শনিবার, ২২ অগাস্ট ২০২৬, ০৯:১৭ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম

ফায়ার সার্ভিসে হামলার ঘটনায় মামলা

Reporter Name
  • Update Time : শুক্রবার, ৭ এপ্রিল, ২০২৩
  • ৯৪ Time View

ডেস্ক নিউজ : হামলা চালিয়ে দুর্বৃত্তরা ফায়ার সার্ভিসের ১৪টি গাড়ি ভাঙচুরসহ ফায়ার সর্ভিসের কর্মীদের মারধর করে গুরুতর আহত করে। এ ঘটনায় অজ্ঞাতনামা ২৫০ থেকে ৩০০ জনকে আসামি করে ফায়ার সার্ভিসের সিনিয়র স্টেশন অফিসার মো. শাহিন আলম বাদী হয়ে বংশাল থানায় মামলাটি করেন। শুক্রবার (৭ এপ্রিল) মামলার বিষয়টি নিশ্চিত করেন লালবাগ বিভাগের উপ-কমিশনার (ডিসি) জাফর হোসেন।

মামলার এজাহারে বলা হয়, সকাল ৯টা ২৫ মিনিটে সিদ্দিক বাজারে ফায়ার সার্ভিস অ্যান্ড সিভিল ডিফেন্স অধিদপ্তরে হামলার ঘটনা ঘটে। অজ্ঞাতনামা ২৫০-৩০০ জন হাতে লোহার রড, লাঠিসোঁটা ও ইট-পাটকেল নিক্ষেপ করে ফায়ার সার্ভিস কর্মীদের ওপর অতর্কিত হামলা করে। হামলায় ফায়ার সার্ভিস সদর দপ্তরে হামলায় সরকারি সম্পত্তির ব্যাপক ক্ষতিসাধন হয়।

অতর্কিত এ হামলায় ভাঙচুর করা হয় ফায়ার সার্ভিসের বিভিন্ন মডেলের ১৪টি গাড়ি, মেইন গেটের সেন্ট্রি পোস্ট, প্রশাসনিক ভবন ও সিনিয়র স্টেশন অফিসারের কার্যালয়। হামলায় আনুমানিক ক্ষতির পরিমাণ ৩৯ লাখ ৯৩ হাজার ৫০০ টাকা। শুধু তাই নয় হামলায় সিনিয়র কর্মকর্তাসহ আহত হন ফায়ার সার্ভিসের চার সদস্য।

এজাহারে আরও বলা হয়, এসময় বাধা দিলে তারা ফায়ার ফাইটার ইসলাম অন্তরকে লোহার রড দিয়ে ডান পায়ে আঘাত করে জখম করে। উপ-পরিচালক বাবুল চক্রবর্তীকে হত্যার উদ্দেশ্যে লাঠি দিয়ে তার মাথায় ও ডান হাতে সজোরে আঘাত করে গুরুতর জখম দুর্বৃত্তরা। চালক ইমন হোসেনকেও লাঠি দিয়ে পিঠে আঘাত করে জখম করা হয়। তারা সবাই ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালসহ বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসা নেন।

ফায়ার সার্ভিসের পরিচালক (প্রশাসন ও অর্থ) মো. ওয়াহিদুল ইসলাম ও পরিচালক (অপারেশন অ্যান্ড মেইনটেনেন্স) লেফটেন্যান্ট কর্নেল তাজুল ইসলাম চৌধুরী জনতাকে থামাতে গেলে তারা তাদেরও হত্যার উদ্দেশ্যে ধাওয়া করে। তারা জীবন রক্ষার্থে দৌড়ে ফায়ার সার্ভিস অ্যান্ড সিভিল ডিফেন্স অধিদপ্তরের অভ্যন্তরে নিরাপদ স্থানে আশ্রয় নেন।

মামলার বাদী অভিযোগ করে বলেন, গত মঙ্গলবার (৪ এপ্রিল) সকাল ৬টা ১০ মিনিটে জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯ থেকে অগ্নিকাণ্ডের খবর পাই। খবর পেয়ে তাৎক্ষণিকভাবে অফিসার ও ফায়ার ফাইটারদের সঙ্গে নিয়ে গাড়ি, পাম্প ও প্রয়োজনীয় সরঞ্জামাদিসহ ঘটনাস্থলে গিয়ে আগুন নেভানোর কাজ শুরু করি। আগুনের ভয়াবহতা দেখে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে বিষয়টি জানানো হয়।

তারপর ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নির্দেশনা অনুযায়ী বিভিন্ন স্টেশনের ফায়ার সার্ভিসের ৫০টি ইউনিট, পুলিশ, সেনাবাহিনী, নৌবাহিনী, র‌্যাব, বিজিবি, আনসার ও স্বেচ্ছাসেবক টিমের সহায়তায় আগুন নেভানোর কাজ চলছিল। আগুন নেভানোর কাজ চলাকালীন সময়েই ফায়ার সার্ভিসে এ হামলার ঘটনা তারা ঘটায়।

হামলার পুরো ঘটনার সিসি ফুটেজ রয়েছে উল্লেখ করে এজাহারে বলা হয়, দুর্বৃত্তরা ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স অধিদপ্তর তথা সরকারের ভাবমূর্তি ক্ষুন্ন করতেই হামলা ও সরকারি সম্পত্তি ভাঙচুর করে।

 

 

কিউএনবি/আয়শা/০৭ এপ্রিল ২০২৩,/বিকাল ৪:২৪

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category

আর্কাইভস

August 2026
M T W T F S S
 123
45678910
11121314151617
18192021222324
25262728293031
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০১৫-২০২৬
IT & Technical Supported By:BiswaJit