মঙ্গলবার, ৩১ মার্চ ২০২৬, ০৩:০৭ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষে সেনা পাঠাবে না যুক্তরাজ্য ইরানের বিদ্যুৎ স্থাপনা-খার্গ দ্বীপ সম্পূর্ণরূপে ধ্বংসে ট্রাম্পের হুমকি সংসদে হাসনাত ভুল স্বীকারের পর যা বললেন সালাহউদ্দিন সম্প্রচার চুক্তি বাতিল, বাংলাদেশে দেখা যাবে না আইপিএল যুক্তরাষ্ট্রের সাথে বাণিজ্য চুক্তি বাতিলের দাবীতে দুর্গাপুরে বিক্ষোভ সমাবেশ আটোয়ারীতে মাসিক সমন্বয় সভা ও আইন-শৃঙ্খলা কমিটির সভা অনুষ্ঠিত নোয়াখালীতে মাদক দ্বন্দ্বে তরুণ খুন, গ্রেপ্তার ৮ নতুন ছবির ঘোষণা সালমানের, মুক্তি ঈদে ইরান কেন হরমুজের ওপর পূর্ণ সার্বভৌমত্ব চাচ্ছে, শুধুই কি রাজস্ব নাকি অন্য কিছু ঢাবির চারুকলা অনুষদে বাংলা নববর্ষ উদযাপনের প্রস্তুতি শুরু

মহাকাশ কেন্দ্র আইএসএসকে ধ্বংসের পরিকল্পনা নাসার

Reporter Name
  • Update Time : সোমবার, ১২ জুন, ২০২৩
  • ১১৫ Time View

তথ্যপ্রযুক্তি ডেস্ক : মেয়াদ ফুরোচ্ছে আন্তর্জাতিক মহাকাশ কেন্দ্র আইএসএসের। ২০৩১ সালে আয়ুষ্কাল শেষে মহাকাশ কেন্দ্রটিকে নিক্ষেপ করা হবে সাগরের অতল গর্ভে। তবে ২০২৬ সাল থেকেই এটিকে পৃথিবীর দিকে নিয়ে আসার কাজ শুরু হবে। বিশ্বের সবচে বড় মহাকাশযানকে পৃথিবীতে ফিরিয়ে আনা কঠিন হবে বলেই মনে করছেন বিজ্ঞানীরা। আইএসএসের পর বেসরকারিভাবে একাধিক স্টেশন স্থাপনের পরিকল্পনা করছে যুক্তরাষ্ট্র চীন ও রাশিয়াসহ আরও কিছু দেশ। 

আধুনিক বিশ্বে মানুষের সক্ষমতার অনন্য এক নিদর্শন আন্তর্জাতিক মহাকাশ কেন্দ্র আইএসএস। আনুষ্ঠানিক যাত্রায় যুক্তরাষ্ট্র, রাশিয়া, জাপান, কানাডা ও ইউরোপীয় ইউনিয়নের মহাকাশ সংস্থাগুলো ২০০০ সালে তিন নভোচারী পাঠায়। মহাকাশে মানুষের একমাত্র স্থায়ী আবাসস্থল এই মহাকাশ কেদ্র। 

স্টেশনটি এপর্যন্ত আশ্রয় দিয়েছে ২০ দেশের আড়াইশ’ও বেশি নভোচারীকে। এটি কখনোই মানবশূন্য থাকেনি। ৬ রুমের স্টেশনে রয়েছে মাইক্রো গ্রেভিটি নিয়ে গবেষণাগার। এছাড়া খাদ্য উৎপাদন, পানি বিশুদ্ধ করাসহ ক্যান্সার আলঝেইমার মতো রোগের চিকিৎসা নিয়েও হয় গবেষণা। উপগ্রহ তৈরিতে নির্মাতাদের খরচ ১৫ হাজার কোটি ডলার। পরিচালন ব্যয় চারশ’ কোটি ডলার। দুই যুগের দীর্ঘ সফরে মহাকাশে পর্যটক ভ্রমণ, খাদ্যশস্য উৎপাদন ও সিনেমার শুটিংয়ের মতো অসংখ্য ইতিহাসের সাক্ষী আন্তর্জাতিক এই মহাকাশ কেন্দ্র। তবে সময়ের সঙ্গে সঙ্গে এর আয়ুও কমছে। ২০৩০ সালের পর এটি ব্যবহার করা ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে যাবে।

তাই ২০৩১ সালে আইএসএসকে পুরোপুরি ধ্বংসের পরিকল্পনা নাসার। মহাকাশ যানের কবরস্থান খ্যাত প্রশান্ত মহাসাগরে নিমো পয়েন্টে একে ডোবানো হবে। তবে মহাকাশে মানুষের তৈরি সবচেয়ে বড় স্থাপনাটিকে পৃথিবীতে নামিয়ে আনা চ্যালেঞ্জিং হবে বলেই মনে করেন গবেষকরা।

চারশ’ টনের আইএসএস আয়তনে একটি ফুটবল মাঠের সমান। পৃথিবীর দিকে ঠেলে আনতে আরেকটি যান ব্যবহার করতে হবে। আর এর নির্মাণ খরচ দাঁড়াবে প্রায় ১০০ কোটি ডলার।

২০২৬ সাল থেকে আইএসএসকে পৃথিবীতে আনার কাজ শুরু হবে। বায়ুমণ্ডলের ঘন গ্যাসের স্তরে ঢুকে পড়লে আইএসএসের গতি থাকবে ঘন্টায় ২৯,০০০ কিলোমিটার। উচ্চগতি ও উত্তাপে স্টেশনটির অনেক অংশই পুড়ে যাবে। 

কিউএনবি/অনিমা/১২ জুন ২০২৩,/দুপুর ১২:৫৫

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category

আর্কাইভস

March 2026
M T W T F S S
 12
3456789
10111213141516
17181920212223
2425262728  
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০১৫-২০২৬
IT & Technical Supported By:BiswaJit