লাইফস্টাইল ডেস্ক : সাধারণত চোখে কৃমি বাসা বাঁধলে কখনও উপসর্গ শরীরে স্পষ্ট হয় আবার কখনও হয় না। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, যখন কৃমি প্রাপ্তবয়স্ক হয়ে ওঠে তখনই স্পষ্ট হয়ে ওঠে নানা লক্ষণ। সাধারণত চোখে কৃমির উপস্থিতি থাকলে চোখে ব্যথা অনুভূত হতে শুরু করে। এ ব্যথা শুধু যে চোখের ক্ষেত্রে হবে তা কিন্তু নয়। ব্যথা ছড়িয়ে পড়তে পারে তলপেট, বগল, কিডনিতেও।
আফ্রিকার সেন্টার ফর ডিজিজ কন্ট্রোল(সিডিসি)- এর গবেষকরা জানিয়েছেন, চোখে কৃমি ঢোকার সুযোগ পায় মূলত মাছির মাধ্যমে। মাছির শরীরে লেগে থাকা কৃমির লাভা চোখে বসলেই সেটি মানুষের চোখে প্রবেশ করার সুযোগ পায়। এছাড়া গরু, বিড়াল কিংবা কুকুরের চোখেও এ কৃমির অস্তিত্ব মিলেছে।
তাই এসব প্রাণি থেকেও নিজেকে দূরে রাখার কথা বলেছেন তারা। কেননা এসব প্রাণি থেকে কৃমি সহজেই মানুষের চোখে পৌঁছানোর সুযোগ পায়। এছাড়া অপরিষ্কার হাত অকারণে চোখে রাখার মাধ্যমেও কৃমির লাভা চোখে প্রবেশ করতে পারে। তাই চোখে কৃমির আনাগোনা না চাইলে চেষ্টা করুন এসবের হাত থেকে নিজের চোখকে নিরাপদ দূরত্বে রাখতে।
সূত্র: আনন্দবাজার
কিউএনবি/আয়শা/০৩ মার্চ ২০২৩,/বিকাল ৩:৩৫