ডেস্ক নিউজ : ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়কে একটি ‘স্মার্ট ক্যাম্পাস’ হিসেবে পরিণত করতে ছাত্রলীগের প্রতিটি কর্মীর জন্য অবশ্য পালনীয় ১০ টি সাংগঠনিক নির্দেশনা দিয়েছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগ। আজ রবিবার দুপুরে ঢাবি ছাত্রলীগের সভাপতি মাজহারুল কবির শয়ন ও সাধারণ সম্পাদক তানভীর হাসান সৈকত স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এ নির্দেশনা দেওয়া হয়।
৩. ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় চতুর দেশের শিক্ষা উন্নয়ন ও গবেষণা, সামাজিক-সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ড পরিচালনা ও শিল্পচর্চার অন্যতম কেন্দ্র হিসেবে সুপরিচিত। এরকম প্রতিটি উদ্যোগ-আয়োজন সফলভাবে সম্পন্ন করতে ছাত্রলীগের কর্মীদের স্বতঃস্ফূর্ত স্বেচ্ছাসেবক হিসেবে ভূমিকা রাখতে হবে।
৬. আবাসিক হলগুলোতে শিক্ষার পরিবেশ উন্নতকরণে, সুশৃঙ্খল আবাসন ও স্বাস্থ্যসম্মত খাদ্য নিশ্চিতকরণে ভূমিকা রাখতে হবে।
৭. বিশ্ববিদ্যালয় পরিমণ্ডলে ক্রিয়াশীল অপরাপর প্রগতিশীল ছাত্র সংগঠন, সামাজিক-সাংস্কৃতিক সংগঠন, বাস কমিটি প্রভৃতির সাথে সহযোগিতাপূর্ণ সম্পর্ক ও সম্ভাব বজায় রাখতে হবে।
৮. গণমাধ্যমে কর্মরত সাংবাদিক বন্ধুদের দায়িত্ব পালনে সর্বাবস্থায় সহযোগিতা করতে হবে।
৯. ধর্মীয় উগ্রবাদ, সাম্প্রদায়িকতা, মৌলবাদ-জঙ্গীবাদ-সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড, গুজব ও বিভ্রান্তি ছড়ানো, অপরাধমূলক প্রবণতা, মাদক সংশ্লিষ্টতার সাথে জড়িত শিক্ষার্থীদের বিষয়ে প্রচলিত আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা গ্রহণে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনকে সহযোগিতা করতে হবে।
১০. সাংগঠনিক শৃঙ্খলা পরিপন্থী, নিরাপত্তা বিঘ্নকারী, বেআইনী, ইভটিজিং, র্যাগিং ইত্যাদি কর্মকাণ্ডের সাথে কোনভাবেই জড়িত হওয়া যাবে না।
এর আগে গত বছরের ২৯ ডিসেম্বর স্মার্ট ক্যাম্পাসের আট নির্দেশনা দেওয়া হয়। নির্দেশনা দেওয়ার পর থেকে ছাত্রলীগের নেতাকর্মীদের আবাসিক হলে শিক্ষার্থী নির্যাতন, নিজেদের মধ্যে আসন বাঁটোয়ারা নিয়ে সংঘর্ষ, অন্যান্য ছাত্র সংগঠনের নেতাকর্মীদের ওপর হামলা, চাঁদাবাজী, ছিনতাই ইত্যাদি অপকর্মের সঙ্গে যুক্ত থাকার অভিযোগ ওঠে। এসব ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে কয়েকজনকে বহিষ্কারও করেছে ছাত্রলীগ।
কিউএনবি/আয়শা/১৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৩/বিকাল ৪:২১