শনিবার, ১৭ অক্টোবর ২০২৬, ০৬:১৫ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
প্রশ্নফাঁস চক্রে জড়িত সরকারি দপ্তরের কর্মচারীরা বিশ্বব্যাংকের সঙ্গে নতুন অংশীদারত্ব চুক্তির পথে বাংলাদেশ: অর্থমন্ত্রী শূন্যে ভাসবে টেসলার গাড়ি, উড়ন্ত স্পোর্টস কার উন্মোচন ইলন মাস্কের তরুণ ও পেশাজীবীদের টেকসই জ্বালানি উদ্ভাবনে আইডিয়া আহ্বান ধর্মীয় স্বাধীনতা ও অধিকার নিশ্চিত করা রাষ্ট্রের দায়িত্ব: নৌপরিবহন মন্ত্রী সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি শব্দটির পরিবর্তে ধর্মীয় সম্প্রীতি বলা উচিত ফ্যামিলি ও কৃষক কার্ডে দারিদ্র্য কমতে পারে ৫ শতাংশ: ড. তিতুমীর ধর্ম যার যার, নিরাপত্তা পাবার অধিকার সবার: প্রধানমন্ত্রী জ্বালানি স্থাপনায় যুক্তরাষ্ট্রের যেকোনো হুমকির উপযুক্ত জবাব দেবে ইরান: তেলমন্ত্রী রাহুলের আচরণে অসন্তোষ, ভোটার তালিকা সংশোধন নিয়ে কেন্দ্রকে নোটিস

রংপুরে চরে দোল খাচ্ছে কয়েক কোটি টাকার ফসল

Reporter Name
  • Update Time : বৃহস্পতিবার, ১২ জানুয়ারী, ২০২৩
  • ১০৪ Time View

ডেস্ক নিউজ : বন্যার সময় বানের জলে নদীর পাড়ের মানুষকে শুধু কাঁদায় না, জেগে উঠা চরে ফসল ফলিয়ে কৃষদের বাঁচায়ও। এবার রংপুর অঞ্চলের ৫ জেলায় ৫০ হাজার হেক্টরের বেশি জেগে উঠা চরে প্রায় ৭৫ কোটি টাকার ফসল উৎপাদন হয়েছে। এসব ফসল কৃষকদের বাড়তি আয়ের পাশাপাশি এই অঞ্চলের অর্থনীতির গতি সচল রেখেছে। প্রতি বছর এঅঞ্চলে বন্যা ও নদী ভাঙ্গনে শত শত মানুষ নিঃশ্ব হয়ে পড়েন। আবার শুকনো মৌসুমে জেগে উঠে চর সবুজে সবুজে ভরে উঠে  কৃষকদের মাছে স্বস্থির নিঃশ্বাস এনে দেয়।

রংপুর কৃষি সম্পসারণ অধিদপ্তর সূত্রে জানা গেছে, রংপুর, নীলফামারী, লালমনিরহাট, কুড়িগ্রাম ও গাইবান্ধা জেলায় তিস্তা, ব্র²পুত্র, ধরলা, ঘাঘট, চারালকাটাসহ  অন্যান্য নদ-নদীগুলোতে প্রায় এক লাখ হেক্টর জমির চর রয়েছে। এর মধ্যে আবাদযোগ্য জমির পরিমান ৫০ হাজার হেক্টরের কিছু বেশি।   জেগে উঠা এসব চরের জমিতে আলু, ভুট্টা, গম, বাদাম, তিল, তিসি, মিষ্টি কুমড়া, ফুলকপি, বাঁধাকপি, মুলা, বেগুন, করলা, সরিষা, সূর্যমুখী, গাজরসহ বিভিন্ন শাকসবজি অবাদ হচ্ছে।  ফলে এখন চরের যেদিকেই তাকানো যাবে সে দিকেই দেখা যাবে সবুজের সমারোহ। চর এখন সবুজের বাগানে ভরে উঠেছে।  কৃষি অফিসের তথ্য মতে এসব চরে আলু প্রতি হেক্টরে ২৪/২৫ মেট্রিন টন, ভুট্টা ১২/১৩ মেট্রিক টন, গম তিন থেকে সাড়ে ৩ টন, শাক সবজি প্রতি হেক্টরে ১৫ থেকে ২০ টন উৎপাদন হচ্ছে।  শুকনো মৌসুমে এসব ফসল ফলায় কৃষকরা বন্যার সময়  প্লাবিত হওয়ার দুঃখ কিছুটা ভুলে  য়াচ্ছেন।  নদী পানি শূন্য হয়ে পড়ায় সেগুলো এখন আবাদী জমিতে পরিণত হয়ে  কৃষকের ভাগ্য পরিবর্তন করছে। 

গঙ্গচড়া উপজেলার লক্ষীটারি ইউনিয়নের আবুল কালাম, মিজানুর রহমানসহ কয়েকজন কৃষক বলেন, বন্যার সময় তিস্তা দুইক‚ল ছাপিয়ে প্লাবিত করলেও শুকনো মৌসুমে ফসলের আবাদ করে কিছুটা  স্বাচ্ছন্দ আসে তাদের। চরে উৎপাদিত ফসল বিক্রি করে বাড়তি টাকায় অনেকে অনেক প্রয়োজন মিটাচ্ছেন।

লক্ষীটারি ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আব্দুল্লাহ হিল হাদি বলেন, চরের অধিকাংশ মানুষ এখন বিভিন্ন প্রজাতির ফসল উৎপাদন করে দারিদ্র্যতা দূর করছেন।
নীলফামারীর কিশোরগঞ্জ উপজেলার  চারালকাটা নদীর চরের কৃষক মাহাবুব মিয়া, রবিউল ইসলাম বলেন, চরে পিঁয়াজ, ভ্ট্টুাসহ অন্যান্য ফসল ফলিয়ে তাদের সংসারে স্বচ্ছলতা এসেছে। 

রংপুর কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের অতিরিক্ত পরিচালক শাহ আলম বলেন, রংপুর অঞ্চলের চরে ৫০ হাজার হেক্টরের বেশি জমিতে বিভিন্ন ফসল উৎপাদন হয়েছে। যার বাজার মূল্য ৭৫ কোটি টাকার ওপরে।  

কিউএনবি/অনিমা/১২ জানুয়ারী ২০২৩/বিকাল ৩:৪০

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category

আর্কাইভস

October 2026
M T W T F S S
 12345
6789101112
13141516171819
20212223242526
27282930  
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০১৫-২০২৬
IT & Technical Supported By:BiswaJit