বুধবার, ০৮ জুলাই ২০২৬, ১১:৪৫ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
আইশোস্পিডের বিরুদ্ধে তদন্ত করছে ফিফা শ্বাসরুদ্ধকর লড়াইয়ে মিসরকে হারিয়ে কোয়ার্টার ফাইনালে আর্জেন্টিনা মেসির গোলে সমতায় আর্জেন্টিনা পেনাল্টি মিস করে বিশ্বরেকর্ড মেসির প্রথমার্ধে একাই আর্জেন্টিনাকে রুখে দিলেন শোবেইর যুক্তরাষ্ট্রে তীব্র তাপপ্রবাহে তিন দিনে ৩৩ জনের মৃত্যু ফুলবাড়ীতে স্বামীর শাবলের আঘাতে স্ত্রী নিহত, স্বামী আটক॥ ৬ বছরের শিশুকে ধর্ষণচেষ্টা, প্রভাবশালীদের চাপে উল্টো ভুক্তভোগীর পরিবারকে হয়রানি, পুলিশ নিষ্ক্রিয় শার্শা ও বেনাপোল সীমান্তে মানব পাচার প্রতিারোধ বিষয়ে রাইটস যশোরের উদ্যেগে মতবিনিময় সভা অনুষ্টিত জয়পুরহাটে ট্রাক-অটোরিকশা মুখোমুখি সংঘর্ষ, নিহত ২, আহত ৫

যে সাহাবির কবরে নেমেছিলেন রাসুল (সা.)

Reporter Name
  • Update Time : মঙ্গলবার, ২৭ ডিসেম্বর, ২০২২
  • ১৩২ Time View

ডেস্ক নিউজ : আবদুল্লাহ জুল-বিজাদাইন তিনি ছিলেন সৌভাগ্যবান সাহাবিদের একজন। অল্প কয়েকজন সাহাবাদের মধ্যে একজন, যাদের কবরে নেমে স্বয়ং মুহাম্মাদ (সা.) লাশ দাফন করেছেন। ইসলাম গ্রহণের আগে জুল-বিজাদাইনের পরিচিত ছিল আবদুল উজ্জা নামে। ছোটবেলায় তাঁর পিতা মারা যান, তিনি তাঁর চাচার কাছে বড় হন।

ইসলাম গ্রহণের পর নবী মুহাম্মদ (সা.) তাঁর নাম পরিবর্তন করে আবদুল্লাহ রেখে দেন এবং পরবর্তী সময়ে তিনি আবদুল্লাহ জুল-বিজাদাইন নামে পরিচিতি লাভ করেন। তিনি সেই সাহাবি, যিনি ইসলাম গ্রহণ করার জন্য তাঁর সব সম্পত্তি ও বাসস্থান হারিয়েছিলেন।

আবদুল্লাহ জুল-বিজাদাইন ইসলাম গ্রহণের আগে থেকেই ইসলাম ও মুহাম্মদ (সা.)-এর প্রতি অনুরক্ত ছিলেন। তিনি মনে মনে ইসলাম গ্রহণ করার জন্য প্রস্তুত ছিলেন। রাসুল (সা.) মদিনায় হিজরত করার পর আবদুল্লাহ তার চাচার কাছে গিয়ে জানতে চান, তিনি ইসলাম গ্রহণ করবেন কি-না? তাঁর চাচা ইসলাম গ্রহণ করতে অসম্মতি জানান। জুল-বিজাদাইন তাঁর চাচার কাছে নিজের ইসলাম ধর্মের প্রতি আগ্রহ প্রকাশ করেন এবং ইসলাম গ্রহণের বাসনা পোষণ করেন, সে কথাও জানিয়ে দেন। তাঁর চাচা এ ঘটনায় মনঃক্ষুণ্ন হন, এ জন্য জুল-বিজাদাইনকে বাড়ি থেকে বের করে দেন এবং তাকে যেসব উট, ছাগল, ভেড়া ও ঘোড়ার মালিক বানিয়েছিলেন, সেগুলোও ফেরত নিয়ে নেন। এমনকি জুল-বিজাদাইনের সব কাপড়ও কেড়ে নেন।

এরপর জুল-বিজাদাইন তাঁর মায়ের থেকে অল্প কিছু কাপড় নিয়ে লজ্জাস্থান ঢেকে মদিনার উদ্দেশ্যে রওনা দেন। রাসুল (সা.) তাঁর পুরো ঘটনা শুনে তাঁকে আসহাবে সুফফার অন্তর্ভুক্ত করে নেন। সেখানেই তার থাকা ও খাবারের ব্যবস্থার করে দেন। আসহাবে সুফফার অন্তর্ভুক্ত হয়ে তিনি দীর্ঘসময় কোরআন তিলওয়াত করতেন। তিনি উচ্চ স্বরে কোরআন তিলওয়াত করতে পছন্দ করতেন। তিনি রাসুলের সঙ্গে তাবুক যুদ্ধে অংশগ্রহণ করেছিলেন। তাবুক যুদ্ধে কোনো আর্থিক অবদান রাখতে পারেননি। তবে তিনি রাসুল (সা.)-এর কাছে এই যুদ্ধে শহীদ হওয়ার দোয়া করতে বলেন। তখন রাসুল (সা.) তার জন্য উল্টো দোয়া করেন, যেন তিনি এই যুদ্ধে কোনোভাবেই শাহাদাতবরণ না করেন। তিনি এই যুদ্ধে শাহাদতবরণ করেননি; বরং তিনি এই যুদ্ধে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন।

তিনি তাবুক যুদ্ধের অল্প কিছু দিন পরেই জ্বরাক্রান্ত হয়ে মৃত্যুবরণ করেন। তাকে রাতের বেলায় দাফন করা হয়, তার কববের পাশে আলোর বাতি নিয়ে দাঁড়িয়ে ছিলেন বিলাল (রা.), আর কবরের ভেতরে নেমেছিলেন স্বয়ং রাসুল (সা.)। আর লাশ বহন করেছিলেন আবু বকর ও ওমর ইবনুল খাত্তাব (রা.)। ইতিহাস থেকে জানা যায়, রাসুল (সা.) মাত্র কয়েকজন ব্যক্তির কবরে নেমে তাদের লাশ দাফন করেছেন, এর মধ্যে আবদুল্লাহ জুল-বিজাদাইন একজন। (সিয়ারু আলামিন নুবালা)

 

 

কিউএনবি/আয়শা/২৭ ডিসেম্বর ২০২২,খ্রিস্টাব্দ/সন্ধ্যা ৭:২১

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category

আর্কাইভস

July 2026
M T W T F S S
 123456
78910111213
14151617181920
21222324252627
282930  
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০১৫-২০২৬
IT & Technical Supported By:BiswaJit