ডেস্ক নিউজ : চারিদিকে তীব্র দাবদাহে অতিষ্ঠ জনজীবন। বলা হচ্ছে, এ দাবদাহ আরও কয়েকদিন থাকবে। ঈদের বাকিও আর কয়েকটা দিন। যারা তীব্র গরমের এ সময়ে ঈদের কেনাকাটা করছেন তারা বেছে নিয়েছেন দক্ষিণ এশিয়ার বৃহত্তম শপিংমল যমুনা ফিউচার পার্ককে। কারণ সম্পূর্ণ শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত এ শপিংমলে তীব্র দাবদাহেও আরামে কেনাকাটা করা যাচ্ছে।
যমুনা ফিউচার পার্কে সোমবারও ছিল ঈদের কেনাকাটার ধুম। সকালে শুরু করে রাত অবধি রাজধানী ও তার আশপাশের প্রচুর ক্রেতা এসেছিলেন শেষ সময়ের শপিং সেরে নিতে। এখানে এক ছাদের নিচে কেনা যাচ্ছে পোশাক, জুতা, গয়না, কসমেটিকস, ক্রোকারিজ, পারফিউম, ইলেকট্রনিক পণ্য, মোবাইলসহ সব ধরনের পণ্য।
দেশি-বিদেশি সব ব্র্যান্ডের সর্বাধুনিক ও ট্রেন্ডি পোশাকের বাহারে এখনও জমজমাট যমুনা ফিউচার পার্ক। এখানকার মেট্রো ফ্যাশন, আড়ং, ইনফিনিটি, কে ক্রাফট, অঞ্জনস, আড়ং, বিগ বস, ফ্রিল্যান্ড, জিন্স অ্যান্ড কোম্পানি, টুয়েলভ, রেড, সেলিব্রেশনস, ডিমান্ড, মাইশা ওয়ার্ল্ড, একসটাসি, জেন্টল পার্ক, টিন’স ক্লাব, প্লাস পয়েন্ট, কান্ট্রি বয়, রেঞ্জ, সিক্স লাইফ স্টাইল, লা রিভ, আর্টিসান, টপ টেন মার্ট পোশাকের ব্র্যান্ড ও শপগুলোতে প্রচুর ক্রেতা সমাগম দেখা যায়।
এদিন দুপুর থেকে প্রচুর মানুষের আনাগোনা শুরু হয় যমুনা ফিউচার পার্কে। বিকাল থেকে তা আরও বাড়তে থাকে। সন্ধ্যায় সেটা আরও বেড়ে যায়। অনেকে শপিংমলের ফুড কোর্টে ইফতার সেরে আবার কেনাকাটা শুরু করেন।
এখানে কেনাকাটা করতে আসা টঙ্গির মোসলেহউদ্দিন ভূঁইয়া বলেন, প্রচণ্ড গরম সহ্য করে যমুনা ফিউচার পার্ক পর্যন্ত এসেছি। শপিংমলে প্রবেশের পর স্বস্তি ফিরে আসে। টঙ্গী থেকে এখানে আসার কারণ, ঈদের পর পরই আমার মেয়ের বিয়ে।
ভালো এবং উন্নতমানের কিছু ড্রেস প্রয়োজন। সবাই বলল যমুনা ফিউচার পার্কে পাওয়া যাবে। সত্যি এখানে বিয়ের জন্য উন্নতমানের শাড়িসহ সব ধরনের পোশাক পেয়েছি।
এদিন দুপুরে যমুনা ফিউচার পার্কের ইনফিনিটি, আড়ং, নবরূপা, ইয়েলো, কে ক্রাফট, একসটাসি এবং জুতার দুই ব্র্যান্ড আড়ং ও এপেক্সে প্রচুর ক্রেতা সমাগম দেখা যায়।
আরামবাগ থেকে কেনাকাটা করতে এসেছিলেন মাহমুদুল হাসান। তিনি বলেন, শেষ সময়ে জুতা কিনেছি পরিবারের সবার জন্য। বেশ ভালো জুতার কালেকশন আছে এখানে।
কিউএনবি/অনিমা/১৭ এপ্রিল ২০২৩,/রাত ১০:৩৮