বুধবার, ০৭ অক্টোবর ২০২৬, ০৮:০৫ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
প্রতিবন্ধী শিশুদের পুনর্বাসনে ২২ জেলায় হচ্ছে ‘শিশু স্বর্গ’: স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী রাজু হত্যা মামলায় সাবেক এমপি মোশতাক রুহী ৪ দিনের রিমান্ডে রোহিঙ্গা সংকটে টেকসই প্রত্যাবাসনে আন্তর্জাতিক উদ্যোগের আহ্বান পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীর ফেডারেশন কাপে দারুণ শুরু বসুন্ধরা কিংসের রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ বন্ধে আরও জোরালো ভূমিকা রাখতে চায় ভারত বন্ধুদের সঙ্গে না পেরে ভিন্ন চেষ্টা, ‘গোপন প্রতিভা’ ফাঁস করলেন জাহ্নবী আদালত থেকে পালালেন আসামি, কনস্টেবল বরখাস্ত গোপালগঞ্জে মানব পাচার চক্রের অন্যতম হোতা রঞ্জন মন্ডল গ্রেপ্তার সাংবিধানিকভাবে দায়মুক্তি পাচ্ছেন জুলাইযোদ্ধারা: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আগস্ট থেকে ইয়েমেনে বাস্তুচ্যুত ১ লাখ ৩০ হাজারের বেশি মানুষ

কক্সবাজারের জন্য ১০ নম্বর মহাবিপৎসংকেত ঠিক ছিল কী?

Reporter Name
  • Update Time : রবিবার, ১৪ মে, ২০২৩
  • ১৩৯ Time View

ডেস্ক নিউজ : প্রচণ্ড ঘূর্ণিঝড় বন্দরের খুব কাছ দিয়ে অর্থাৎ বাম দিক (ঝড়ের ডান দিকে থাকবে বন্দর) দিয়ে যাবে অথবা ওপর দিয়ে যাবে তখন ওই বন্দরের জন্য ১০ নম্বর মহাবিপৎসংকেত হয়ে থাকে। কিন্তু ঘূর্ণিঝড় ‘মোখা’ কক্সবাজারের ডান দিক দিয়ে যাবে আগেই নিশ্চিত ছিল। একইভাবে নিশ্চিত ছিল এটি টেকনাফ ও সেন্টমার্টিনকে বাম দিকে রেখে মিয়ানমারের সিটওয়ে বন্দরের দিকে অগ্রসর হবে। তাহলে কী সোশ্যাল মিডিয়ায় ঘূর্ণিঝড়ের পূর্বাভাস নিয়ে অনেকের মন্তব্যে চাপে পড়ে ১০ নম্বর মহাবিপৎসংকেত?

আবহাওয়া অধিদপ্তরের সকল বুলেটিন দপ্তর থেকেই প্রকাশ হয়ে থাকে। আবহাওয়া অধিদপ্তর সংকেত প্রকাশ করার আগে তা কেউ জানে না। কিন্তু গতকাল দুর্যোগ মন্ত্রণালয়ের ব্রিফিংয়ে বুলেটিন প্রকাশের আগেই মিডিয়ার কাছে কক্সবাজারের জন্য ১০ নম্বর মহাবিপৎসংকেত ঘোষণা করেন দুর্যোগ মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী এনামুর রহমান। দুপুর ১২টার সেই ব্রিফিংয়ের পর দুপুর দেড়টায় এসে আবহাওয়া অধিদপ্তর বুলেটিন প্রকাশ করে কক্সবাজারের জন্য ১০ নম্বর মহাবিপৎসংকেত ঘোষণা করে। এখন যথারীতি ঘূর্ণিঝড়ের গতিপথ অনুযায়ী ঝড়টি সেন্টমার্টিনকে বাম দিকে রেখে মিয়ানমারের সিটওয়ে বন্দরের দিকে আজ বিকাল তিনটার দিকে অতিক্রম করতে শুরু করেছে। সেন্টমার্টিন ও টেকনাফের ওপর দিয়ে ঝোড়ো হাওয়াও বইছে। কিন্তু সংকেত গাইড লাইন অনুযায়ী তা আট নম্বর মহাবিপৎসংকেতের আওতাভুক্ত। তাহলে ১০ নম্বর মহাবিপৎসংকেত দেওয়া হলো কেন?

এই প্রশ্নের উত্তর জানতে কথা হয় আবহাওয়া অধিদপ্তরের ১৫ নম্বর বিশেষ বুলেটিনে স্বাক্ষর করা আবহাওয়াবিদ বজলুর রশিদের সঙ্গে। এই বুলেটিনেই কক্সবাজারকে ১০ নম্বর মহাবিপৎসংকেত দেখানো হয়ে এবং চট্টগ্রাম ও পায়রার জন্য আগের দেখানো আট নম্বর মহাবিপৎসংকেত বহাল রাখা হয়। ১০ নম্বর মহাবিপৎসংকেত প্রসঙ্গে জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘মন্ত্রী মহোদয় যে মিটিংয়ে ১০ নম্বর মহাবিপৎসংকেতের কথা ঘোষণা করেছেন সেই মিটিংয়ে আমাদের পরিচালকসহ আবহাওয়াবিদরা উপস্থিত ছিলেন। তাদের সঙ্গে কথা বলেই ১০ নম্বর মহাবিপৎসংকেত ঘোষণা করা হয়েছিল।’

তিনি আরও বলেন, বিধি অনুযায়ী বাতাসের গতিবেগ ১৯০ কিলোমিটার পর্যন্ত বৃদ্ধি পেলে ১০ নম্বর মহাবিপৎসংকেত দেওয়া যায়। এদিকে ১৫ নম্বর বিশেষ বুলেটিনে বলা হয়েছিল, ঘূর্ণিঝড় কেন্দ্রের ৭৪ কিলোমিটারের মধ্যে বাতাসের একটানা সর্বোচ্চ গতিবেগ ১৭৪ কিলোমিটার, যা দমকা অথবা ঝোড়ো হাওয়ার আকারে ১৯০ কিলোমিটার পর্যন্ত বৃদ্ধি পাচ্ছে।

তবে সোশ্যাল মিডিয়ায় এই ঘূর্ণিঝড় সুপার সাইক্লোন হিসেবে রূপ নিচ্ছে বলে কানাডা থেকে মোস্তফা কামাল পলাশ নামের একজন পিএইচডি গবেষক বারবার তা ঘোষণা দিচ্ছিলেন। আর এই বক্তব্য দ্রুত ছড়িয়েও পড়ছিল। এর প্রভাবে আবহাওয়া অধিদপ্তর সংকেত বাড়িয়ে দিল কি না তা নিয়েও অনেকের প্রশ্ন জেগেছে।

উল্লেখ্য, অতিপ্রবল ঘূর্ণিঝড় মোখার কারণে চট্টগ্রাম, কক্সবাজার ও পায়রা সমুদ্রবন্দরকে আট নম্বর মহাবিপৎসংকেত এবং মোংলা সমুদ্রবন্দরকে চার নম্বর হুঁশিয়ারি সংকেত দেখানো হয়েছিল গত বুধবার রাতে প্রকাশিত ১২ নম্বর বিশেষ বুলেটিনে।

 

 

কিউএনবি/আয়শা/১৪ মে ২০২৩,/বিকাল ৪:৫৪

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category

আর্কাইভস

October 2026
M T W T F S S
 12345
6789101112
13141516171819
20212223242526
27282930  
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০১৫-২০২৬
IT & Technical Supported By:BiswaJit