যুগান্তর
———-
চন্দ্র ধূলির স্নিগ্ধ কোমল ঠোঁটে
শিউলি ঘ্রাণে মধ্য রাত্রির স্তব্ধতা নামে।
উড়াল পাখি গুলো গভীর ঘুমে মগ্ন
দূরের ভাঙা কুঠিরে কিশোর বাউলের
নিখাদ সাধনার বৃষ্টি নামে……..
পুরোনো পাতা আঁকড়ে থাকা অবুঝ অভিমান
ধুয়ে যায় একতারার সুরে।
আমি অসীম তৃষ্ণায় পৃথিবীর দিকে তাকাই
মন কড়া ঝকঝকে সুগন্ধি কাব্যের
শরীর আঁকব বলে,
শেষ বিকেলের কুসুম রদ্দুর কুড়িয়েছি
শ্যাম ঘন দিগন্তের কাছে বৃষ্টি চেয়েছি
জ্যোৎস্নার ঢেউ ভেঙে নীল ছুঁয়েছি,
কিন্তু কবিতা লেখা হলো না!
কবিতার পাতা জুড়ে ক্ষুধার্ত চোখ
বঞ্চনার ঝাঁঝালো মিছিল
ছন্দের গায়ে বারুদের গন্ধ
শব্দের গায়ে মাথা রেখে শুয়ে আছে লাশ,
মেধা মনন শীর্ণ মুখে দাঁড়িয়ে
যুগান্তরের পাতায় হিংসার বলয়!
আমার কলমের চোখে জল
আঁধার স্রোতে খড়কুটো ভেসে চলে
ভবিষ্যৎ হাঁটে আগুন পথ!
কবি পরিচিতিঃ সংগীতা পাল পশ্চিম বঙ্গের একজন কবি। কোলকাতার যাদবপুরে বাস করেন। নিয়মিত কাব্যচর্চা করেন। আজকের কবিতাটি তাঁর ফেসবুক টাইমলাইন থেকে অনুমতি স্বাপেক্ষে সংগৃহিত।
কিউএনবি/বিপুল/১২.০৯.২০২২/সন্ধ্যা ৬.৪০