অক্ষয় কুমারের জন্ম পাঞ্জাবের অমৃতসরে। তার বাবা ওম ভাটিয়া ছিলেন আর্মি অফিসার। ছোট থেকেই খেলাধুলায় আগ্রহ ছিল অক্ষয়ের। কলেজের পড়াশুনার পাশাপাশি তিনি তায়কোন্ডুতে ব্ল্যাক বেল্ট পান। তার পর থাইল্যান্ডের ব্যাংককে গিয়ে মার্শাল আর্ট শেখেন।
পরে কলকাতায় একটি ট্রাভেল এজেন্সিতে কাজ করেছেন। এরপর ঢাকায় একটি হোটেলে শেফের কাজও করেছেন। শেষে মুম্বাইতে মার্শাল আর্ট শেখানোর সময়ে তিনি পরিচালক-প্রযোজকদের নজরে পড়েন।
নব্বইয়ের দশকে অক্ষয়ের ছবি পরপর ফ্লপ হচ্ছিল। মানুষ মুখ ফিরিয়ে নিয়েছিলেন তার থেকে। তখনই দেশ ছাড়ার সিদ্ধান্ত নিয়ে বসেন ‘খিলাড়ি’ কুমার। যদিও পরে ভারতে ফিরে আসেন, কাজ শুরু করে সাফল্য পান।
২০১১ সালে কানাডা তাকে সে দেশের নাগরিকত্ব দেয়। এরপর থেকেই বিতর্কের মুখে পড়েন অক্ষয়। বিশেষ করে নরেন্দ্র মোদীর সঙ্গে তার ঘনিষ্ঠতার কারণে এই প্রশ্ন বারবার উঠতে থাকে। সমালোচকরা বলেন, অক্ষয় এত বড় জাতীয়াতাবাদী যে ওর ভারতীয় নাগরিকত্ব ও পাসপোর্টই নেই।
অক্ষয়কে বারবার শুনতে হত, তিনি ভারতীয় নন, ভারতের নাগরিক নন। এই বিদ্রুপের জেরে তিতিবিরক্ত হয়ে ভারতীয় নাগরিকত্বর জন্য আবেদন করেন অক্ষয়।
কিছুদিন আগে অক্ষয় কুমার জানিয়েছিলেন, কোভিডের সময়েই তিনি ভারতীয় নাগরিকত্বের জন্য আবেদন জানিয়েছিলেন। কিন্তু কোভিডের কারণে আড়াই বছর সময় নষ্ট হয়। তিনি এও বলেন, ‘পাসপোর্ট না থাকলেও আমি কোনও অংশে কম ভারতীয় নই।’
কানাডার নাগরিকত্ব প্রসঙ্গে এক সাক্ষাৎকারে জানিয়েছিলেন, ‘১৯৯০ সাল নাগাদ আমার একটা ছবিও চলছিল না। ভারতে থেকে কিছুই করতে পারছিলাম না। তখন আমাকে কয়েকজন বন্ধু উপদেশ দিয়েছিল দেশ ছাড়ার জন্য। তখনই ঠিক করেছিলাম কানাডায় চলে যাব।’
এবছর স্বাধীনতা দিবসের আগেই তার হাতে চলে আসে ভারতীয় পাসপোর্ট।

























