বুধবার, ০২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৯:৪৬ পূর্বাহ্ন

সুরা আসরের ৪ উপদেশেই মিলবে জীবনের সফলতা

Reporter Name
  • Update Time : শনিবার, ১৮ মার্চ, ২০২৩
  • ১০৩ Time View

ধর্ম ডেস্ক : সফলতা বা ব্যর্থতা মানবজীবনের বাস্তবতা। ব্যক্তিজীবনে কেউ সফল হয় আবার কেউ ব্যর্থ হয়। তবে দুনিয়া ও পরকালে শতভাগ সফল হতে চাইলে কোরআনের সুরা আসরের ৪টি উপদেশেই তা সম্ভব। আর সে জন্য এতে মনোযোগী হওয়া ও এর ওপর আমল করা জরুরি। এ প্রসঙ্গে ইমাম শাফিই রাহমাতুল্লাহি আলাইহি বলেছেন, ‘কোনো লোক যদি শুধু সুরা আসর নিয়ে চিন্তা করতেন, সেটাই তাদের জন্য যথেষ্ট হতো।’ চলুন জেনে নেয়া যাক বিস্তারিত।

ইমান
সব কিছুর আগে ইমান গ্রহণ মানুষের সবচেয়ে বড় ফরজ তথা আবশ্যক কাজ। কারণ ইমান গ্রহণের মাধ্যমে মানুষের ওপর ইসলামের যাবতীয় বিধিনিষেধ পালন করা সব্যস্ত হয়। ‘ইমান’-এর অর্থ হলো বিশ্বাস। জীবনে সফলতা পাওয়ার একমাত্র উপায় হলো মহান আল্লাহ তাআলা ও তার রাসুলের প্রতি বিশ্বাস স্থাপন করা। সুরা আসরে এ কথাই বলা হয়েছে। ‘সময়ের কসম, নিশ্চয়ই মানুষ চরম ক্ষতির মধ্যে নিমজ্জিত। তারা ছাড়া, যারা ইমান এনেছে।’ (সুরা আসর: আয়াত ১-২)

আমল
আমলের গুরুত্ব অপরিসীম। শুধু ফরজ আমলগুলো অনেক সময় যথেষ্ট না হতে পারে। তাই নফল ও অন্যান্য আমল করতে হবে। মনের ইচ্ছা না থাকলেও ভালো আমল বা কাজ করে যেতে হবে। কারণ আল্লাহ ও তার রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম প্রত্যেক মুসলমানকে আমল করতে বলেছেন। সুরা আসরের একটি নির্দেশ- ‘ওয়া আমিলুছ ছলিহাতি’, যার অর্থ- ‘যারা ভালো কাজ করে।’ (সুরা আসর: আয়াত ৩)

উপদেশ
ইসলামি চিন্তাবিদরা বলছেন, নামাজ-রোজা কারও কাছে কেবল রুটিন কাজ হবে না বরং এই ইবাদতগুলোর মাঝে ইমানের সুমিষ্ট স্বাদ পাওয়া যাবে। আর ভালো কথা বা আমল অন্যকে বলতে হলে আগে নিজেকে অনুসরণ ও অনুকরণ করতে হবে। তবেই অন্যকে বলা যাবে। কোরআনে বলা হয়েছে, ‘ওয়া তাওয়া ছওবিল হাক্কি।’ অর্থ, ‘একে অপরকে সঠিক উপদেশ দেয়।’ (সুরা আসর: আয়াত ৩)

ধৈর্য
পবিত্র কোরআনে মানুষকে ধৈর্যধারণের নির্দেশ দেয়া হয়েছে। সেই সঙ্গে ধৈর্যধারণের গুরুত্ব ও পুরস্কারের ঘোষণা দেয়া হয়েছে। ধৈর্য দুই প্রকার। এক. গুনাহ থেকে নিজেকে বিরত রেখে ধৈর্য ধরা। ২. দুনিয়াবি বিভিন্ন ক্ষতির ওপর ধৈর্য ধরা। মানুষের কল্যাণে কাজ করার পথ সুপ্রশস্ত নয়। তাই চরম বিপদেও ধৈর্য ধরতে হবে। অন্ধকার যুগের শ্রেষ্ঠ মানুষ প্রিয় নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে বিশ্বস্ত ও পরোপকারী মানুষ হিসেবে সবাই জানতেন। অন্য মানুষের ভাগ্য বিনির্মাণে তিনি কাজ করে গেছেন। আসমানি এ মিশনে তিনি ছিলেন বড়ই ধৈর্যশীল। যে কারণে তিনি সফলতার মুখ দেখেছিলেন। কোরআনে বলা হয়েছে এভাবে, ‘ওয়া তাওয়া ছওবিস ছবর।’ অর্থ- ‘একে অপরকে ধৈর্যের উপদেশ দেয়।’ (সুরা আসর : আয়াত ৩)

 

 

কিউএনবি/আয়শা/১৮ মার্চ ২০২৩,/দুপুর ১:৩৮

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category

আর্কাইভস

September 2026
M T W T F S S
1234567
891011121314
15161718192021
22232425262728
293031  
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০১৫-২০২৬
IT & Technical Supported By:BiswaJit