ডেস্ক নিউজ : চশমা পরে কান্না তথা চোখের জল লুকানোর চেষ্টার কথা হারমানপ্রীত নিজেই জানান। তিনি বলেন, ‘আমি চাই না আমার দেশ আমাকে কাঁদতে দেখুক, তাই আমি এই চশমা পরেছি, আমি প্রতিশ্রুতি দিচ্ছি, আমরা উন্নতি করব এবং আমাদের দেশকে এভাবে আর হতাশ হতে দেব না।’
হারের পর হারমানপ্রীতের কান্না স্বাভাবিকই। অজিদের বিপক্ষে দুর্ভাগ্যজনকভাবে রানআউট হন তিনি। দৌড়ে রান নিতে গিয়ে কাউর নির্দিষ্ট স্থানে পৌঁছেই গিয়েছিলেন, কিন্তু ব্যাট মাটিতে আটকে যাওয়ার কারণে আউট হন তিনি। ৩৪ বলে ৫৪ রান করেন ভারত অধিনায়ক। তার বিদায়ে কঠিন হয়ে যায় ভারতের ম্যাচ জয়ের হিসাব। এরপর চেষ্টা করলেও ভারতকে আর পথ দেখাতে পারেননি বাকি ব্যাটাররা। রিচা ঘোষ ১৪, দিপ্তী ২০ ও স্নেহ রানা করেন ১১ রান।
রান তাড়া করতে নেমে একের পর এক উইকেট হারাতে থাকে ভারত। দলীয় ১১ রানে শেফালি ভার্মা, ১৫ রানে স্মৃতি মান্ধানা বিদায় নেন দুই অজি বোলারের ওভারে। ইয়াস্তিকা ভাটিয়াও কাজের কাজ কিছুই করতে পারেননি। এই তিনজনের মধ্যে সর্বোচ্চ ৯ রান করেন ভার্মা। এরপর হাল ধরেন জেমাইমা রদ্রিগেজ ও হারমানপ্রীত। আগ্রাসি ব্যাটিংয়ে ম্যাচের মোড়ই ঘুরিয়ে দিয়েছিলেন তারা। জেমাইমা ডারসি ব্রাউনের বলে আউট হন অ্যালিসা হিলিকে ক্যাচ দিয়ে। তার ২৪ বলে ৪৩ রানের ইনিংসটিতে ছিল ৬টি চারের মার। জেমাইমা আউট হওয়ার পর একাই দলকে টেনে নিয়ে যাচ্ছিলেন অধিনায়ক কাউর। রানআউটের কারণে তার সেই প্রচেষ্টা থামে দলীয় ১৩৩ রানে। শেষ পর্যন্ত ৫ রানে হারের ম্যাচে ভারত করে ১৬৭ রান।
এর আগে নির্ধারিত ওভার শেষে ৪ উইকেট হারিয়ে ১৭২ রান করে অস্ট্রেলিয়া। টপঅর্ডারের চার ব্যাটারে ভর করে এ সংগ্রহ পায় তারা। ইনিংস ওপেন করতে নেমে অ্যালিসা হিলি ও বেথ মুনি মিলে গড়েন ৫২ রানের উদ্বোধনী জুটি। এ সময় ২৬ বলে ২৫ রান করে রাধা যাদবের ওভারে বিদায় নেন হিলি। পরে ম্যাগ লেনিংকে নিয়ে আরও ৩৬ রানের জুটি গড়েন মুনি। শিখা পান্ডের বলে আউট হওয়া মুনি তুলে নেন হাফ সেঞ্চুরি।
মুনির ব্যাট থেকে আসে ৩৭ বলে ৫৪ রানের মহাগুরুত্বপূর্ণ ইনিংস। এই ইনিংসে ছিল ৭টি চার ও একটি ছয়ের মার। লেনিং অপরাজিত থাকেন একেবারে শেষ পর্যন্ত। তাতে ৩৪ বলে ৪৯ রান করেন তিনি। গার্ডনার ১৮ বলে করেন ৩১ রান। বাকিদের মধ্যে গ্রেস হারিস ৭ ও এলিসা পেরি ২ রান করেন। ভারতের হয়ে ২টি উইকেট নেন শিখা পান্ডে। একটি করে উইকেট পান দিপ্তী শর্মা ও রাধা যাদব।
কিউএনবি/আয়শা/২৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৩/রাত ৮:০০