বৃহস্পতিবার, ১৫ জানুয়ারী ২০২৬, ০১:২৪ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
মামলা থেকে অব্যাহতি পেলেন সাংবাদিক নঈম নিজামসহ ৩ জন গণভোটে ‘হ্যাঁ’ ভোট দিলে তরুণরা বৈষম্যহীন বাংলাদেশ পাবে: আলী রীয়াজ ২০২৬ সালে আসছে যেসব ফোল্ডেবল ফোন ‘বিশ্বকাপে না খেললে বিসিবির কোনো ক্ষতি হবে না’ নেত্রকোণার হাওরাঞ্চলে জাতীয় সংসদ নির্বাচন নিয়ে টেনমিনিটস ব্রিফ মোহনগঞ্জে বসতবাড়িতে হামলা, ভাঙচুর ও লুটপাটের প্রতিবাদে ভুক্তভোগী সুমা আক্তারের সংবাদ সম্মেলন আলাদীপুর ইউনিয়ন বিএনপি’র প্রজন্ম দলের কমিটির উপজেলা কমিটি কর্তৃক অনুমোদন॥ বিজিবি সীমান্তে অভিযান চালিয়ে ৮৮লক্ষ টাকার মাদক আটক॥ নরসিংদীতে যৌথ বাহিনীর অভিযানে অস্ত্র ও মাদকসহ ৭ জন গ্রেপ্তার চৌগাছায় বিএনপির অঙ্গসংগঠনগুলোর সমন্বয় সভা অনুষ্ঠিত

শরীয়তপুরে কাবিখার অর্থে রাস্তার নির্মাণ কাজ বন্ধ

খোরশেদ আলম বাবুল শরীয়তপুর প্রতিনিধি ।
  • Update Time : বৃহস্পতিবার, ১৩ জুলাই, ২০২৩
  • ২১৩ Time View

খোরশেদ আলম বাবুল শরীয়তপুর প্রতিনিধি : শরীয়তপুর সদর উপজেলারর তুলাসার ইউনিয়নের বাইশরশি গ্রামের কাজের বিনিময়ে খাদ্য কর্মসূচির আওতায় একটি রাস্তা নির্মাণ কাজ শুরু করেন চেয়ারম্যান জামাল হোসেন ফকির। ইতোমধ্যে সরকারি হালট দিয়ে রাস্তার ৯০ শতাংশ কাজ শেষ হয়েছে। শেষের দিকে মালিকানা জমি দিয়ে রাস্তা কাটার সময় এলাকাবাসীর রোশানলে পড়ে ভ্যাকু চালক ও শ্রমিকরা। গতরাত থেকে রাস্তা নির্মাণ কাজ বন্ধ রাখা হয়েছে। এলাকাবাসীর অনুরোধে শরীয়তপুর-১ আসনের সংসদ সদস্য ইকবাল হোসেন অপু এই বিশেষ বরাদ্দ দিয়েছিলেন।

ইতোমধ্যে এলাকাবাসী রাস্তা নির্মাণের পক্ষে বিপক্ষে অবস্থান করছেন। মাঝে মাঝে এলাকায় উত্তেজনা সৃষ্টি করছে উত্তেজিত এলাকাবাসী। পালং মডেল থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করছেন। শরীয়তপুর সদর উপজেলা পরিষদ সূত্রে জানাগেছে, গ্রামীণ অবকাঠামো সংস্কার নির্বাচনী এলাকা ভিক্তিক তৃতীয় পর্যায় ২০২২-২০২৩ এই প্রকল্প গ্রহণ করা হয়েছে। এর জন্য ১৫ মেট্রিকটন গম বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে।

স্থানীয়রা জানায়, সরকারি হালট দিয়ে রাস্তা নির্মাণ কাজ শুরু করে। রাস্তার শেষ অংশের মালিকানা ফসলি জমি কাটার সময় বাধার সম্মুখিন হয় শ্রমিকরা। এই রাস্তাটি নির্মাণ হলে এলাকার উন্নয়ন হবে। তবে বাধাদানকারী পক্ষ জানায়, ফসলি জমি নষ্ট করা হলে ব্যাপক ক্ষতি হবে তাদের।

চেয়ারম্যান জামাল হোসেন ফকির বলেন, এলাকাবাসীর অনুরোধ ছিল ওইখান দিয়ে একটি রাস্তা হলে এলাকার উন্নয়ন হবে। পাশাপাশি রাস্তার পাশে বাড়ি করে তারা বসবাস করতে পারবে। জমি থেকে ফসল বহনেও তাদের সুবিধা হবে। তাই কাবিখার অর্থে রাস্তার কাজ শুরু করি। ৯০ শতাংশ রাস্তাই সরকারি খাস জমিতে হয়েছে। শেষের অংশে কিছু মালিকানা জমি ব্যবহার করতে হবে। তাই মালিকদের সম্মতি নিয়েই কাজ শুরু করি। যারা রাস্তা করার সম্মতি দিয়েছে তাদের অনেকে এখন রাস্তা নির্মাণে বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে।

সদর উপজেলা নির্বাহী অফিসার জ্যোতি বিকাশ চন্দ্র বলেন, সরকারী হালট দিয়েই সিংহভাগ রাস্তা নির্মাণ হয়েছে। এখন মালিকানা জমির কতিপয় মালিক বাধা দিলেও অনেকে রাস্তার পক্ষে রয়েছে। তবুও স্থানীয়দের সাথে কথা বলে রাস্তা সমাপ্ত করার চেষ্টা করব।

 

কিউএনবি/আয়শা/১৩ জুলাই ২০২৩,/বিকাল ৫:২৮

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category

আর্কাইভস

January 2025
M T W T F S S
 12345
6789101112
13141516171819
20212223242526
2728293031  
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০১৫-২০২৬
IT & Technical Supported By:BiswaJit