বাদল আহাম্মদ খান ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা প্রতিনিধি : ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আখাউড়ায় সম্পত্তির সম অধিকার পেতে সংবাদ সম্মেলন করেছেন মো. জুয়েল খান নামে এক স্বেচ্ছাসেবক লীগ নেতা। ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের সদস্য জুয়েল খান বৃহস্পতিবার সকালে আখাউড়া উপজেলা পরিষদ ভবনের সামনে তার ব্যবসায়ি প্রতিষ্ঠানে এ সংবাদ সম্মেলন করেন। জুয়েল খান আখাউড়া পৌর এলাকার তারাগন গ্রামের মৃত নূর খাঁনের ছেলে।
সংবাদ সম্মেলনে জুয়েল খাঁন জানান, তার দাদা গোলাপ খানের দুই ছেলে নূর খান ও খোকন খান। তার পিতা নূর খান মারা যাওয়ার তিন বছর পর চাচা খোকন খাঁনের সঙ্গে তার মায়ের বিয়ে হয়। তবে তিনি খোকন খানের পিতৃ পরিচয়েই বড় হতে থাকেন। এক পর্যায়ে তার কাগজপত্রে নূর খানের নাম লেখানোর পরামর্শ দেওয়া হয়। জুয়েল খান অভিযোগ করেন, এরই মধ্যে নূর খানের নাম বাদ দিয়ে আখাউড়া পৌরসভা থেকে গোলাপ খানের ওয়ারিশান সনদ নেওয়া হয়।
এরপর থেকেই তাকে পারিবারিক সম্পত্তি থেকে বঞ্চিত করার পায়তারা শুরু হয়। এক ছেলে ও পাঁচ মেয়ে রেখে ২০২২ সালের ১৬ জুলাই খোকন খান মারা যান। তিনি জানতে পারেন, মারা যাওয়ার পূর্বে চাচা খোকন খান একটি অছিয়ত নামা দলিল রেজিস্ট্রি করেন। খোকন খানের ছেলে নাহিদ খান ওই অছিয়ত নামা দলিলের দাগ ও চৌহদ্দির দুটি পাতা বদলে ও রেজিস্ট্রি অফিসের সীল মোহর জাল করে একটি দলিল তৈরি করেন। এতে জুয়েল খান সম্পত্তি থেকে বঞ্চিত হন।
তবে মো. নাহিদ খান এসব অভিযোগ অস্বীকার করেন। তিনি বলেন, ‘আমাকে সামাজিকভাবে হেয় প্রতিপন্ন করতে আমার চাচাতো ভাই উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) বরাবর একটি মিথ্যা লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন। ওনি আর কোনো সম্পত্তি পাওনা নেই।’
কিউএনবি/আয়শা/১৮ মে ২০২৩,/রাত ৯:০০