মঙ্গলবার, ২০ অক্টোবর ২০২৬, ০৫:১৫ পূর্বাহ্ন

সনাতন ধর্মাবলম্বীদের ‘ভোট ব্যাংক’ ভাবার ভ্রান্ত ধারণা ভেঙে গেছে

Reporter Name
  • Update Time : শুক্রবার, ৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
  • ৫৩ Time View

ডেস্ক নিউজ : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ বলেছেন, অতীতের ফ্যাসিবাদী শক্তি এই দেশের সনাতন ধর্মের ভাইবোনদের তাদের ‘ভোট ব্যাংক’ মনে করত, সেই ভ্রান্ত ধারণা ও মিথ সনাতন ধর্মাবলম্বীরা ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ভেঙে দিয়েছেন।

শুক্রবার (৪ সেপ্টেম্বর) বিকালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এলাকার পলাশী মোড় থেকে শুরু হওয়া জন্মাষ্টমী উপলক্ষে র‌্যালিতে অংশ নিয়ে তিনি এসব কথা বলেন। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশের সংবিধানে সব ধর্মের ধর্মচর্চা ও ধর্মীয় স্বাধীনতা নিশ্চিত করার দায়িত্ব রাষ্ট্রকে দেওয়া হয়েছে এবং রাষ্ট্র তা নিশ্চিত করবে। 

তিনি বলেন, ‘ধর্মের ভিত্তিতে কোনো বৈষম্য করা যাবে না; এ কথাও সংবিধানে বলা হয়েছে। ধর্মীয় স্বাধীনতার জন্য সব ধর্মাবলম্বীর উপাসনালয় এবং উপাসনালয়ের কর্তাদের স্বাধীনতা ও উপাসনালয় স্থাপনের স্বাধীনতা নিশ্চিত করা হয়েছে।’স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘আমরা শুধু সেটা কিতাবে, সংবিধানে ধারণ করেই বসে থাকতে চাই না। বাস্তবে আমরা এই সম্প্রীতি, এই স্বাধীনতা নিশ্চিত করব এবং আমরা সেই ঘোষণা দিয়েছি।’

তিনি বলেন, ‘ধর্মীয় পরিচয় থাকতে পারে, কিন্তু ধর্মীয় পরিচয়টা এখানে কোনো মুখ্য নয়। আমরা নাগরিকের পরিচয়ে এখানে থাকতে চাই। বাংলাদেশের সব নাগরিক মুসলমান, হিন্দু, বৌদ্ধ, খ্রিস্টান, নৃগোষ্ঠী যারাই হোক- তারা ধর্মীয়ভাবে, সাংস্কৃতিকভাবে নিজ নিজ ধর্মাচার ও ধর্মীয় অনুষ্ঠান স্বাধীনভাবে পালন করবেন।কিন্তু জাতীয়তা হিসেবে আমরা সবাই বাংলাদেশের নাগরিক হিসেবে থাকব।’

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘আমাদের মধ্যে সম্প্রীতি থাকবে। এই একটাই হবে আমাদের পরিচয়। এজন্যই আমরা বলি, আমাদের নেতা বলেছেন—সবার আগে বাংলাদেশ। যদি সবার আগে বাংলাদেশ হয়, তাহলে আমরা সবার আগে বাংলাদেশি, তারপরে আমাদের ধর্মীয় পরিচয়, সাংস্কৃতিক পরিচয়, নৃতাত্ত্বিক পরিচয়।সবার আগে বাংলাদেশি এবং সবার জন্য বাংলাদেশ।’

তিনি আরও বলেন, বাংলাদেশের স্বাধীন নাগরিক হিসেবে কেউই যেন নিজেদের সংখ্যালঘু হিসেবে পরিচয় না দেন। সবাই নাগরিকত্বের ভিত্তিতে পরিচয় দেবেন। ধর্মের ভিত্তিতে নয়, এই দেশের সমান অধিকারভুক্ত একজন নাগরিক হিসেবে নিজেদের পরিচয় দেবেন।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘তাহলে আমরা আজকে থেকে কী বলব? ধর্মীয় সম্প্রীতি বজায় রাখব। সামাজিক সম্প্রীতি এবং শান্তি বজায় রাখব। কেউ আর সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি শব্দের উল্লেখ করার প্রয়োজন নেই। এটা হবে ধর্মীয় সম্প্রীতি, সহাবস্থান এবং সামাজিক শান্তি ও সম্প্রীতি।’

 

 

কিউএনবি/আয়শা/০৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬,/রাত ৮:৫৫

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category

আর্কাইভস

October 2026
M T W T F S S
 12345
6789101112
13141516171819
20212223242526
27282930  
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০১৫-২০২৬
IT & Technical Supported By:BiswaJit