মঙ্গলবার, ১০ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০২:২৩ পূর্বাহ্ন

মৌসুমেও ইলিশের দাম বেশি, খেতে পারছে না নিম্ন আয়ের মানুষ

Reporter Name
  • Update Time : শুক্রবার, ২৩ সেপ্টেম্বর, ২০২২
  • ৭৫ Time View

ডেস্ক নিউজ : উপকূলীয় জনপদ বরগুনার প্রধান তিনটি নদী বলেশ্বর-বিষখালী-পায়রা। বরগুনা জেলা তথা বাংলাদেশের অন্যতম ইলিশের ভাণ্ডার। মৌসুমে এই তিন নদী ও মোহনায় প্রচুর ইলিশ ধরা পড়ে। স্বাভাবিকভাবেই ক্রেতাদের কাছে নদীর ইলিশের চাহিদা বেশি। দাম বেশির কারণে বরগুনার বাসিন্দাদের কাছে এলাকার ইলিশই কিনে খাওয়া দুষ্কর। ক্রেতাদের অভিযোগ, একশ্রেণির অসাধু মধ্যস্বত্বভোগী ব্যবসায়ী সিন্ডিকেটের কারণেই ইলিশের এত দাম।

বেতাগী মৎস্য বাজার ঘুরে দেখা গেছে, পৌর শহরের আড়ৎদার কমল দাস বলেন, ১ কেজি ২০০ থেকে ১ কেজি ৪০০ গ্রাম পর্যন্ত ওজনের প্রতিকেজি ইলিশ সর্বনিম্ন ১ হাজার ৩৭৫ থেকে ১ হাজার ৫০০ টাকা, ১ কেজি আকারের ইলিশ প্রতিকেজি সর্বনিম্ন ১ হাজার ১২৫ থেকে ১ হাজার ২০০ টাকা, ৭০০ গ্রাম থেকে ৯০০ গ্রাম পর্যন্ত ওজনের ইলিশ সর্বনিম্ন ১ হাজার ৫০ থেকে ১ হাজার ১৫০ টাকা এবং ৫০০ গ্রাম সাইজের ইলিশের কেজি সর্বনিম্ন ৮০০ থেকে সর্বোচ্চ ৮৭৫ টাকা কেজি পাইকারি বিক্রি করা হয়।

এই দামে ইলিশ আড়তদার ও পাইকাররা কিনে দেশের বিভিন্ন এলাকায় চালান করে দেন। পৌর শহরের ৩  নম্বর ওয়ার্ডের ঢালীকান্দার বাসিন্দা রিকশাচালক রাখাল ঢালী মাছের বাজারে ইলিশ কিনতে আসার সময় বলেন, এতো দাম দিয়ে মোগো ইলিশ কেনা সম্ভব না। উপজেলা মৎস্যজীবী সমিতির সভাপতি আবদুর রব বলেন, পাইকার আড়তদারদের সিন্ডিকেটের কারণে ইলিশ ন্যায্যমূল্যে স্থানীয়রা কিনে খেতে পারেন না। বেশি দামে বিক্রি হচ্ছে। উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা আব্দুল গাফফার বলেন, বিষখালী নদীতে ইলিশ ধরা পড়ছে। তবে দাম বেশি থাকায় অনেক সময় স্থানীয় সল্প আয়ের মানুষের ক্রয় ক্ষমতার বাহিরে চলে যায়।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সুহৃদ সালেহীন বলেন, ইলিশের মৌসুমে বাজার নিয়ন্ত্রনে জোরদার করা হচ্ছে। এছাড়া সিন্ডিকেটের বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

 

 

কিউএনবি/আয়শা/২৩ সেপ্টেম্বর ২০২২,খ্রিস্টাব্দ/সকাল ১০:২৫

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category

আর্কাইভস

February 2026
M T W T F S S
 12
3456789
10111213141516
17181920212223
24252627282930
31  
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০১৫-২০২৬
IT & Technical Supported By:BiswaJit