চোটের কারণেই মূলত ১০ মিটার এয়ার রাইফেল ছেড়ে হাতে তুলে নিয়েছেন পয়েন্ট টু টু বোর রাইফেল। আর এই বদলটা জানাতে ভুলে গিয়েই জার্মানি যাওয়া হলো না পরপর দুই কমনওয়েলথ গেমসে রুপাজয়ী শুটারের।
জার্মানির হ্যানোভারে দ্ইু সপ্তাহ ট্রেনিংয়ের সুযোগ পেয়েছিলেন বাকি। ২২ জুলাই সেখানে যাওয়ার কথা ছিল তার। যেতে পারলে আসন্ন হ্যাংজু এশিয়ান গেমসের প্রস্তুতিটা হতো সেরা পর্যায়ের। ভিসাও হয়ে গিয়েছিল তার। তবে পয়েন্ট টু টু বোর রাইফেল বহন করার অনুমতি জার্মান পুলিশ ও মিউনিসিপ্যাল থেকে না পাওয়ায় যাওয়া হয়নি তার।
এই যেতে না পারার জন্য নিজেকেই দুষছেন বাকি, ‘আসলে ভুলটা আমারই। আমি যখন এই ট্রেনিংয়ে সুযোগ পাওয়ার জন্য আবেদন করি, তখন নিজের রাইফেলের তথ্যটা দিতে দেরি করি। যেহেতু পয়েন্ট টু টু বোর রাইফেল আগ্নেয়াস্ত্র, তাই এটা বহন করতে হলে জার্মানি থেকে একাধিক অনুমতি নিতে হয়। সেই অনুমতি নেওয়ার সময়টা ছিল না। তাই যাওয়া হয়নি।’
বাংলাদেশ শুটিং স্পোর্টস ফেডারেশন অবশ্য চেষ্টা করেছিল এক সপ্তাহ পরে হলেও বাকিকে জার্মানিতে পাঠাতে। তবে সেই চেষ্টাও বিফলে গেছে। তাই বাকিকে ঘরেই নিতে হচ্ছে তার চতুর্থ এশিয়ান গেমসে খেলার প্রস্তুতি।
বুধবার জানালেন, ‘আগের তিনটি আসরে ১০ মিটার এয়ার রাইফেলে অংশ নিয়েছি। এখন সেখান থেকে সরে আসার কারণ ব্যাক পেইন। ১০ মিটার করতে গেলে দীর্ঘক্ষণ দাঁড়িয়ে থাকতে হয়। যেটা ৫০ মিটারে হয় না। তাছাড়া এখন ৫০ মিটারেও ভালো হচ্ছে স্কোর। আমার জানা মতে এশিয়ান গেমসে বাংলাদেশের কেউ কখনো সেরা আটে যেতে পারেনি। ৫৮০ স্কোর যদি করতে পারি, তবে এবার একটা ভালো সুযোগ থাকবে।’
ইরানি কোচের অধীনে নিজেদের স্কোরে উন্নতির ছাপ দেখছেন বাকি, ‘আগে দেখা যেত ১০ মিটারে ট্রেনিংয়ের সময় হেসেখেলে ৬৩০ স্কোর করতাম তবে প্রতিযোগিতায় গিয়ে ৬২৩-৬২৪ হয়ে যেত। এই কোচ আসার পর থেকে কেবল আমার নয়, সবাই প্র্যাকটিসে যা মারছি, সেটাই প্রতিযোগিতায় মারছি। আমি মনে করি এই কোচের অধীনে আমাদের ভালো করার যথেষ্ট সুযোগ আছে।’

























