মঙ্গলবার, ১৬ জুন ২০২৬, ০৪:৩০ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
তিন জেলার নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হওয়ার পূর্বাভাস প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টাকে দিল্লির বিমানবন্দরে বসিয়ে রাখার ঘটনায় সংসদে ক্ষোভ বিশ্বকাপ জিতবে কে, চারটি ভিন্ন এআই চ্যাটবটের গণনায় একই দেশের নাম বেনজীরকে ফেরাতে নথি প্রস্তুত করছে দুদক অবৈধ নির্বাচনের অন্যতম কারিগর বেনজীর আহমেদ: চিফ প্রসিকিউটর তোষামোদ নয়, জনগণের সামনে সত্য তুলে ধরুন : প্রধানমন্ত্রী ডেঙ্গুসহ মশাবাহিত রোগ প্রতিরোধে জাতীয় কমিটি পুনর্গঠন হরমুজ দিয়ে তেলবাহী জাহাজ চলাচল শুরু করেছে-ট্রাম্প জুলাই মাসে শিক্ষার্থীদের বিনা মূল্যে স্কুল ড্রেস বিতরণ শুরু : শিক্ষামন্ত্রী যুক্তরাজ্যে ১৬ বছরের কম বয়সীদের ফেসবুক-টিকটক ব্যবহার নিষিদ্ধ

দেশে সিজারিয়ান অপারেশন বেড়েছে ১১ শতাংশ

Reporter Name
  • Update Time : মঙ্গলবার, ১১ এপ্রিল, ২০২৩
  • ১০৩ Time View

স্বাস্থ্য ডেস্ক : জাতীয় জনসংখ্যা গবেষণা ও প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউট (নিপোর্ট) পরিচালিত ‘বাংলাদেশ ডেমোগ্রাফিক অ্যান্ড হেলথ সার্ভে-২০২২ (বিডিএইচএস)’ এর প্রাথমিক ফলাফলে এসব তথ্য উঠে এসেছে। গবেষণা ফলাফলটি মঙ্গলবার (১১ এপ্রিল) বিকেলে রাজধানীর হোটেল রেডিসনে ব্লুয়ে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে উপস্থাপন করা হয়।

জরিপে বলা হয়েছে, বিগত যে কোন সময়ের তুলনায় দরিদ্র নারীদের স্বাস্থ্যসেবা গ্রহণের পরিমাণ বৃদ্ধি পেয়েছে। ২০১১ সালের হিসাব অনুযায়ী নারীদের ক্ষেত্রে, দরিদ্র জনগোষ্ঠীর তুলনায় ধনীদের স্বাস্থ্যসেবা কেন্দ্র থেকে সেবা গ্রহণের মাত্রা ছয় গুণ বেশি ছিল। ২০২২ সালে দরিদ্রদের তুলন ধনীদের সেবা গ্রহণ দ্বিগুণে নেমে এসেছে।

আরও বলা হয়েছে, ৮৮ শতাংশ মহিলা অন্তত একবার একজন প্রশিক্ষিত স্বাস্থ্য কর্মীর থেকে গর্ভকালীন বা এএনসি সেবা গ্রহণ করেছেন। যা ২০১৭ সালে ছিল ৮২ শতাংশ। কিন্তু কোভিড চলাকালীন চারবারের বেশি গর্ভকালীন সেবা বা এএনসি গ্রহণ করেছেন এই সংখ্যা ৪৭ শতাংশ থেকে হ্রাস পেয়ে ৪১ শতাংশে নেমে এসেছিল। জন্ম বিরতিকরণ সামগ্রী ব্যবহার বেড়েছে উল্লেখ করে জরিপে বলা হয়েছে, জন্ম বিরতিকরণ সামগ্রী ব্যবহারের হার বিগত সময়ের চেয়ে ২ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে। জন্ম নিয়ন্ত্রণের ক্ষেত্রে আধুনিক পদ্ধতি ব্যবহারের হার ৩ বেড়ে ৫৫ শতাংশ হয়েছে।

২০২২ সালের হিসাব অনুযায়ী, নারীর প্রতি সন্তানের সংখ্যা ২ দশমিক ৩ জন। তবে, কিশোরী বয়সেই সন্তান জন্ম দেয়ার মাত্রা বিগত বছরগুলোর তুলনায় কমেছে। ২০১৭ সালে এ মাত্রা ছিল ২৮ শতাংশ, ২০২২ এ এসে তা কমে দাঁড়িয়েছে ২৩ শতাংশে। অল্প বয়সে বিয়ের মাত্রা ধীরে ধীরে কমে যাচ্ছে। ২০ থেকে ২৪ বছরের মহিলাদের মধ্যে ১৮ বছরের আগেই বিয়ে হয়ে যাওয়ার মাত্রা ২০১১ সালে ছিল ৬৫ শতাংশ, ২০১৭ -তে তা কমে দাঁড়ায় ৫৯ শতাংশে এবং ২০২২ সালে তা ৫০ শতাংশে নেমে আসে।

এসময় অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন স্বাস্থ্য সেবা বিভাগের সচিব ড. মু. আনোয়ার হোসেন হাওলাদার, পরিবার পরিকল্পনা অধিদফতরের মহাপরিচালক সাহান আরা বানু (এনডিসি), ইউএসএইড বাংলাদেশের পপুলেশন, হেল অ্যান্ড নিউট্রিশন পরিচালক মিজ ক্যারি রাসমুসেন। সেমিনারে সভাপতিত্ব করেন নিপোর্ট মহাপরিচালক মো. শফিকুল ইসলাম।

 

 

কিউএনবি/আয়শা/১১ এপ্রিল ২০২৩,/সন্ধ্যা ৭:৫৮

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category

আর্কাইভস

June 2026
M T W T F S S
 1
2345678
9101112131415
16171819202122
23242526272829
3031  
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০১৫-২০২৬
IT & Technical Supported By:BiswaJit