রাশিদুল ইসলাম রাশেদ, কুড়িগ্রাম : কুড়িগ্রামে জমিজমা সংক্রান্ত বিরোধের জের ধরে জাতীয় যুব সংহতি নেতার বাড়ি পুড়িয়ে দুর্বৃত্তরা। বাড়ির আসবাবপত্র সহ সবকিছু আগুনে ভস্মিভূত হয়ে এখন নিঃস্ব পরিবারটি। এ ঘটনায় কুড়িগ্রাম সদর থানায় লিখিত অভিযোগের বিষয়ে সত্যতা নিশ্চিত করেছেন থানা পুলিশ।জানা গেছে, ১১ এপ্রিল (রবিবার) সন্ধ্যায় কুড়িগ্রাম সদর উপজেলার হলোখানা ইউনিয়নের ৮নং ওয়ার্ডের আরাজিপলাশবাড়ী গ্রামের বাসিন্দা জাতীয় যুব সংহতির জেলা শাখার যুগ্ম আহবায়ক মোঃ শের আলীর পরিবারের সাথে একই এলাকার চিহ্নিত সন্ত্রাসী ও ভূমিদস্য মকবুল গংয়ের সাথে পূর্বের জমিজমা বিরোধকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষ হয়। এতে শের আলী সহ তার পরিবারের ৪জন গুরুতর আহত হন। পরে স্থানীয়রা তাদেরকে উদ্ধার করে কুড়িগ্রাম সদর হাসপাতালে ভর্তি করে।
এরই এক পর্যায়ে ওইদিন রাত সাড়ে ১০টায় মকবুল গং তার দলবদল নিয়ে জাতীয় যুব সংহতির যুগ্ম আহবায়ক মোঃ শের আলী ও তার পরিবার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন থাকায় মকবুল বাহিনী পেট্রোল ঢেলে বাড়িঘর আগুনে জ¦ালিয়ে দেয়। এতে গরু, ছাগল, ভেড়া, টিভি-ফ্রিজ আগুনে ভস্মিভূত হয়।হাসপাতালে চিকিৎসাধীন জাতীয় যুব সংগতির যুগ্ম আহবায়ক মো. শের আলী মা মলিনা বেগম বলেন-আমরা মকবুল বাহিনীর অত্যাচারে থাকতে পাই না। সে প্রায় আমাদের পরিবারের উপর অত্যাচার চালায়। তার বিরুদ্ধে এলাকার কেউ মুখ খুলতে সাহস পায় না। তার বিরুদ্ধে বিভিন্ন জায়গায় লিখিত অভিযোগ দিয়েও কোন প্রতিকার আমরা পাই নাই। তার মত ভূমিদস্য যেন পৃথিবীতে আর না জন্মায়।

এ বাপারে জাতীয় যুব সংহতির যুগ্ম আহবায়ক মো. শের আলী জানান, মকবুল বাহিনী এর আগেই আমাকে হত্যা করার চেষ্টা করে ব্যর্থ হয়ে এবার আমি ও আমার পরিবারের সদস্যদের মারধর করে হাসপাতালে পাঠিয়ে দিয়ে আমার বাড়িঘর জ¦ালিয়ে দিয়েছে। আমি এখন নিঃস্ব। আমি এর দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি চাই।কুড়িগ্রাম সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) খান মোহাম্মদ শাহরিয়ার বলেন- শত্রুতার জের ধরে প্রতিপক্ষের বাড়িতে অগ্নিসংযোগের বিষয়টির অভিযোগ পেয়েছি। আসামীদের গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে।
কিউএনবি/অনিমা/১১ এপ্রিল ২০২৩,/রাত ৯:২৬