মঙ্গলবার, ০৭ জুলাই ২০২৬, ০৭:৫০ পূর্বাহ্ন

যেসব আমলে রিজিকের দরজা খোলে

Reporter Name
  • Update Time : বুধবার, ১ ফেব্রুয়ারী, ২০২৩
  • ৩১০ Time View

ডেস্ক নিউজ : রিজিক হলো বান্দার ওপর মহান আল্লাহ অনুগ্রহ। মহান আল্লাহ অগণিত রিজিক দ্বারা তাঁর বান্দাদের প্রতিপালন করেন। শুধু টাকা-পয়সা, খাওয়াদাওয়াকেই রিজিক বলা হয় না। রিজিকের পরিধি অনেক বিস্তৃত। ক্ষেত্রবিশেষে এর স্তরও ভিন্ন ভিন্ন হয়। এর নিয়ন্ত্রক মহান রাব্বুল আলামিন। নিম্নে এমন কিছু আমল তুলে ধরা হলো, যেগুলোর মাধ্যমে রিজিকের দরজা খোলে।

তাকওয়া : যেসব আমলে রিজিকের দ্বার খোলে, তার মধ্যে অন্যতম আমল হলো তাকওয়া। পবিত্র কোরআনে মহান আল্লাহ বলেছেন, ‘যে আল্লাহকে ভয় করে, তিনি তার জন্য উত্তরণের পথ বের করে দেন। এবং তিনি এমন উৎস থেকে তার রিজিকের ব্যবস্থান করে দেন, যা সে কল্পনাও করে না।’ (সুরা : তালাক, আয়াত : ২-৩)

ইস্তেগফার : ইস্তেগফারের উপকারিতা সম্পর্কে পবিত্র কোরআনে ইরশাদ হয়েছে, ‘আর বলেছি, ‘তোমাদের রবের কাছে ক্ষমা চাও; নিশ্চয়ই তিনি পরম ক্ষমাশীল। তিনি তোমাদের জন্য প্রচুর বৃষ্টিপাত করবেন, এবং তিনি তোমাদের সমৃদ্ধ করবেন ধন-সম্পদ ও সন্তান-সন্ততিতে এবং তোমাদের জন্য স্থাপন করবেন উদ্যান ও প্রবাহিত করবেন নদী-নালা।’ (সুরা : নুহ, আয়াত : ১০-১২)

আত্মীয়তার সম্পর্ক বজায় রাখা : মহানবী (সা.) এ কাজ রিজিক বৃদ্ধির অন্যতম আমল হিসেবে আখ্যা দিয়েছেন। আনাস (রা.) বলেন, রাসুল (সা.) ইরশাদ করেছেন, ‘যে ব্যক্তি তার রিজিকের বৃদ্ধি ও দীর্ঘজীবী হতে চায় সে যেন আত্মীয়তার সম্পর্ক অটুট রাখে।’ (আবু দাউদ, হাদিস : ১৬৯৩)

আল্লাহর ওপর ভরসা করা : মহান আল্লাহ বলেছেন, ‘আর যে ব্যক্তি আল্লাহর ওপর ভরসা করে তার জন্য আল্লাহই যথেষ্ট, আল্লাহ অবশ্যই তার উদ্দেশ্য পূরণ করবেন। নিশ্চয়ই আল্লাহ প্রত্যেক জিনিসের জন্য একটি সময়সীমা নির্ধারণ করে দিয়েছেন।’ (সুরা : তালাক, আয়াত : ৩)

দ্বিনি ইলম অর্জনকারীদের জন্য খরচ করা : যারা দ্বীনি ইলম অর্জন করছে, তাদের জন্য খরচ করাও রিজিক বৃদ্ধির অন্যতম আমল হতে পারে। আনাস ইবনে মালিক (রা.) বলেন, নবী (সা.)-এর যুগে দুই ভাই ছিল। তাদের একজন রাসুলুল্লাহ (সা.)-এর দরবারে উপস্থিত থাকত এবং অন্যজন আয়-উপার্জনে লিপ্ত থাকত। কোনো একদিন রাসুলুল্লাহ (সা.)-এর কাছে সেই উপার্জনকারী ভাই তার ভাইয়ের বিরুদ্ধে অভিযোগ করল। তিনি (নবীজি) তাকে বলেন, হয়তো তার অসিলায় তুমি রিজিকপ্রাপ্ত হচ্ছ।’ (তিরমিজি, হাদিস : ২৩৪৫) দুর্বল ও দরিদ্রদের পাশে দাঁড়ানো : নবীজি (সা.) বলেছেন, ‘তোমরা দুর্বলদের (দোয়ার বরকতে) সাহায্যপ্রাপ্ত ও রিজিকপ্রাপ্ত হও।’ (বুখারি, হাদিস : ২৮৯৬) পরিবারকে নামাজে অভ্যস্ত করা : রিজিক বৃদ্ধির আরেকটি আমল হলো, নামাজের প্রতি যত্নবান হওয়া, পরিবারের সদস্যদেরও নামাজের প্রতি গুরুত্ব দেওয়া। পবিত্র কোরআনে মহান আল্লাহ বলেন, ‘আর তোমার পরিবার-পরিজনকে সালাত আদায়ের আদেশ দাও এবং নিজেও তার ওপর অবিচল থাকো। আমি তোমার কাছে কোনো রিজিক চাই না। আমিই তোমাকে রিজিক দিই আর শুভ পরিণাম তো মুত্তাকিদের জন্য।’ (সুরা : ত্বহা, আয়াত : ১৩২)

বিয়ে করা : রিজিক বৃদ্ধির অন্যতম আমল বিয়ে, বিশেষ করে যারা পরিবারে বিবাহযোগ্য, অবিবাহিত আছে, তাদের বিয়ের ব্যবস্থা করা। অনেকে আছে অভাবের ভয়ে ছেলে-মেয়েদের বিয়ে দেয় না, এটা ঠিক নয়। পবিত্র কোরআনে ইরশাদ হয়েছে, ‘তোমাদের মধ্যে যারা বিবাহহীন, তাদের বিবাহ সম্পন্ন করো আর তোমাদের সৎ দাস-দাসীদেরও। তারা যদি নিঃস্ব হয় তাহলে আল্লাহ তাদের নিজ অনুগ্রহে অভাবমুক্ত করে দেবেন, আল্লাহ প্রচুর দানকারী, সর্ববিষয়ে জ্ঞাত।’ (সুরা : নুর, আয়াত : ৩২)

 

 

কিউএনবি/আয়শা/০১ ফেব্রুয়ারী ২০২৩/সন্ধ্যা ৬:৩০

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category

আর্কাইভস

July 2026
M T W T F S S
 123456
78910111213
14151617181920
21222324252627
282930  
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০১৫-২০২৬
IT & Technical Supported By:BiswaJit