সোমবার, ১৭ অগাস্ট ২০২৬, ০৩:২৪ অপরাহ্ন
শিরোনাম
নোয়াখালীতে হোটেল ম্যানেজারকে কুপিয়ে জখম, ৫ লাখ টাকা লুট মাটিরাঙ্গায় জাতীয় মৎস্য সপ্তাহ উপলক্ষে র‍্যালি ও আলোচনা সভা অনুষ্টিত। দেবীগঞ্জে জাতীয় মৎস্য সপ্তাহ উদ্বোধন, পুরস্কার বিতরণ ও আলোচনা সভা নওগাঁর মহাদেবপুরে শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের অবদান শীর্ষক আলোচনা সভা ও শিক্ষক সমাবেশ নোয়াখালীতে চিকিৎসকের অবহেলায় মা-নবজাতকের মৃত্যু, সর্বোচ্চ শাস্তির দাবি খালেদা জিয়ার জন্মদিন উপলক্ষে আশুলিয়ায় দোয়া ও মিলাদ বোচাগঞ্জের জাতীয় মৎস্য পক্ষ ২০২৬ এর উদ্বোধন নওগাঁয় জাতীয় মৎস্য সপ্তাহ শুরু ভূরুঙ্গামারীতে জাতীয় মৎস্য পক্ষ উদযাপন ফুলবাড়ীতে জাতীয় মৎস্য পক্ষের উদ্বোধন॥

কক্সবাজারের জন্য ১০ নম্বর মহাবিপৎসংকেত ঠিক ছিল কী?

Reporter Name
  • Update Time : রবিবার, ১৪ মে, ২০২৩
  • ১৩৪ Time View

ডেস্ক নিউজ : প্রচণ্ড ঘূর্ণিঝড় বন্দরের খুব কাছ দিয়ে অর্থাৎ বাম দিক (ঝড়ের ডান দিকে থাকবে বন্দর) দিয়ে যাবে অথবা ওপর দিয়ে যাবে তখন ওই বন্দরের জন্য ১০ নম্বর মহাবিপৎসংকেত হয়ে থাকে। কিন্তু ঘূর্ণিঝড় ‘মোখা’ কক্সবাজারের ডান দিক দিয়ে যাবে আগেই নিশ্চিত ছিল। একইভাবে নিশ্চিত ছিল এটি টেকনাফ ও সেন্টমার্টিনকে বাম দিকে রেখে মিয়ানমারের সিটওয়ে বন্দরের দিকে অগ্রসর হবে। তাহলে কী সোশ্যাল মিডিয়ায় ঘূর্ণিঝড়ের পূর্বাভাস নিয়ে অনেকের মন্তব্যে চাপে পড়ে ১০ নম্বর মহাবিপৎসংকেত?

আবহাওয়া অধিদপ্তরের সকল বুলেটিন দপ্তর থেকেই প্রকাশ হয়ে থাকে। আবহাওয়া অধিদপ্তর সংকেত প্রকাশ করার আগে তা কেউ জানে না। কিন্তু গতকাল দুর্যোগ মন্ত্রণালয়ের ব্রিফিংয়ে বুলেটিন প্রকাশের আগেই মিডিয়ার কাছে কক্সবাজারের জন্য ১০ নম্বর মহাবিপৎসংকেত ঘোষণা করেন দুর্যোগ মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী এনামুর রহমান। দুপুর ১২টার সেই ব্রিফিংয়ের পর দুপুর দেড়টায় এসে আবহাওয়া অধিদপ্তর বুলেটিন প্রকাশ করে কক্সবাজারের জন্য ১০ নম্বর মহাবিপৎসংকেত ঘোষণা করে। এখন যথারীতি ঘূর্ণিঝড়ের গতিপথ অনুযায়ী ঝড়টি সেন্টমার্টিনকে বাম দিকে রেখে মিয়ানমারের সিটওয়ে বন্দরের দিকে আজ বিকাল তিনটার দিকে অতিক্রম করতে শুরু করেছে। সেন্টমার্টিন ও টেকনাফের ওপর দিয়ে ঝোড়ো হাওয়াও বইছে। কিন্তু সংকেত গাইড লাইন অনুযায়ী তা আট নম্বর মহাবিপৎসংকেতের আওতাভুক্ত। তাহলে ১০ নম্বর মহাবিপৎসংকেত দেওয়া হলো কেন?

এই প্রশ্নের উত্তর জানতে কথা হয় আবহাওয়া অধিদপ্তরের ১৫ নম্বর বিশেষ বুলেটিনে স্বাক্ষর করা আবহাওয়াবিদ বজলুর রশিদের সঙ্গে। এই বুলেটিনেই কক্সবাজারকে ১০ নম্বর মহাবিপৎসংকেত দেখানো হয়ে এবং চট্টগ্রাম ও পায়রার জন্য আগের দেখানো আট নম্বর মহাবিপৎসংকেত বহাল রাখা হয়। ১০ নম্বর মহাবিপৎসংকেত প্রসঙ্গে জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘মন্ত্রী মহোদয় যে মিটিংয়ে ১০ নম্বর মহাবিপৎসংকেতের কথা ঘোষণা করেছেন সেই মিটিংয়ে আমাদের পরিচালকসহ আবহাওয়াবিদরা উপস্থিত ছিলেন। তাদের সঙ্গে কথা বলেই ১০ নম্বর মহাবিপৎসংকেত ঘোষণা করা হয়েছিল।’

তিনি আরও বলেন, বিধি অনুযায়ী বাতাসের গতিবেগ ১৯০ কিলোমিটার পর্যন্ত বৃদ্ধি পেলে ১০ নম্বর মহাবিপৎসংকেত দেওয়া যায়। এদিকে ১৫ নম্বর বিশেষ বুলেটিনে বলা হয়েছিল, ঘূর্ণিঝড় কেন্দ্রের ৭৪ কিলোমিটারের মধ্যে বাতাসের একটানা সর্বোচ্চ গতিবেগ ১৭৪ কিলোমিটার, যা দমকা অথবা ঝোড়ো হাওয়ার আকারে ১৯০ কিলোমিটার পর্যন্ত বৃদ্ধি পাচ্ছে।

তবে সোশ্যাল মিডিয়ায় এই ঘূর্ণিঝড় সুপার সাইক্লোন হিসেবে রূপ নিচ্ছে বলে কানাডা থেকে মোস্তফা কামাল পলাশ নামের একজন পিএইচডি গবেষক বারবার তা ঘোষণা দিচ্ছিলেন। আর এই বক্তব্য দ্রুত ছড়িয়েও পড়ছিল। এর প্রভাবে আবহাওয়া অধিদপ্তর সংকেত বাড়িয়ে দিল কি না তা নিয়েও অনেকের প্রশ্ন জেগেছে।

উল্লেখ্য, অতিপ্রবল ঘূর্ণিঝড় মোখার কারণে চট্টগ্রাম, কক্সবাজার ও পায়রা সমুদ্রবন্দরকে আট নম্বর মহাবিপৎসংকেত এবং মোংলা সমুদ্রবন্দরকে চার নম্বর হুঁশিয়ারি সংকেত দেখানো হয়েছিল গত বুধবার রাতে প্রকাশিত ১২ নম্বর বিশেষ বুলেটিনে।

 

 

কিউএনবি/আয়শা/১৪ মে ২০২৩,/বিকাল ৪:৫৪

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category

আর্কাইভস

August 2026
M T W T F S S
 123
45678910
11121314151617
18192021222324
25262728293031
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০১৫-২০২৬
IT & Technical Supported By:BiswaJit