ সম্পাদক শাহাদাৎ হোসেন শোভন, সাবেক যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মো. মোমিন মিয়া প্রমুখ।
মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, ‘২১ নভেম্বর রাতে ফেসবুক লাইভে এসে ফিরোজুর রহমান মদকে হালাল বলেন। এতে কোরআন অবমাননার পাশাপাশি ধর্মীয় অনুভ‚তিতে আঘাত এসেছে। দ্রæত তাকে মুরতাদ ঘোষণা ও আইনের আওতায় আনা হোক।’তবে ফিরোজুর রহমান এ অভিযোগ অস্বীকার করেছেন। তিনি জানিয়েছেন, লাইভে এসে তিনি তার ব্যবসাকে হালাল বলেছেন। মদের চেয়ে ব্যাংকের ব্যবসা ধর্মীয় দৃষ্টিকোণ থেকে বেশি খারাপ হলেও এ নিয়ে কেউ কোনো কথা বলেন না। এখন তিনি নন, তার কর্মচারিসহ অন্যান্যরা এ ব্যবসা দেখাশুনা করেন। বৃহস্পতিবার রাতে লাইভে এসে মদের দোকান দেওয়া বিষয়ে একজনের প্রশ্নের জবাবে তাকে সামনে এলে চড় দিতেন বলে উল্লেখ করেন। ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর উপজেলার সুলতানপুর গ্রামের বাসিন্দা লায়ন ফিরোজুর রহমান ওলিও পাঁচবার সুলতানপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন। আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থী লড়াই করে তিনি উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন। সংসদ সদস্য নির্বাচনে লড়তে তিনি ইতিমধ্যেই উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান পদ থেকে পদত্যাগ করেছেন।
কিউএনবি/অনিমা/২৪ নভেম্বর ২০২৩,/রাত ৯:২০