২. দীর্ঘদিন ধরে শিশুকে জোর করে খাবার খাওয়ালে তাদের হজমে সমস্যা দেখা দিতে পারে।
লাইফ ষ্টাইল ডেস্ক : বাইরের খাবারের প্রতি লোভ থাকলেও ঘরের খাবার মুখে তোলে না। বহু বাড়িতেই শিশুদের নিয়ে এই সমস্যা রয়েছে। শিশুটি খেতে চায় না। মায়েরা চিন্তায় দিন কাটান। এ কারণেই বাধ্য হয়ে জোর করে খাবার খাওয়ান বাবা মায়েরা। তবে জোর করে শিশুকে খাওয়ানো ঠিক নয়। এ কথা জানলেও মানতে চান না অভিভাবকেরা। আর এ কারণে অজান্তে শিশুর ক্ষতি ডেকে আনেন তারা।
২. দীর্ঘদিন ধরে শিশুকে জোর করে খাবার খাওয়ালে তাদের হজমে সমস্যা দেখা দিতে পারে।
৫. শিশুদের ও গ্যাসের সমস্যা হয়। বিশেষ করে ঠুসে খাবার খাওয়ানো হলে বাচ্চাদের মুখ দিয়ে অতিরিক্ত বাতাস ঢুকে পেটে। অন্যদিকে গিলে খাবার খেলে তা হজমে দেরি হয়। ফলে পেটে গ্যাস হওয়ার সম্ভাবনা থেকেই যায়। এই গ্যাসই শিশুর কষ্ট কাঠিন্যের অন্যতম কারণ।
৬. যেসব শিশুকে ছোটবেলা থেকেই জোর করে বেশি খাবার খাওয়ানো হয়, তাদের অতিরিক্ত খাবার অভ্যাস গড়ে ওঠে। কত পরিমান খাবার খাওয়া উচিত তা তারা বুঝতে পারে না। তাই বড় হলেও নিজ থেকেই বেশি বেশি খেতে শুরু করে।
৭. জোর করে খাওয়ানোর ফলে শিশুরা খাবারের স্বাদ বুঝে উঠতে পারেনা। আর স্বাদ বুঝতে পারে না বলেই তারা খাবার মুখে তুলতে চায় না। তাদের মধ্যে খাবারের প্রতি অনীহা গড়ে ওঠে।
যেভাবে শিশুকে খাওয়াবেন –
১. শিশুকে জোর করে খাবার খাওয়াবেন না। খেতে না চাইলে ভয় দেখাবেন না বরং বিভিন্ন খাবারের স্বাদ বোঝানোর চেষ্টা করুন।
২. প্রতিদিন একই খাবার খাওয়াবেন না শিশুকে। দৈনিক তাদের মেন্যু পরিবর্তন করুন।
৩. শিশুরা রঙবেরঙের খাবার খেতে পছন্দ করে। এজন্য তাদেরকে নানা রঙের শাকসবজি ও ফলমূল খাওয়ান। তাও আবার ভালোভাবে পরিবেশনের মাধ্যমে। দেখবেন স্বাভাবিকভাবেই তাদের খাবারের ইচ্ছে বাড়বে।
৪. একবারে অতিরিক্ত খাবার না দিয়ে শিশুকে অল্প অল্প করে বারবার খাওয়ান। এর ফলে শিশুর খাওয়ার প্রতি আগ্রহ বাড়বে আর সহজে হজম করতে পারবে।
৫. খাবারের পাশাপাশি শিশুকে পর্যাপ্ত পানি পান করান।
কিউএনবি/আয়শা/২৩ জুন ২০২৩,/দুপুর ১২:৩৫