সোমবার, ১৭ অগাস্ট ২০২৬, ০১:২২ অপরাহ্ন
শিরোনাম
নোয়াখালীতে হোটেল ম্যানেজারকে কুপিয়ে জখম, ৫ লাখ টাকা লুট মাটিরাঙ্গায় জাতীয় মৎস্য সপ্তাহ উপলক্ষে র‍্যালি ও আলোচনা সভা অনুষ্টিত। দেবীগঞ্জে জাতীয় মৎস্য সপ্তাহ উদ্বোধন, পুরস্কার বিতরণ ও আলোচনা সভা নওগাঁর মহাদেবপুরে শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের অবদান শীর্ষক আলোচনা সভা ও শিক্ষক সমাবেশ নোয়াখালীতে চিকিৎসকের অবহেলায় মা-নবজাতকের মৃত্যু, সর্বোচ্চ শাস্তির দাবি খালেদা জিয়ার জন্মদিন উপলক্ষে আশুলিয়ায় দোয়া ও মিলাদ বোচাগঞ্জের জাতীয় মৎস্য পক্ষ ২০২৬ এর উদ্বোধন নওগাঁয় জাতীয় মৎস্য সপ্তাহ শুরু ভূরুঙ্গামারীতে জাতীয় মৎস্য পক্ষ উদযাপন ফুলবাড়ীতে জাতীয় মৎস্য পক্ষের উদ্বোধন॥

কৃষকের মাথায় হাত  !! চকরিয়া  উপকুলে  লবন  পানিতে  মরে যাচ্ছে বোরোধান 

এম রায়হান চৌধুরী চকরিয়া, কক্সবাজার প্রতিনিধি।
  • Update Time : বুধবার, ১৫ মার্চ, ২০২৩
  • ১১১ Time View
এম রায়হান চৌধুরী  চকরিয়া : কক্সবাজারের চকরিয়া উপজেলার উপকূলীয় অঞ্চলে মৎস্য চাষের জন্য স্থানীয় একাধিক প্রভাবশালী মহল শাখাখালে লবণ পানি ঢুকিয়ে মিঠাপানির উৎস বন্ধ করে দিয়েছেন। এই অবস্থার কারণে বেশকিছু দিন ধরে উপজেলার উপকূলীয় ঢেমুশিয়া, পশ্চিম বড়ভেওলা, কোনাখালী, বিএমচর ও বদরখালী ইউনিয়নের হাজার হাজার কৃষক মিঠাপানির সেচ সুবিধা নিতে পারছে না। এতে করে এসব ইউনিয়নের বিভিন্ন এলাকায় বিপুল পরিমাণ বোরোধান ক্ষেত পানির অভাবে ফেটে চৌচির হয়ে যাচ্ছে। আবার কিছু কিছু এলাকায় কৃষকরা বাধ্য হয়ে জমিতে লবণ পানির সেচ সুবিধা দিয়ে এখন বিপাকে পড়েছেন। তাদের বেশিরভাগ বোরোধান ক্ষেত লবণ পানির কারণে মরে যাচ্ছে।

অভিযোগ উঠেছে, কক্সবাজার জেলা প্রশাসন থেকে মিঠাপানির মৎস্য চাষের জন্য চকরিয়া উপজেলার ঢেমুশিয়া জলমহালটি ইজারা নিয়েছেন স্থানীয় কিছু প্রভাবশালী লোকজন। তারা জেলা প্রশাসনের সঙ্গে করা ইজারা চুক্তির শর্তাবলী লঙ্ঘন করে সম্প্রতি সময়ে কৌশলে জলমহাল দিয়ে সামুদ্রিক লবণ পানি ঢুকিয়ে নিয়েছেন। এলাকাবাসী অভিযোগ করে বলেন, ঢেমুশিয়া জলমহালে লবণ পানি ঢুকিয়ে নেয়ার কারণে মুলত উপকূলীয় অঞ্চলের বিভিন্ন এলাকায় এখন খাল-বিলে মিঠাপানির উৎস নেই। এই অবস্থায় কৃষকেরা রোপিত বোরোধান ক্ষেত রক্ষা করতে নিরুপায় হয়ে সেচ সুবিধা হিসেবে লবণ পানি দিচ্ছেন জমিতে। তাতে বেশিরভাগ বোরোধান ক্ষেত এখন মরে যাচ্ছে।

চকরিয়া উপকূলে লবন পানি ঢুকিয়ে কৃষকদের অপূরনীয় ক্ষতি করা হচ্ছে এইধরনের অভিযোগ পেয়ে গতকাল মঙ্গলবার (১৫ মার্চ) ১১টায় চকরিয়া উপজেলার উপকূলীয় অঞ্চলের বিভিন্ন ইউনিয়ন পরিদর্শন করেছেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) জেপি দেওয়ান। এসময় চকরিয়া থানার ওসি তদন্ত মো আবদুল জব্বার, ঢেমুশিয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মঈন উদ্দিন চৌধুরী, কোনাখালী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান দিদারুল হক সিকদার ছাড়াও ইউনিয়ন ও মেম্বার, এলাকার কৃষকেরা উপস্থিত ছিলেন।

কিউএনবি/আয়শা/১৫ মার্চ ২০২৩,/সন্ধ্যা ৭:৪০

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category

আর্কাইভস

August 2026
M T W T F S S
 123
45678910
11121314151617
18192021222324
25262728293031
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০১৫-২০২৬
IT & Technical Supported By:BiswaJit