বুধবার, ০২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১২:০৭ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
‘ইশ! যদি সত্যিই জাদুকর হতাম!’ — যে আফসোস নিয়ে বিদায় বললেন মেসি সিন্ধু নদীর পানি চুক্তি বাতিল করা যাবে না: আন্তর্জাতিক আদালতের রায়ে স্বস্তিতে পাকিস্তান ‘পানিকে অস্ত্র হিসেবে ব্যবহার করা যাবে না’ প্রকাশ্যে থুতু ফেললে ১০০, প্রস্রাবে ২০০ জরিমানা হামে শিশু মৃত্যু: ইউনূসসহ ছয়জনের বিরুদ্ধে ক্ষতিপূরণে রুল হরমুজে সৌদি আরবের তেলবাহী দুই জাহাজে হামলা চৌগাছায় বিএনপি’র ৪৮ তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে  র‍্যালী ও  আলোচনা সভা ৬ দিনে ১০০টিরও বেশি উদ্ধার অভিযান চালিয়েছেন নেপালের এই নারী পাইলট হরমুজে দুই সুপারট্যাংকারে হামলা, ফের ঊর্ধ্বমুখী জ্বালানি তেলের বাজার বনবিভাগ গাছ না কাটাতে চৌগাছায় ৩৩ কেভি লাইনের নির্মাণ কাজ বন্ধ

রাবির পপুলেশন সায়েন্স বিভাগের শিক্ষার্থীদের মাঝে অসন্তোষ

Reporter Name
  • Update Time : রবিবার, ১৯ মার্চ, ২০২৩
  • ৩২৭ Time View

রাজশাহী জেলা প্রতিনিধি : অসংলগ্ন একাডেমিক কার্যক্রম, পরীক্ষা গ্রহণ এবং ফলাফল নির্ণয় সংক্রান্ত কিছু নিয়মবহির্ভূত ও ত্রুটিপূর্ণ কর্মকান্ডের সাথে জড়িত থাকার অভিযোগ উঠেছে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের পপুলেশন সায়েন্স অ্যান্ড হিউম্যান রিসোর্স ডেভেলপমেন্ট বিভাগের একাধিক শিক্ষকের বিরুদ্ধে, যা বিশ্ববিদ্যালয় এবং স্বনামধন্য এই বিভাগ উভয়ের জন্যই ব্রিতকর। বিভাগের একাধিক শিক্ষার্থীর সাথে কথা বলে স্পর্শকাতর এই বিষ গুলোর সত্যতা মিলেছে, যা সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিবর্গের দায়িত্বে অবহেলা, অস্বচ্ছতা এবং ক্ষেত্রবিশেষে স্বেচ্ছাচারিতারও নামান্তর।

পূর্বে এই বিষয়ে একটি অনলাইন গণমাধ্যমে সংবাদ প্রকাশ করা হলেও কোনো ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়নি। ইনকোর্স পরীক্ষা গ্রহণ বা টিউটোরিয়াল পরীক্ষার মূল্যায়ন চূড়ান্ত পরীক্ষারই গুরুত্বপূর্ণ অংশ। একাডেমিক কার্যক্রমের অংশ হিসেবে নিজ নিজ কোর্সে শিক্ষকদের দায়িত্ব থাকে এই পরীক্ষা গ্রহণ এবং মূল্যায়ন করা। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক শিক্ষার্থীর সাথে কথা বলে জানা গেছে ২০২০ সালের বিএসসি (সম্মান), পার্ট – ৪ ফাইনাল পরীক্ষায় একাধিক শিক্ষক তাদের নিজ নিজ কোর্সের ইনকোর্স/টিউটোরিয়াল পরীক্ষা অদ্যাবধি (এই প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত) গ্রহণ করেন নি।

বিষয়টি নিয়ে শিক্ষার্থীরা বিভাগের সভাপতির (প্রফেসর দিলীপ কুমার মন্ডল) কাছে প্রতিবাদ জানালে সংশ্লিষ্ট শিক্ষকরা তাদের উপরে ক্ষিপ্ত হয়ে বলেন যে তোমাদের পরীক্ষা না নিলে কি হয়েছে তোমাদের তো আমরা মার্কস দিয়েছি। তবে ঐ শিক্ষার্থীর ভাষ্য অনুযায়ী, উক্ত ইনকোর্স/টিউটোরিয়াল পরীক্ষা না নেওয়ার কারণে তাদের অনেকের চুড়ান্ত ফলাফল ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছে। ঐ শিক্ষার্থী আরও বলেন, যেসকল শিক্ষক ২০২০ সালের বিএসসি (সম্মান) পার্ট – ৪ ফাইনাল পরীক্ষায় ইনকোর্স/টিউটোরিয়াল পরীক্ষা নেননি তারা হলেন প্রফেসর জে এ এম শকিউলুর রহমান, প্রফেসর মো. আশরাফুল ইসলাম খান, ও প্রফেসর মাহামুদুল হাসান। প্রসঙ্গত উল্লেখ্য যে প্রফেসর মো. আশরাফুল ইসলাম খান নিজেই উক্ত বর্ষের পরীক্ষা কমিটির সভাপতি ছিলেন।

গণমাধ্যমে সংবাদ প্রকাশের পরেও উক্ত বিষয়ে কোনো প্রতিকার মুলুক ব্যবস্থা গ্রহণ না করার কারণে উক্ত বর্ষের শিক্ষার্থীদের মাঝে অশন্তোষ বিরাজ করছে। এছাড়া বিভাগের শ্রেণিকক্ষ গুলো সিসি ক্যামেরা দ্বারা নিয়ন্ত্রিত হওয়ার কারনে শিক্ষার্থীদের মাঝে এখনও অসন্তোষ রয়েছে। এ প্রসঙ্গে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের পপুলেশন সায়েন্স অ্যান্ড হিউম্যান রিসোর্স ডেভেলপমেন্ট বিভাগের সভাপতি প্রফেসর দিলীপ কুমার মন্ডল এর সাথে মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, এই বিষয়ে মুঠোফোনে বেশি কথা বলা যাবে না, এই কথা বলে তিনি ফোন কেটে দেন।

 

 

কিউএনবি/আয়শা/১৯ মার্চ ২০২৩,/দুপুর ২:০৮

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category

আর্কাইভস

September 2026
M T W T F S S
1234567
891011121314
15161718192021
22232425262728
293031  
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০১৫-২০২৬
IT & Technical Supported By:BiswaJit