শুক্রবার, ১৭ এপ্রিল ২০২৬, ১১:১৯ অপরাহ্ন
শিরোনাম
দীর্ঘমেয়াদি জন্মনিয়ন্ত্রণ: কপার টি-এর সুবিধা অসুবিধা ও স্বাস্থ্যঝুঁকি চিরাগের সাথে সম্পর্ক নিয়ে মুখ খুললেন কঙ্গনা কেন ইরান যুদ্ধ নিয়ে পশ্চিমা বিশ্বে নেই বড় কোনো প্রতিবাদ, নেপথ্যে কী? রাষ্ট্রপতি হওয়ার প্রশ্নে যা বললেন মির্জা ফখরুল ইরানকে ‘সঠিক পথ’ বেছে নেয়ার আহ্বান মার্কিন প্রতিরক্ষামন্ত্রীর ইমামতি প্রসঙ্গে রুমিন ফারহানার নামে ভুয়া মন্তব্য প্রচার প্রধানমন্ত্রীর পরিবারের নববর্ষ উদযাপনের প্রচারিত ছবিটি এআই দিয়ে তৈরি যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষে ‘মনস্তাত্ত্বিক অপারেশন’ চালাচ্ছে রয়টার্স: ইরান ভারত থেকে ৫ হাজার টন ডিজেল পাম্পিং শুরু ১৫ বছর পর বাংলাদেশে ওয়ানডে সিরিজ খেলতে আসছে অস্ট্রেলিয়া

বিনা অনুমতিতে সরকারি শেড ভাঙলেন চেয়ারম্যান-ইজারাদার

Reporter Name
  • Update Time : বৃহস্পতিবার, ৬ জুলাই, ২০২৩
  • ১১৭ Time View

ডেস্ক নিউজ : বুধবার (০৫ জুলাই) উপজেলার বৈরাতিহাটে এ ঘটনায় এলাকায় চরম উত্তেজনা বিরাজ করছে। প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা গেছে, বৈরাতিহাটের পশুহাট সংলগ্ন ৪টি শেড দীর্ঘদিন আগে নির্মিত হয়েছে। শেডগুলোতে স্থানীয় ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীরা ব্যবসা পরিচালনা করতো। সেখানে বিভিন্ন কুঠির শিল্পের মালামাল ক্রয়-বিক্রয় হতো নিয়মিত। বুধবার সকালে মির্জাপুর ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান শফিকুল ইসলাম শ্রমিক লাগিয়ে শেডগুলো ভেঙে ফেলেন।

এসময় বৈরাতিহাট ইজারাদারের লোকজনও উপস্থিত ছিলেন। শেডগুলো ভেঙে ফেলায় ফুঁসে ওঠে স্থানীয় ব্যবসায়ী ও বণিক সমিতির লোকজন। তারা শেডগুলো ভেঙে ফেলার তীব্র প্রতিবাদ গড়ে তোলেন। শেড ভেঙে ফেলার বিষয়ে মুঠোফোনে অভিযোগ করেন রংপুর জেলা প্রশাসক ও উপজেলা নির্বাহী অফিসারের কাছে। তাৎক্ষণিক উপজেলা নির্বাহী অফিসারের নির্দেশে কাজ বন্ধ করে দেয়া হয়। নাম প্রকাশ না করার শর্তে বৈরাতিহাটের কয়েকজন ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী জানান, শেডগুলোতে বাঁশের তৈরি নানা দ্রব্যাদি ক্রয়-বিক্রয় করা হতো। শেডগুলো ভেঙে ফেলার কারণে আমরা ব্যবসা করতে পারব না।

বৈরাতিহাট ইজারাদার রেমাউল হক মোবাইলে সময় সংবাদকে বলেন, পশুহাটের জায়গা না হওয়ার কারণে আমরা শেডগুলো ভেঙে ফেলার আবেদন করি মে মাসের ১৫ তারিখে। পরে ইউএনও স্যার গত তিন-চারদিন আগে মৌখিকভাবে অনুমতি দেন। একারণে শেডগুলো ভেঙে ফেলা হয়েছে। মৌখিক আবেদনে সরকারি শেড ভাঙা যায় কিনা এমন প্রশ্নে ইজারাদার আরও বলেন, এ কাজটি ঠিক হয়নি। লিখিত কাগজ নিয়ে আমাদের সেডটি ভাঙা উচিৎ ছিল। তবে এ কাজের সঙ্গে শুধু আমি না চেয়ারম্যানও জড়িত ছিল।
 
মির্জাপুর ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান শফিকুল ইসলাম মোবাইলে সময় সংবাদকে বলেন, ইউএনও স্যার বৈরাতিহাট পরিদর্শন করে সম্মতি দিয়েছিলেন শেডগুলো ভেঙে ফেলতে। একারণে সেগুলো ভেঙে ফেলা হয়েছে। পরে তারই নির্দেশে কাজ বন্ধ করে ভেঙে ফেলা শেডগুলোর ইট আমার জিম্মায় রেখে দিয়েছি।
এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী অফিসার রকিবুল হাসান মোবাইলে সময় সংবাদেক বলেন, সরকারি শেডটি নিয়ে কিছুদিন থেকেই একটু ঝামেলা ছিল। হাটের সমস্যা সমাধানে আমরা শেডটি খুলে ফেলার সিদ্ধান্ত নিয়েছি। শেডগুলো ভেঙে ফেলা নিয়ে স্থানীয়ভাবে গ্রুপিংয়ের সৃষ্টি হয়েছে। একারণে কাজ বন্ধ করে দেয়া হয়েছে। তাদের নিয়ে দ্রুত বিষয়টি সমাধান করা হবে।

 

 

কিউএনবি/আয়শা/০৬ জুলাই ২০২৩,/রাত ৮:৪০

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category

আর্কাইভস

April 2026
M T W T F S S
 123456
78910111213
14151617181920
21222324252627
28293031  
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০১৫-২০২৬
IT & Technical Supported By:BiswaJit