মঙ্গলবার, ১৪ জুলাই ২০২৬, ০৩:৩৭ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
বিশ্বকাপে ম্যাচসেরা হলে কি কোনো অর্থ পান ফুটবলাররা? সম্পদ ও সৌন্দর্যের মোহে ইসলামের সংযমনীতি আল্লাহর অস্তিত্বের সহজাত প্রমাণ মানবীয় ‘ফিতরাত’ বাংলাদেশের আর্থ অবজারভেশন স্যাটেলাইট কর্মসূচিতে সহযোগিতায় আগ্রহী ফ্রান্স মেসির চেয়ে রোনালদোকে এগিয়ে রাখলেন ‘পাতানো বিশ্বকাপ’ বলা মিসরীয় সেই ফুটবলার রাঙামাটির বন্যা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে, দ্রুত পুনর্বাসনের আশ্বাস প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিতের বৃষ্টি কমলেও কাটেনি দুর্ভোগ: রাঙামাটিতে ৫০ আশ্রয়কেন্দ্রে এখনো ৩,৬৩৭ মানুষ, ক্ষয়ক্ষতির চিত্র স্পষ্ট ফুলবাড়ীতে সিসিডিবির জেন্ডার ডায়ালগ ও পারস্পরিক অভিজ্ঞতা বিনিময় কর্মশালা অনুষ্ঠিত॥ টানা বর্ষণে ঘরহারা বৃদ্ধের পাশে সেনাবাহিনী, নতুন ঘর নির্মাণের মানবিক উদ্যোগ। আবেগঘন বার্তায় যা বললেন হালান্ড

আগামী সপ্তাহে মাওয়া-ভাঙ্গা রেলপথে বিশেষ ট্রেন পরীক্ষামূলকভাবে চালানো হবে

Reporter Name
  • Update Time : সোমবার, ২৭ মার্চ, ২০২৩
  • ১০৩ Time View

ডেস্ক নিউজ : বাংলাদেশ রেলওয়ে আগামী সপ্তাহে পদ্মা সেতুর মাওয়া-ভাঙ্গা সংযোগ রেলপথে একটি বিশেষ ট্রেন পরীক্ষামূলকভাবে চালানোর পরিকল্পনা করছে।

পদ্মা সেতু রেল সংযোগ প্রকল্পের প্রকল্প পরিচালক আফজাল হোসেন বলেন, আমরা আশা করছি আগামী সপ্তাহে পদ্মা বহুমুখী সেতু হয়ে মাওয়া থেকে ভাঙ্গা পর্যন্ত বিশেষ ট্রেন পরীক্ষামূলকভাবে চালানো হবে। তিনি বলেন, এর আগে ফরিদপুরের ভাঙ্গা থেকে শরীয়তপুরের পদ্মা সেতু সংযোগ রেলপথে একটি ট্রেন পরীক্ষামূলকভাবে চালানো হয়েছিল।

আফজাল বলেন, ‘প্রকল্পটি জুন, ২০২৪ সালের মধ্যে বাস্তবায়িত হবে। আমরা ইতিমধ্যে মাওয়া থেকে ভাঙ্গা পর্যন্ত ৯৯ শতাংশ কাজ শেষ করেছি। রেল সংযোগ নির্মাণের কাজ দ্রুত এগিয়ে চলছে।’ 

তিনি বলেন, ফাস্ট ট্র্যাক প্রকল্পের আওতায় বাংলাদেশ রেলওয়ে ৩৯ হাজার ২৪৬ কোটি ৭৯ লাখ টাকায় ১৬৯ কিলোমিটার রেললাইন দিয়ে যশোরের সঙ্গে রাজধানীর সংযোগ স্থাপনের প্রকল্প বাস্তবায়ন করছে। প্রকল্পের বিবরণ অনুযায়ী, চীনের এক্সিম ব্যাংক ২১ হাজার ৩৬ কোটি ৭০ লাখ টাকা ঋণ দেবে।  চীন সরকার মনোনীত ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান চায়না রেলওয়ে গ্রুপ লিমিটেড চায়না জিটুজি সিস্টেমের আওতায় প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করছে।

প্রকল্পটি সম্পন্ন করার পর, রেল যোগাযোগ ব্যবস্থায় দেশের মধ্য ও দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের সঙ্গে রাজধানী ঢাকা এবং পদ্মা সেতুর মাধ্যমে মুন্সীগঞ্জ, শরীয়তপুর, মাদারীপুর ও নড়াইল জেলার নতুন এলাকাজুড়ে যোগাযোগ ব্যবস্থা উন্নত হবে। প্রকল্পটির মাধ্যমে ঢাকা-যশোর-খুলনার মধ্যে ২১২.০৫ কিলোমিটার সংক্ষিপ্ত রুট এবং উন্নত পরিচালন সুবিধার বিকল্প রেলপথ সংযোগ স্থাপিত হবে। এটি বাংলাদেশে ট্রান্স-এশিয়ান রেলওয়ে নেটওয়ার্কের আরেকটি সাব-রুট স্থাপন এবং  জাতীয়, আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক মালবাহী এবং বিজি কন্টেননার ট্রেন পরিষেবা চালু করবে। এই রুটটি কন্টেইনার পরিবহনের ক্ষেত্রে গতি এবং লোড সীমাবদ্ধতা থেকে মুক্ত হবে। সরকার ২০১৬ সালের মার্চ মাসে ঢাকা  থেকে যশোর পর্যন্ত ১৬৯ কিলোমিটার রেলপথ নির্মাণের অনুমোদন দেয় এবং এটি একটি ফাস্ট ট্র্যাক প্রকল্প হিসাবে তালিকাভুক্ত হয়।

কিউএনবি/অনিমা/২৭ মার্চ ২০২৩,/রাত ১০:৫৯

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category

আর্কাইভস

July 2026
M T W T F S S
 123456
78910111213
14151617181920
21222324252627
282930  
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০১৫-২০২৬
IT & Technical Supported By:BiswaJit