মঙ্গলবার, ১৪ জুলাই ২০২৬, ০৯:১৯ অপরাহ্ন

২০ বছরেও হতে পারে গ্লুকোমা! কাদের ঝুঁকি বেশি?

Reporter Name
  • Update Time : সোমবার, ১৩ মার্চ, ২০২৩
  • ১৩৯ Time View

লাইফ ষ্টাইল ডেস্ক : জানান না দিয়েই আসে এই দৃষ্টিঘাতী অসুখ। আট থেকে আশি, যে কোনও বয়সেই মানুষের চোখে থাবা বসাতে পারে গ্লুকোমা। ঠিক সময়ে চিকিৎসা শুরু না করলে চিরতরে দৃষ্টিশক্তিও কেড়ে নিতে পারে এই রোগ। চিকিৎসকেরা গ্লুকোমাকে ‘সাইলেন্ট থিফ’-ও বলে থাকেন।

চিকিৎসকদের মতে, চোখের মধ্যে যে অংশ দিয়ে তরল চলাচল করে, সেই রাস্তা বন্ধ হয়ে গেলে তা জমে চোখের উপর বাড়তি চাপ তৈরি করে। বিশেষ করে অপটিক স্নায়ুতে। সেই চাপ বাড়তে থাকলে ধীরে ধীরে দৃষ্টিশক্তি ক্ষীণতর হতে থাকে, পরবর্তী কালে যা অন্ধত্ব ডেকে আনে।

প্রাথমিকভাবে ক্ষতিটা শুরু হয় পরিধির চারপাশ থেকে, তাই গ্লুকোমায় আক্রান্ত রোগীদের ‘সাইড ভিশন’ নষ্ট হতে থাকে। চোখের ভিতর পানি তৈরি হতে থাকে, অথচ বেরোনোর জায়গা পায় না— এর ফলেই তা দুর্বল জায়গাগুলিতে চাপ সৃষ্টি করতে থাকে। কোনও পূর্ণবয়স্ক ব্যক্তি যদি বলেন, তিনি পাশের দিকে দেখতে পারছেন না, তা হলে বুঝতে হবে, অনেকটাই ক্ষতি হয়ে গিয়েছে।

কোন কোন রিস্ক ফ্যাক্টর গ্লুকোমার ঝুঁকি বাড়িয়ে দিতে পারে?

১) পরিবারে কারও বা নিজের ডায়াবিটিস কিংবা উচ্চ রক্তচাপ থাকলে গ্লুকোমার আশঙ্কা বাড়তে পারে।

২) যারা স্টেরয়েড জাতীয় ওষুধ নেন নিয়মিত, তাদেরও গ্লুকোমায় আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কা থাকতে পারে। যারা নেন ইনহেলার, তাদের ক্ষেত্রেও একই কথা প্রযোজ্য।

৩) কোনও সময়ে চোখে গুরুতর চোট-আঘাত লাগলে, পরবর্তী কালে সেখান থেকেও গ্লুকোমা হওয়ার আশঙ্কা থেকে যায়।

৪) চিকিৎসক এক বার পাওয়ার সেট করে দেওয়ার পরে সাধারণত আর এক-দেড় বছরের মধ্যে তা বাড়ার আশঙ্কা থাকে না। তবে যদি মাস কয়েকের মধ্যে বার বার পাওয়ার বেড়ে যায়, তা কিন্তু গ্লুকোমায় আক্রান্ত হওয়ার লক্ষণ হতে পারে।

সূত্র: আনন্দবাজার

কিউএনবি/অনিমা/১৩ মার্চ ২০২৩,/রাত ১১:০৫

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category

আর্কাইভস

July 2026
M T W T F S S
 123456
78910111213
14151617181920
21222324252627
282930  
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০১৫-২০২৬
IT & Technical Supported By:BiswaJit