বুধবার, ১৭ জুন ২০২৬, ০৭:৩৪ অপরাহ্ন
শিরোনাম
হরমুজ প্রণালী খোলার ঘোষণা : ২০২৭ সালে বিশ্ব বাজারে ‘তেলবন্যা’র আভাস প্রাণঘাতীর পরিবর্তে ‘নন-লিথাল’ অস্ত্র ব্যবহারের প্রতিশ্রুতি দিয়েছে বিএসএফ “মাদক মুক্ত ফুলবাড়ী চাই” স্লোগানে জনসচেতনতামূলক র‌্যালি ও আলোচনা সভা॥ ফুলবাড়ীতে মাদক বিরোধী র‌্যালী অনুষ্ঠিত॥ শার্শায় কৃষির সমৃদ্ধি, পুষ্টি উন্নয়ন, উদ্যোক্তা তৈরী ও পরিবেশ বান্ধব চাষাবাদ বিষয়ে পাটনার ফিল্ড স্কুল কংগ্রেস অনুষ্ঠিত ইরানের ‘মাথায় বোমা ফেলা শুরু করব’, কেন বললেন ট্রাম্প? ‘এটা শতভাগ লাল কার্ড’–মেসির ফাউলে রেফারির ভূমিকার সমালোচনা ফুটবল পণ্ডিতের তৃতীয় ধাপে ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ কার্যক্রমের উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী আমরাই মেসিকে সুযোগ করে দিয়েছি: আলজেরিয়া কোচ ২৪ ঘন্টায় হামের উপসর্গে ৪ শিশুর মৃত্যু

জ্যোতির্বিজ্ঞানের উজ্জ্বল নক্ষত্র যে মুসলিম নারী

Reporter Name
  • Update Time : রবিবার, ১৯ মার্চ, ২০২৩
  • ১০১ Time View

ডেস্ক নিউজ : ফাতেমা আল-মাদ্রিদিয়া একজন মুসলিম নারী জ্যোতির্বিজ্ঞানী ও গণিতবিদ। তিনি বিখ্যাত মুসলিম জ্যোতির্বিজ্ঞানী মাসলামা আল-মাদ্রিদির (মৃত্যু ১০০৮ খ্রি.) মেয়ে। একজন গণিতবিদ, জ্যোতির্বিদ ও অ্যাস্ট্রল্যাব প্রস্তুতকারক হিসেবে তিনি খ্যাতি লাভ করেছিলেন। জ্যোতির্বিজ্ঞানের ওপর ফাতেমার একাধিক মৌলিক গবেষণা ও রচনা আছে।

ফাতেমা মাদ্রিদিয়ার জন্ম মুসলিম স্পেনের কর্ডোভায়। তবে তাদের আদিনিবাস মাদ্রিদের সঙ্গে সম্পৃক্ত করে তাঁকে মাদ্রিদিয়া বলা হয়। অবশ্য তাঁর বাবা মাসলামার জন্ম মাদ্রিদে। তিনি উচ্চতর শিক্ষার জন্য কর্ডোভা যান এবং সেখানেই স্থায়ী হন। তাঁকে বলা হতো স্পেনের প্রধান জ্যোতির্বিজ্ঞানী। খলিফা হাকাম মুস্তানসারের শাসনামলে তিনিই ছিলেন শ্রেষ্ঠ পণ্ডিত ব্যক্তিত্ব।

খ্রিস্টীয় দশম শতকে কর্ডোভা ছিল মুসলিম স্পেনের প্রধান জ্ঞানকেন্দ্র ও ইউরোপের অন্যতম বৃহৎ নগরী। মুসলিম আমলে এখানে বিশালায়তন মসজিদ, বিশ্ববিদ্যালয় ও জ্ঞানকেন্দ্র গড়ে উঠেছিল। তখন চার লাখের বেশি মানুষ বসবাস করত এই শহরে। গণিত, চিকিৎসা, জ্যোতির্বিদ্যাসহ আধুনিক বিজ্ঞানের বহুমুখী চর্চা হতো কর্ডোভায়। ইউরোপ ও মুসলিম স্পেনের বহু জ্ঞানানুরাগী কর্ডোভায় জ্ঞানার্জনের জন্য আসত।

মধ্যযুগের মানুষের কাছে চাঁদ ও গ্রহ-নক্ষত্রগুলোর অবস্থান ছিল অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কেননা এর ওপর ভিত্তি করে সময় গণনা, ইবাদতের সময় নির্ধারণ, রাষ্ট্রীয় কার্যক্রমের সময়সূচি প্রণয়ন, সমুদ্রে নাবিকরা পথ নির্ণয় করত। তবে চাঁদ ও নক্ষত্রগুলোর অবস্থান নির্ণয় করা খুব সহজ ছিল না। গ্রহ-নক্ষত্রের অবস্থান নির্ভুলভাবে নির্ণয় করা যায় এমন একটি অ্যাস্ট্রল্যাব তৈরি করেছিলেন ফাতেমা মাদ্রিদিয়া। জ্যোতির্বিদ্যা, ক্যালেন্ডার ও ত্রিকোণমিতির ওপর তাঁর মৌলিক গবেষণা আছে। তাঁর গবেষণাকাজগুলোকে একত্রে ‘কারেকশনস ফ্রম ফাতেমা’ বলা হয়।

ফাতেমা মাদ্রিদিয়ার ভাষাগত দক্ষতাও ছিল ঈর্ষণীয়। তিনি আরবি, স্প্যানিশ, হিব্রু, গ্রিক ও লাতিন ভাষা বলতে, লিখতে ও পড়তে পারতেন। ইতিহাস গবেষক ম্যানুয়েল মারিন, যিনি স্প্যানিশ আরবদের নিয়ে গবেষণা করেন তিনি বলেছেন, ফাতেমা ছিলেন মুসলিম স্পেনের সেসব উজ্জ্বল নারী নক্ষত্রগুলোর একজন, যাঁরা ইতিহাস তৈরিতে অবদান রেখেছিলেন।

তথ্যঋণ : কিসসাতুল ইসলাম ডটকম, ব্রুনেই অ্যাস্ট্রনমি ফোরাম ডটঅর্গ, গার্ল মিউজিয়াম ডটঅর্গ ও উইকিপিডিয়া

 

 

কিউএনবি/আয়শা/১৯ মার্চ ২০২৩,/বিকাল ৫:২৪

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category

আর্কাইভস

June 2026
M T W T F S S
 1
2345678
9101112131415
16171819202122
23242526272829
3031  
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০১৫-২০২৬
IT & Technical Supported By:BiswaJit