শনিবার, ২৯ অগাস্ট ২০২৬, ০২:০৮ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
শিল্পকলায় শেষ হলো দুই দিনব্যাপী নজরুল অনুষ্ঠানমালা নেপালের বন্যায় ২৫০ মাইল দূরেও মিলছে লাশ, মর্গেও জায়গা নেই ইউক্রেনে পরমাণু অস্ত্র ব্যবহারের কথা ভাবছেন পুতিন: রিপোর্ট লিবিয়ার রাজনৈতিক বিভাজনের অবসানে কাতারের প্রতিশ্রুতি এই প্রথম ইউপি নির্বাচনে অংশ নিতে যাচ্ছে ব্যারিস্টার পদধারী  বাংলাদেশ থেকে মালয়েশিয়ায় কর্মী পাঠানোর সুযোগ ৩৩৮ এজেন্সির ফ্যাসিবাদী সরকারের জ্বালানি নীতির কারণেই বর্তমান সংকট: পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী সিমনের পরীক্ষা নিয়ে রাফিনিয়া-লোপেজের গোলে জিতল বার্সেলোনা প্রতিভা থাকলেই হবে না, বিশ্বকাপ খেলতে রোহিতকে যা করতে হবে ২০৩০ সালের মধ্যে মালয়েশিয়া-ভিয়েতনাম-থাইল্যান্ডকে ছাড়াবে বাংলাদেশ

১৯ বছরের আগেই মা হচ্ছে ৫৬ ভাগ কিশোরী

Reporter Name
  • Update Time : শুক্রবার, ২৪ ফেব্রুয়ারী, ২০২৩
  • ১২১ Time View

ডেস্ক নিউজ : দেশে ১৯ বছর (প্রাপ্তবয়স্ক) হওয়ার আগেই বাল্যবিয়ের শিকার ৫৬ শতাংশ কিশোরী গর্ভধারণ করছে। সংশ্লিষ্ট চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, গর্ভধারণের পরও অপ্রাপ্তবয়স্ক এসব কিশোরী পরিবার ও সমাজে নানাভাবে হয়রানির শিকার হচ্ছেন। 

রাজধানীর একটি হোটেলে বৃহস্পতিবার রাতে ‘পেডিয়াট্রিক অ্যান্ড অ্যাডোলেসেন্ট গাইনকোলজি সোসাইটি অব বাংলাদেশ’র (পিএজিএসবি) প্রথম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী অনুষ্ঠানে তারা এসব কথা বলেন।

পিএজিএসবির সভাপতি অধ্যাপক ডা. কোহিনুর বেগম বলেন, ১০ থেকে ১৯ বছরের কিশোরীদের যেসব গাইনোকোলজিক্যাল সমস্যা হয়, আমাদের সেগুলো চিহ্নিত করার ব্যবস্থা নেই। দেশে এই বয়সির সংখ্যা এক-পঞ্চমাংশ। তারা প্রজনন ক্ষমতা, গর্ভধারণ, মানসিক স্বাস্থ্য, পুষ্টিহীনতা এবং নানাভাবে শারীরিক ও মানসিক সহিংসতার শিকার হয়। এসব সমস্যা চিহ্নিত করে পারিবারিক ও সামাজিকভাবে সচেতনতা বাড়াতে হবে।

তিনি বলেন, গত এক বছরে শুধু ঢাকা নয়, ঢাকার বাইরেও ক্যাম্পেইনের মাধ্যমে আমরা এই কার্যক্রম চালিয়েছি। কখনো কখনো চিকিৎসাও দিয়েছি। মেয়েদের পাশাপাশি ছেলেদের মাঝেও এই সচেতনতা বাড়াচ্ছি। তবে কিশোরীদের সুরক্ষা আমাদের প্রধান লক্ষ্য।

সংগঠনের মহাসচিব অধ্যাপক ডা. গুলশান আরা বেগম বলেন, কিশোর-কিশোরীদের স্বাস্থ্যের উন্নতিই পিএজিএসবি’র মূল লক্ষ্য। এই বয়সিদের চিকিৎসায় দেশ অনেক পিছিয়ে রয়েছে। বেশ কিছু নীতিমালা থাকলেও তেমন বাস্তবায়ন নেই। এগুলো যুগোপযোগী করে বাস্তবায়ন করতে হবে। এ জন্য সরকারের নীতিনির্ধারণী পর্যায়ে বিষয়গুলো আরও গুরুত্ব পাওয়া দরকার। 

তিনি বলেন, পেডিয়াট্রিক অ্যান্ড অ্যাডোলেসেন্ট গাইনোকোলজি সোসাইটি অব বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠার বেশ কয়েকটি উদ্দেশ্য রয়েছে। মূল লক্ষ্য হলো দেশের শিশু ও কিশোর-কিশোরীদের স্বাস্থ্যের উন্নতি করা। সেবা প্রদানকারীদের দক্ষ করে গড়ে তোলা। সে লক্ষ্যে আমরা কাজ করে যাচ্ছি।

অন্য চিকিৎসকরা বলেন, প্রসূতি মৃত্যুর প্রধান কারণ রক্তক্ষরণ। আবার দেশে দক্ষ মিডওয়াইফ (প্রশিক্ষিত ধাত্রী) সংকট রয়েছে। এসব সমস্যা কাটিয়ে উঠতে সরকারি-বেসরকারি বিনিয়োগ প্রয়োজন। গর্ভাবস্থায় প্রসূতিকে অন্তত আটবার চেকআপ করানো উচিত। কিন্তু দেশে মাত্র ৪৭ শতাংশ মানুষ প্রসূতিকে চিকিৎসক দেখাচ্ছেন এবং তারা মাত্র চারবার চেকআপ করাচ্ছেন।

কিউএনবি/অনিমা/২৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৩/রাত ১০:২০

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category

আর্কাইভস

August 2026
M T W T F S S
 123
45678910
11121314151617
18192021222324
25262728293031
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০১৫-২০২৬
IT & Technical Supported By:BiswaJit