শুক্রবার, ২১ অগাস্ট ২০২৬, ০৭:৩০ অপরাহ্ন
শিরোনাম

ঝালকাঠির রাজাপুরে মরা গরুর মাংস বিক্রয় টকঅফদ্যা টাউনে

গাজী মো.গিয়াস উদ্দিন বশির,ঝালকাঠি প্রতিনিধি ।
  • Update Time : মঙ্গলবার, ২৫ এপ্রিল, ২০২৩
  • ২০৯ Time View

গাজী মো.গিয়াস উদ্দিন বশির,ঝালকাঠি : ঝালকাঠির রাজাপুরে মরা গরুর মাংস বিক্রয় করায় জেলা জুড়ে টকঅফদ্যা টাউনে। স্থানীয় ইউপি সদস্য ও বাজার কমিটি অর্থের বিনিমিয় এই ঘটনা ধামাচাপা দিয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। কসাই আল-আমিন বলছে ফ্রিজে রাখা মাংস পঁচে গেছে বুজতে পারি নায়। স্থানীয় ইউপি সদস্য আমিনুল ইসলাম ও বাজার কমিটির সাধারণ সম্পাদক আল-আমিন তাও মানতে নারাজ। রবিবার ভোরে উপজেলার গালুয়া ইউনিয়নের পুটিয়াখালী মীরের হাট বাজারে এ ঘটনা ঘটে।

স্থানীয় আমেনা বেগম, লাভলু, জব্বার, কাঞ্চনসহ ক্রেতারা জানায়, ঈদুল ফিতরের কসাই আল-আমিনের আমদানি করা একটি ফ্রিজিয়ান গরু স্ট্রোক করে মারা যায়। ওই মরা গরুর অর্ধেক মাংস অল্প অল্প করে পুটিয়াখালী মীরের হাট বাজারে বিক্রয় করে আল-আমিন। বাকি মাংস শনিবার ভোরে পুটিয়াখালীর আসাদ তালুকদারের ভাগনির বিয়ের অনুষ্ঠানে পাঠানো হয়। ঐ মাংস রান্না করার জন্য বস্তা থেকে বের করলে পচাঁ গন্ধ বের হতে শুরু করে।

বিষয়টি সাথে সাথে বাবুর্চি আসাদ তালুকদারকে জানায়। আসাদ তালুকদার বাজারে গিয়ে জনসম্মূখে কসাইকে জানালে এ নিয়ে তাদের মধ্যে কথা কটাকাটি হয়। বিষয়টি মুহুর্তের মধ্যে স্থানীয় ইউপি সদস্য ও বাজার কমিটির স্থানীয় সদস্যরা মিলে অর্থের বিনিময় ধামাচাঁপা দিয়ে দেন। এমনকি তাদের ভয়ে প্রকাশ্যে কেউ মুখ খুলতে রাজি নয়। কসাই আল-আমিন ও ভূক্তভোগী আসাদ তালুকদার দুইজনেই ইউপি সদস্য আমিনুল ইসলামের লোক। এ কারণেই ইউপি সদস্যে এ বিষয়টি ধামাচাপা দিতে সহজ হয়েছে বলে স্থানীয়রা জানায়। কসাই আল-আমিন জানায়, আাগের দিনের মাংস বিক্রয় করতে না পেরে ফ্রিজে রাখি এতে একটু গ্যাস হয়।

পরের দিন ভাল মাংসের সাথে মিশিয়ে আসাদ তালুকদারকে দিয়েছিলাম। আসাদ তালুকদার অভিযোগ করলে ঐ মাংস পরিবর্তন করে দেয়া হয়। স্থানীয় সাবেক ইউপি সদস্য মো. গোলাম ফারুক জানায় আল-আমিন কসাই এর আগেও এরকম কাজ করে যা অর্থের বিনিময় ধামাচাপা দিয়েছে। এর একটা বিচার হওয়া দরকার। মরা গরুর মাংস বাজারে বিক্রয় করায় কসাই বিরুদ্ধে কোন ব্যবস্থা নেয়া হবে কিনা জানতে চাইলে কসাইর পক্ষে ছাফাই গেয়ে বাজার কমিটির সাধারণ সম্পাদক মো. আল-আমিন মীরা জানায়, ওটা ফ্রিজের মাংস ছিল।

স্থানীয় ইউপি সদস্য মো. আমিনুল ইসলাম বলেন, আমাকে ফাঁসাতে প্রতিপক্ষরা টাকা-পয়সার বিষয়টি ছড়াচ্ছে। কসাইকে সতর্ক করা হয়েছে। পরবর্তীতে বাজারে গরু জবাই করলে বাজারের মসজিদের ইমামের মাধ্যমে গরু জবাই করতে হবে। ফ্রিজে রাখা গরু বিক্রয় করা যাবেনা। আমি ও বাজার কমিটির সাধারণ সম্পাদক আল-আমিন মিলে এ সিদ্ধান্ত নিয়ে ঐ পঁচা মাংস কেরোসিন মেখে মাটিতে পুঁতে রেখেছি। সচেতন মহলের দাবী, তাহলে আমরা কোথায় বসবাস করি। যেখানে মানুষ মানুষকে ধোকাদিয়ে পঁচা মাংস খাওয়ায়। এধরনের ন্যাক্কার জনক ঘটনার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তিপক্ষের কাছে কঠোর বিচার দাবী করছি।

 

 

কিউএনবি/আয়শা/২৫ এপ্রিল ২০২৩,/বিকাল ৫:০০

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category

আর্কাইভস

August 2026
M T W T F S S
 123
45678910
11121314151617
18192021222324
25262728293031
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০১৫-২০২৬
IT & Technical Supported By:BiswaJit