বক্তারা বলেন, ২০১১ সালে আওয়ামী লীগে যোগ দেন সাবেক ইউপি মেম্বার জহির উদ্দিন। তিনি বিভিন্ন দলের লোকজন নিয়ে এলাকায় নিজস্ব বাহিনী গড়ে তোলেন। এদের দিয়ে এলাকায় হামলা, দখল, চাঁদাবাজিসহ নানা অপকর্ম করে আসছেন। জহির মেম্বার বাহিনীর সদস্য রাসেল ওরফে কালা সম্প্রতি ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক আহ্বায়ক নুরুল আমিনের সঙ্গে ছবি তুলে ফেসবুক পোস্ট করেন। এতে রাসেলকে ‘গুপ্তচর’ আখ্যা দিয়ে এলাকা ছাড়া করেন জহির মেম্বার। পরে রাসেল এলাকায় ফিরতে জহির মেম্বারকে ফোন দেন।তখন জহির মেম্বার বলেন, ‘তোমার জন্য অনেকে ফোন দিয়েছে। আমি কারও কথা শুনি না। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বললেও আমি শুনবো না। আমার এলাকায় আমিই প্রধানমন্ত্রী। কাউকে গোনার টাইম নাই। তবে তুমি নুরুল আমিনকে (বিএনপি নেতা) কোপাতে পারলে এলাকায় ফিরতে পারবা। আমি তোমার নিরাপত্তাসহ পুরস্কার ও দেবো।বক্তারা আরো বলেন, আমাদের মাতৃতুল্য নেত্রীকে কটূক্তি করার প্রায় এক মাস অতিবাহিত হলেও কটূক্তিকারী জহির উদ্দিন ওরপে কসাই জহিরের বিরুদ্ধে সাংগঠনিক কোন ব্যবস্থা নেয়নি জেলা ও উপজেলা আওয়ামী লীগ। বরং কসাই জহিরের কটূক্তির প্রতিবাদ করায় জহির ও তাঁর সন্ত্রাসী বাহিনী স্থানীয় আওয়ামী লীগের নেতাকর্মিদের হামলা-মামলার হুমকি-দুমকি দিয়ে আসছে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে কটূক্তিকারী কসাই জহিরকে ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদকের পদ থেকে বহিষ্কারসহ দৃষ্টিন্তমূলক শাস্তি প্রদানের দাবি জানান মানববন্ধন ও বিক্ষোভে অংশ নেওয়া উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি, সম্পাদকসহ অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মিরা।আওয়ামী লীগ নেতা জহির উদ্দিনের বিরুদ্ধে সাংগঠনিক ব্যবস্থা গ্রহনের বিষয়ে জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি অধ্যক্ষ খায়রুল আনম চৌধুরী সেলিম জানান, মাননীয় প্রধানমন্ত্রীকে কটূক্তি করার অভিযোগে জহিরের বিরুদ্ধে সাংগঠনিক ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য জেলা আওয়ামী লীগ বরাবর দাদপুর ইউনিয়ন যুব লীগের সভাপতি আবদুল মতিন আবেদন করে। আমরা ওই আবেদনটি গ্রহণ করে উপজেলা আওয়ামী লীগকে তদন্তপূর্বক ব্যবস্থা নিতে নির্দেশ দিয়েছি।
কিউএনবি/অনিমা/২৯ অগাস্ট ২০২৩,/দুপুর ২:২৩