নিউজ ডেক্স : বিগব্যাশের অভিষেক ম্যাচে উইকেটের দেখা পাননি রিশাদ হোসেন। তবে হোবার্ট হারিকেনসের হয়ে ফিরতি চার ম্যাচে অন্তত একটি হলেও উইকেট পেয়েছেন বাংলাদেশের লেগস্পিনার। অবশেষে সেই হানিমুন পিরিয়ডের শেষ দেখলেন। বিগব্যাশ ক্যারিয়ারের ষষ্ঠ ম্যাচ উইকেটশূন্য থেকেই শেষ করেছেন রিশাদ।
সঙ্গে খরুচে বোলিংও করেছেন তিনি। ৪ ওভার শেষে রান দিয়েছেন ৩৫। আগের সর্বোচ্চ ছিল টুর্নামেন্টে ক্যারিয়ারসেরা বোলিং করার দিন, ৩৩ রানে ৩ উইকেট। এমন মলিন পারফরম্যান্সের দিন জয়ের দেখাও পাননি রিশাদ। তাতে হ্যাটট্রিক জয়ের পর টুর্নামেন্টে দ্বিতীয় হার দেখল হোবার্ট। পার্থ স্কর্চসের বিপক্ষে আজ ৪০ রানে হেরেছে তার দল। স্কর্চসের ইনিংস শেষেই যেন বোঝা গিয়েছিল আজ হোবার্টের জয়ের ধারায় ছেদ পড়বে। ম্যাচ শেষেও তাই হলো।
মিচেল মার্শের বিধ্বংসী সেঞ্চুরি ও অ্যারন হার্ডির ঝড়ো ৯৪ রানের ইনিংসে ২২৯ রানের পাহাড় গড়ে স্কর্চস। তিন অঙ্ক স্পর্শ করার পথে হার্ডির সঙ্গে ১৬৪ রানের বড় জুটি গড়েন মার্শ। ২০তম ইনিংসের শেষ ওভারের প্রথম বলে যখন অস্ট্রেলিয়ার টি-টোয়েন্টি অধিনায়ক আউট হন তখন তার নামের পাশে জ্বলজ্বল করে ১০২ রান।
ওপেনিংয়ে নেমে মার্শ ১৭৫.৮৬ স্ট্রাইকরেটের ইনিংসটি সাজান ১১ চার ও ৫ ছক্কায়। বিপরীতে শেষ ওভারে সেঞ্চুরি পূর্ণ করতে ১৭ রান লাগা হার্ডি শেষ চার বলে ১১ নেওয়ায় তিন অঙ্ক আর স্পর্শ করা হয়নি। তাতে ৯৪ রানে অপরাজিত থেকে মাঠ ছাড়তে হয় তাকে। ৯ চারের বিপরীতে ৫ ছক্কা হাঁকান ২১৮.৬০ স্ট্রাইকরেটে।
বড় রান তাড়ার শুরুটা ভালো হওয়া দরকার। কিন্তু হোবার্টের হলো উল্টো। ৭০ রান পার না হতেই ৪ উইকেট হারিয়ে বসে তারা। শেষ পর্যন্ত সবমিরিয়ে ৯ উইকেটে ১৮৯ রান করতে পারে বিগব্যাশের বর্তমান চ্যাম্পিয়নরা। দলের হয়ে সর্বোচ্চ ৩১ রান করেন নিখিল চৌধুরী। অন্যদিকে স্কর্চসের হয়ে সর্বোচ্চ ৩ উইকেট নেন অ্যাস্টন অ্যাগার। সেঞ্চুরির সঙ্গে ২ ক্যাচ নিয়ে যথারীতি ম্যাচসেরা মার্শ।
কিউএনবি/মহন/ ০১ জানুয়ারি ২০২৬ সন্ধা ৭:১৩