শুক্রবার, ০৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৯:৩৮ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
আন্তর্জাতিক ফুটবলকে বিদায় জানালেন জেকো কলমাকান্দায় আগুনে পুড়লো ছয়টি কাপড়ের দোকান  গোলাপগঞ্জে ভূয়া প্রেসক্লাব কমিটি, বিভ্রান্তি না হওয়ার আহ্বান মূলধারার সাংবাদিকদের এশিয়ান গেমসে ভারতের কোচের দায়িত্বে ভিভিএস লক্ষ্মণ ঢাবির মুহসীন হল থেকে গুমের ৭ বছর পার হলেও ন্যায়বিচার পাননি কোটা আন্দোলনের নেতা জালাল সন্তান গোপনে আপত্তিকর ভিডিও দেখার আগেই যেভাবে সাজাবেন ফোনের সেটিংস র‌্যাব বিলুপ্ত করে এসআরবি গঠনের বিল সংসদে প্রবাসীদের সঞ্চয় থেকে চলতি মূলধন ঋণ দেওয়া যাবে ইরান ইস্যুতে মার্কিন নিষেধাজ্ঞাকে ‘ভুল পদক্ষেপ’ বলল চীন পুরোনো মুখ ভুলে নতুনদের দেখেই খুশি ‘হ্যারি পটার’ ভক্তরা

কীভাবে ইসরায়েলের প্রতিরক্ষা ভেদ করল হামাস

Reporter Name
  • Update Time : রবিবার, ৮ অক্টোবর, ২০২৩
  • ৯৯ Time View

আন্তর্জাতিক ডেস্ক : বিশ্বের অন্যতম শক্তিশালী প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা রয়েছে ইসরায়েলের হাতে। মধ্যপ্রাচ্যের অন্য যে কোন দেশের তুলনায় অত্যাধুনিক আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা আয়রন ডোম, বিশ্বের দুর্ধর্ষ গোয়েন্দা সংস্থা মোসাদ— কী নেই ইসরায়েলের। প্রশ্ন উঠেছে কঠোর এই নিরাপত্তা ব্যবস্থা ভেদ করে কীভাবে ইসরায়েলে ঢুকে গেল একটি বিদ্রোহী সংগঠন। এত বড় পরিসরে হামলা চালাতে পারল হামাস। ইসরায়েলের দুর্বলতা ছিল কোথায়।

বিশ্লেষকরা একে গোয়েন্দা ব্যার্থতা হিসেবেই দেখছেন। মধ্যপ্রাচ্যের মার্কিন সরকারের সাবেক ডেপুটি ন্যাশনাল ইন্টেলিজেন্স অফিসার জনাথন প্যানিকফ বলেন, এটি সম্পূর্ণ একটি গোয়েন্দা ব্যর্থতা; অন্যকিছু হতেই পারে না।

হামাসের এমন অতর্কিত হামলায় বিস্মিত ইসরায়েলের গোয়েন্দা কর্মকর্তারা। ইসরায়েল কেন হামাসের হামলার বিষয়ে আগাম আঁচ করতে পারল না সেই প্রশ্নে ইসরায়েলের গোয়েন্দাদের জবাব, ‘এটা কীভাবে ঘটল, আমরা ভাবতেও পারছি না’।

ইসরায়েলের গোয়েন্দা সংস্থা মোসাদ, শিন বেত ও প্রতিরক্ষা বাহিনীর গোয়েন্দাদের কেউই জানত না, হামাস এ ধরনের একটি হামলা করতে যাচ্ছে। ইসরায়েলিদের কাছে এটা খুবই অবাক করার মতো বিষয়। আবার হতে পারে, গোয়েন্দাদের কেউ কেউ হামলার বিষয়ে আগাম তথ্য পেলেও সেই অনুযায়ী দ্রুত পদক্ষেপ নিতে ব্যর্থ হয়েছেন।

বলা হয়ে থাকে, মধ্যপ্রাচ্যের সবচেয়ে সক্রিয় ও চৌকস গোয়েন্দা সংস্থা হচ্ছে ইসরায়েলের। অঞ্চলটিতে গোয়েন্দাদের পেছনে ইসরায়েলের মতো এত বেশি অর্থ অন্য কোনো দেশ ব্যয় করে না। ফিলিস্তিনি সশস্ত্র গোষ্ঠী, লেবানন, সিরিয়া ছাড়াও অন্যত্র তাদের গুপ্তচর ও তথ্যদাতা আছে।

অতীতে দেখা গেছে, ইসরায়েলি গোয়েন্দাদের হাতে গুপ্তহত্যার শিকার হয়েছেন বিভিন্ন সশস্ত্র গোষ্ঠীর নেতা। এসব নেতা কখন কোথায় যেতেন, কোথায় থাকতেন, তার সব তথ্যই থাকত তাদের কাছে। সব তথ্য জেনে সুবিধামতো সময় ও জায়গায় চোরাগোপ্তা হামলায় তাদের হত্যা করা হতো।

ইসরায়েলি গোয়েন্দা কখনো এসব গুপ্তহত্যা চালাত নির্দিষ্ট অবস্থান নিশানা করে ড্রোন হামলা চালিয়ে, কখনো নিশানা করা ব্যক্তির গাড়িতে জিপিএস ট্র্যাকার লাগিয়ে তাকে শনাক্ত করে। এমনও হয়েছে, ফোনে বিস্ফোরণ ঘটিয়ে বা বিষাক্ত রাসায়নিক ব্যবহারের মাধ্যমে নিশানা করা ব্যক্তিকে খুন করা হয়েছে।

ইসরায়েলের গোয়েন্দা ব্যর্থতা নিয়ে সামরিক বিশ্লেষকেরা বলছেন, এই হামলার জন্য দীর্ঘদিন ধরে পরিকল্পনা করতে হয়েছে হামাসকে। ইসরায়েলের গোয়েন্দা তৎপরতা সম্পর্কে অন্য অনেকের চেয়ে ভালো জানে ফিলিস্তিনি এই সংগঠন। ফলে এই হামলার বিষয়টি যাতে ফাঁস না হয়, সে জন্য নানাভাবে ইসরায়েলি গোয়েন্দাদের ফাঁকি দিতে হয়েছে এবং তাদের দুর্বলতাগুলো চিহ্নিত করতে হয়েছে।

ইসরায়েলের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, হামাসের এই হামলা নিয়ে গোয়েন্দা ব্যর্থতার বিষয়টি খতিয়ে দেখতে বড় ধরনের একটি তদন্ত শুরু হয়েছে। তবে এ তদন্ত শেষ করতে কয়েক বছর লেগে যেতে পারে।

সূত্র: বিবিসি।

কিউএনবি/অনিমা/০৮ অক্টোবর ২০২৩,/দুপুর ২:৫৩

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category

আর্কাইভস

September 2026
M T W T F S S
1234567
891011121314
15161718192021
22232425262728
293031  
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০১৫-২০২৬
IT & Technical Supported By:BiswaJit