সোমবার, ১৭ অগাস্ট ২০২৬, ০৪:১০ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
নোয়াখালীতে হোটেল ম্যানেজারকে কুপিয়ে জখম, ৫ লাখ টাকা লুট মাটিরাঙ্গায় জাতীয় মৎস্য সপ্তাহ উপলক্ষে র‍্যালি ও আলোচনা সভা অনুষ্টিত। দেবীগঞ্জে জাতীয় মৎস্য সপ্তাহ উদ্বোধন, পুরস্কার বিতরণ ও আলোচনা সভা নওগাঁর মহাদেবপুরে শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের অবদান শীর্ষক আলোচনা সভা ও শিক্ষক সমাবেশ নোয়াখালীতে চিকিৎসকের অবহেলায় মা-নবজাতকের মৃত্যু, সর্বোচ্চ শাস্তির দাবি খালেদা জিয়ার জন্মদিন উপলক্ষে আশুলিয়ায় দোয়া ও মিলাদ বোচাগঞ্জের জাতীয় মৎস্য পক্ষ ২০২৬ এর উদ্বোধন নওগাঁয় জাতীয় মৎস্য সপ্তাহ শুরু ভূরুঙ্গামারীতে জাতীয় মৎস্য পক্ষ উদযাপন ফুলবাড়ীতে জাতীয় মৎস্য পক্ষের উদ্বোধন॥

রহস্যময় জলাবন রাতারগুল

Reporter Name
  • Update Time : রবিবার, ১৬ জুলাই, ২০২৩
  • ১২৯ Time View

ডেস্ক নিউজ : বর্ষায় রাতারগুলের পরিবেশ ও জীববৈচিত্র্যে পাওয়া যায় ভিন্ন ধরনের আমেজ। তখন শান্ত বনপ্রান্তর ফরসা আঁধারে নিমজ্জিত থাকে। বৃষ্টিজলের কোমল স্পর্শে হিজল-করচের পাতাগুলো তালে তালে দুলতে থাকে এ সময়। ডিঙি চড়ে নির্মল হাওয়া গায়ে মেখে মন্থর গতিতে ঘুরে বেড়ানো যায় বনের আনাচে-কানাচে। 

বৃষ্টির তোড়ে পর্যটকদের যাতায়াতে বিঘ্ন ঘটলেও উচ্ছ্বাসের কমতি থাকে না। বরং অসাধারণ সেই দৃশ্যের স্বাদ উপভোগ করতে ছুটে আসেন বনে। এখানে ঝরাপাতার বনের মতো মচমচে আওয়াজ শোনা না গেলেও, শোনা যায় বৃষ্টি ঝরার সিম্ফনি। যে সুরের সঙ্গে জড়িয়ে আছে রহস্যময় উদ্ভিদ ও প্রাণিজগতের জীবনচক্রের খেলা। যে খেলায় উন্মাদনা নেই, নেই আনন্দ, নেই জেতার প্রতিযোগিতা, আছে ভারসাম্য বজায় রাখার সুকৌশল। এমন সুকৌশল অবলম্বন করে গলাসমান জলে দাঁড়িয়ে আছে রাতারগুলের গাছগাছালি! যা উপলব্ধি করতে হয় অন্তর্দৃষ্টি দিয়ে। অন্তর্দৃষ্টিতে ঘাপলা থাকলে রাতারগুল তার কাছে তুচ্ছ হতে পারে। বলতে হয়, এমন একটি রহস্যময় জলাবনের নামই হচ্ছে ‘রাতারগুল’। যার নামকরণেও আছে মজাদার তথ্য। 

যেমন সিলেটের আঞ্চলিক ভাষায় মুর্তাগাছ বা পাটিগাছকে বলা হয় ‘রাতাগাছ’। এ বনে রাতাগাছের আধ্যিকের কারণে তাই নামকরণ হয়েছে রাতারগুল। তবে এখন করচ গাছই সর্বত্র নজরে পড়ে। রাতারগুল বাংলাদেশের অন্যতম একটি জলাবন। সিলেট জেলার গোয়াইনঘাট উপজেলার ফতেহপুর ইউনিয়নে বনের অবস্থান। জেলা সদর থেকে এর দূরত্ব প্রায় ২৬ কিলোমিটার। বছরের বেশির ভাগ সময় এ বনের হিজল, করচ, মুর্তা গাছগুলো গলাজলে ডুবে থাকে; যা দেখতে অ্যামাজান বনের প্রতিচ্ছবি মনে হয় তখন। তেমনি একটি নয়নাভিরাম দৃশ্য অবলোকন করতে প্রতিদিন দেশের দূরদূরান্ত থেকে ছুটে আসেন পর্যটকরা। 

ডিঙি চড়ে বর্ষাতি মাথায় দিয়ে ঘুরে বেড়ান বনপ্রান্তরে। কেউ ওয়াচ টাওয়ারে চড়ে সমগ্র বনপ্রান্তর একনজর দেখার চেষ্টা করেন, কেউ গাছের ডালে বসে প্রকৃতি উপভোগ করেন, আবার কেউ ডিঙিতে বসে রোমাঞ্চকর দৃশ্যে মজেন। উদ্দাম তরুণরাও পিছিয়ে নেই; গলা ফাটিয়ে গান করেন। ডিঙির ওপর দাঁড়িয়ে জঙ্গলনৃত্য করেন কেউ কেউ। অসাধারণ সেসব দৃশ্য! এভাবেই হাসি আনন্দে মেতে অভিজ্ঞতার ঝুড়ি কাঁধে নিয়ে একসময় পর্যটকরা ক্লান্ত হয়ে ফিরে আসেন গন্তব্যে। বাড়তি আনন্দ পেতে তারা শিমুল বিল হাওর ও নেওয়া বিল হাওরে ঘোরাঘুরি করে সময় কাটান (হাওর বিল দুটির অবস্থান রাতারগুলের দক্ষিণ পাশে)।

কিউএনবি/অনিমা/১৬ জুলাই ২০২৩/সকাল ১০:৪৫

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category

আর্কাইভস

August 2026
M T W T F S S
 123
45678910
11121314151617
18192021222324
25262728293031
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০১৫-২০২৬
IT & Technical Supported By:BiswaJit