শুক্রবার, ১০ এপ্রিল ২০২৬, ০৩:০৫ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
ক্যান্সার ও হৃদরোগ প্রতিরোধ করে মিষ্টি কুমড়া দরগাঁজল আদিবাসী সাইনিং ইস্টার স্কুল শিশুদের স্বপ্নের পাঠশালা উদ্বোধন॥ ফুলবাড়ী ২৯ বিজিবি খানপুর ও অচিন্তপুর সীমান্ত এলাকায় অভিযান চালিয়ে ৭ লক্ষ টাকা মাদক আটক আশুলিয়ায় শিক্ষককে হয়রানী করতে অপ-প্রচার সহ থানায় মিথ্যা অভিযোগ মাটিরাঙ্গায় মসজিদে ওজুখানার সংস্কার: টাইলস স্থাপন করে দিলেন পৌর বিএনপি সভাপতি শাহ জালাল কাজল। উড্ডয়নের আগমুহূর্তে যাত্রীর অসুস্থতা, রানওয়ে থেকে ফিরল বিমানের ফ্লাইট গ্যাস সংকটে পোশাক কারখানায় উৎপাদন ৫০% কমেছে: ঢাকা চেম্বার বিসিবির ‘সংবিধান’ নিয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে যা বললেন আসিফ মাহমুদ বাংলাদেশ-নিউজিল্যান্ড সিরিজের সময়সূচি পরিবর্তন ট্রাম্প প্রশাসনের কটাক্ষের মুখে ক্লুনির কড়া জবাব

ঘামাচি— কী, কেন হয়, লক্ষণ ও করণীয়

Reporter Name
  • Update Time : শনিবার, ২৯ এপ্রিল, ২০২৩
  • ১৯৮ Time View

লাইফ ষ্টাইল ডেস্ক : গরমকালের অন্যতম সমস্যার নাম ঘামাচি। গরম ও ভ্যাপসা আবহাওয়ায় শিশুরা প্রায়ই ঘামাচিতে কষ্ট পায়। গরমের সময় অতিরিক্ত ঘামের চাপে ঘর্মগ্রন্থি বা ওই নালিটিই ফেটে যায় এবং ঘাম ত্বকের নিচে জমতে থাকে। ত্বকের নিচে জমে থাকা এই ঘামই ‘ঘামাচি’ হিসেবে আত্মপ্রকাশ করে।

ঘামাচি কী?

ঘামাচি এক ধরনের চর্মরোগ। নাম শুনেই বুঝতে পারছেন এর নামকরণ হয়েছে ঘাম শব্দটি থেকে। গরমের সময় আমাদের ত্বকে লাল বর্ণ ধারণ করে ফুসকুড়ির ন্যায় যা প্রকাশ পায় সেটিই হলো ঘামাচি বা হিট র‍্যাশ। সাধারণ ঘামাচি দেহের বড় অংশজুড়ে থাকে। কখনো বা ঘামাচি লাল লাল গোটার মতো শিশুর ঘাড়ে, গলায়, পিঠে, বুকে ওঠে। কখনো কখনো এটি ছত্রাকজাতীয় জীবাণুর সংক্রমণ বা চামড়ার অন্যান্য কিছু অসুখ বলে ভ্রম হতে পারে।

ঘামাচি কেন হয়?

আমাদের ত্বকের ঘর্মগ্রন্থির সঙ্গে এক ধরনের জীবাণু মিশে থাকে। এই জীবাণুর নাম স্টেফ এপিডারমাইডিস। গরমের সময় স্বাভাবিকভাবেই ঘর্মগ্রন্থি থেকে ঘাম বেশি নিঃসৃত হয়। তাই ধূলোবালিও জমে বেশি পরিমাণে। ত্বকের মৃত কোষে ধূলোবালি জমে যখন ঘর্মগ্রন্থি থেকে স্বাভাবিকভাবে ঘাম নিঃসরণ হতে পারে না তখন স্টেফ এপিডারমাইডিস-এর সংস্পর্শে এসে ঘামাচির উৎপত্তি হয়।

ঘামাচির লক্ষণ

অতিরিক্ত ঘামাচির কারণে অস্বস্তি, জ্বালাপোড়া, শারীরিক দুর্বলতা, ঘামে অসহনশীলতা, ক্ষুধামান্দ্য, মাথা ঘোরা, মাথা ব্যথা হতে পারে। সেই সঙ্গে শরীর চুলকাতেও থাকে। চুলকাতে চুলকাতে ঘামাচিতে ইনফেকশন হয়ে একজিমার আকার ধারণ করে। অনেক সময় ঘামাচি বড় হয়ে ফোড়ায় রূপান্তরিত হয়।

ঘামাচি প্রতিরোধে করণীয়

– ঘামাচি প্রতিরোধে শিশুকে যতটা সম্ভব ঠাণ্ডার মধ্যে রাখা উচিত।

– নাইলনের পোশাক পরানো বা রাবার ও প্লাস্টিকের সিটের ওপর শোয়ানো যথাসম্ভব এড়িয়ে চলতে হবে। শিশুকে ঢিলেঢালা সুতির জামাকাপড় পরাতে হবে।

– রুমের তাপমাত্রা যাতে অস্বাভাবিক বেশি না থাকে, সেদিকে খেয়াল রাখতে হবে।

– বারবার শিশুর গা ঠাণ্ডা পানিতে মুছিয়ে দিলে ঘামাচির বেশ উপকার হয়। দিনে কয়েকবার ঠাণ্ডা পানি দিয়ে গোসল করা যেতে পারে।

– ঘরে এয়ারকন্ডিশনার থাকলে ভালো হয়, তবে ফ্যানের বাতাসও উপকারী।

– বেবি ট্যালকম পাউডার ব্যবহার করা যেতে পারে।

– ক্যালামিন লোশন ঝাঁকিয়ে ঘামাচি আক্রান্ত শরীরে ঘণ্টাখানেক ধরে লাগিয়ে রেখে সেটি ধুয়ে ফেলতে হবে। এ রকম তিন-চার দিনের বেশি করা যাবে না।

– ঘামাচিতে লাল ভাব দেখা দিলে চিকিৎসকের পরামর্শ মতো কিছুদিন কিউরিল অয়েন্টমেন্ট দিনে দুইবার ব্যবহার করলে উপকার পাওয়া যেতে পারে।

– ফোড়া হয়ে গেলে চিকিৎসকের পরামর্শ নিয়ে অ্যান্টিবায়োটিক ওষুধ খেতে হবে।

– গরমে শিশুদের অনেক ঘাম হয়। ফলে শিশুদের পানি ও ইলেকট্রোলাইটসের ঘাটতি দেখা দেয়। এ জন্য শিশুকে পর্যাপ্ত তরল যেমন—ডাবের পানি, লেবুর পানি, কাঁচা আমের জুস ইত্যাদি খেতে দিতে হবে। এতে শিশুর শরীরে পানিশূন্যতা দেখা দেবে না।

মায়োক্লিনিক অবলম্বনে

কিউএনবি/অনিমা/২৯ এপ্রিল ২০২৩,/রাত ১০:১০

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category

আর্কাইভস

April 2026
M T W T F S S
 123456
78910111213
14151617181920
21222324252627
28293031  
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০১৫-২০২৬
IT & Technical Supported By:BiswaJit