বুধবার, ১৪ অক্টোবর ২০২৬, ০৫:০৩ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
রাশিয়া, ইরান ও এআই’র হুমকি নিয়ে ব্রিটিশ গোয়েন্দা প্রধানের সতর্কবার্তা ফুসফুসে টিউমার, অস্ত্রোপচারের জন্য হাসপাতালে পোপ লিও রাশিয়া, ইরান ও এআই থেকে যুক্তরাজ্যে হুমকি বাড়ছে: ব্রিটিশ গোয়েন্দা প্রধান হরমুজে আরও এক জাহাজে আগুন আফগানিস্তানে বিবিসি রেডিওর সম্প্রচার স্থগিত করল তালেবান সরকার ট্রাম্পের ছেলের সাবেক বাগদত্তা রাষ্ট্রদূত গিলফয়েলকে পদত্যাগের নির্দেশ যুদ্ধের কারণে গ্যাস রফতানিতে ভাটা, রাজস্ব আয় কমেছে ৪২ শতাংশ ইরানের এক হামলাতেই বিপর্যস্ত হতে পারে বহু দেশের ইন্টারনেট ভারতের গঙ্গায় নৌকাডুবি, শিশুসহ ১১ জনের মৃত্যু ফোনের পর্দায় শিশুর জগৎ, বাইরে খেলা ও পরিবারের সময় কতটা থাকছে

রোহিঙ্গাদের ফিরে যেতে হবে : জাতিসঙ্ঘ মানবাধিকার প্রধানকে প্রধানমন্ত্রী

Reporter Name
  • Update Time : বুধবার, ১৭ আগস্ট, ২০২২
  • ১৪১ Time View

ডেস্কনিউজঃ বাংলাদেশে অস্থায়ীভাবে আশ্রয় নেয়া ১০ লাখের বেশি রোহিঙ্গা নাগরিককে দেশে ফিরিয়ে নিতে মিয়ানমারের প্রতি আহ্বান পুনর্ব্যক্ত করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

বুধবার প্রধানমন্ত্রীর সরকারি বাসভবন গণভবনে সফররত জাতিসঙ্ঘের মানবাধিকার বিষয়ক হাইকমিশনার মিশেল ব্যাচেলেট সৌজন্য সাক্ষাৎ করতে গেলে শেখ হাসিনা বলেন, ‘রোহিঙ্গারা মিয়ানমারের নাগরিক এবং তাদের সেখানে ফিরিয়ে নিতে হবে।’

প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিব ইহসানুল করিম বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের ব্রিফ করেন।

বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী বলেন, মিয়ানমার তাদের রোহিঙ্গা নাগরিকদের অস্বীকার করছে না, আবার তাদের স্বদেশে ফিরিয়েও নিচ্ছে না।

ব্যাচেলেট বাংলাদেশে আশ্রয় নেয়া রোহিঙ্গা নাগরিকদের শিক্ষার এবং কাজের সুযোগ বাড়ানো প্রস্তাব করেন।

কক্সবাজারে এ ধরনের উদ্যোগ সম্ভব নয় জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী সফররত জাতিসঙ্ঘ মানবাধিকার প্রধানকে জানান, ভাষানচরে এমন পদক্ষেপ নেয়া যেতে পারে। সেখানে তাদের উন্নত মৌলিক সুবিধা দেয়া হচ্ছে। যেখানে ইতোমধ্যে ২০ হাজারেরও বেশি রোহিঙ্গাকে স্থানান্তরিত করা হয়েছে।

প্রেস সচিব বলেন, তারা উভয়ে রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ, রোহিঙ্গা সঙ্কট, জলবায়ু পরিবর্তন এবং নারীর ক্ষমতায়নসহ বিভিন্ন বিষয়ে আলোচনা করেন।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা জাতিসঙ্ঘের হাইকমিশনারকে বলেন, ‘১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে হত্যার পর মৌলিক ও মানবাধিকার লঙ্ঘন করে বাংলাদেশ দীর্ঘকাল সামরিক শাসনের অধীনে ছিল।’

হত্যাকাণ্ডের পর ক্ষমতা দখলকারী শাসকদের মাধ্যমে যেকোনো আদালতের বিচার থেকে খুনিদের ক্ষতিপূরণ দেয়া হয়েছে। ১৫ আগস্টের গণহত্যার পর খুনি ও যুদ্ধাপরাধীদের রাজনীতিতে পুনর্বাসন করা হয়।

১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট মা-বাবাসহ পরিবারের সবাইকে হারানো এবং বিদেশে থাকায় তিনি ও তার ছোট বোন প্রাণে বেঁচে থাকার কথা প্রধানমন্ত্রী উল্লেখ করেন।

এ সময় পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ কে আব্দুল মোমেন, পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শাহরিয়ার আলম, মুখ্য সচিব আহমদ কায়কাউস এবং ঢাকায় জাতিসঙ্ঘের আবাসিক সমন্বয়ক গোয়ান লুইস উপস্থিত ছিলেন।

সূত্র : ইউএনবি

কিউএনবি/বিপুল/১৭.০৮.২০২২/ বিকাল ৫.৫৫

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category

আর্কাইভস

October 2026
M T W T F S S
 12345
6789101112
13141516171819
20212223242526
27282930  
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০১৫-২০২৬
IT & Technical Supported By:BiswaJit