রাশিদুল ইসলাম, কুড়িগ্রাম প্রতিনিধি : কুড়িগ্রামে জমে উঠেছে পশুর হাট। হাটে প্রচুর পরিমাণ গরু আসলেও নেই ক্রেতা। এ উপলক্ষে জেলায় প্রস্তুত রয়েছে ২ লাখ ৬৬ হাজার কোরবানির পশু। ঈদ যতই ঘনিয়ে আসছে, পশুর হাটে বিক্রেতার ভিড় ততই বাড়ছে। ক্রেতাদের না আসার কারণ হিসেবে বন্যাকে দুষছেন জেলার খামারি।
কুড়িগ্রাম প্রাণিসম্পদ অফিস সূত্রে জানা গেছে, আসন্ন ঈদুল আজহা উপলক্ষে জেলায় পশুর চাহিদা রয়েছে ৯০ হাজার। আর প্রস্তুত আছে ২ লাখ ৬৬ হাজার পশু। এখানকার চাহিদা মিটিয়ে বাকিগুলো যাবে দেশের বিভিন্ন প্রান্তে।
৫ জুলাই মঙ্গলবার উত্তরাঞ্চলে যাত্রাপুর ঘুরে দেখা যায়, ব্রহ্মপুত্র দুধকুমার ও ধরলা নদীর অববাহিকাসহ জেলার বিভিন্ন স্থান থেকে পশু নিয়ে হাটে এসেছেন পাইকারি বিক্রেতা, খামারি ও প্রান্তিক কৃষকরা। দেশি গরুতে বাজার ভরপুর। বিক্রেতারা বড় গরুর দাম হাঁকছেন দেড় লাখ থেকে দুই লাখ টাকা। এ ছাড়া ১০০ থেকে ১৫০ কেজি ওজনের গরুর দাম চাচ্ছেন ৯০ থেকে ১ লাখ ২০ হাজার টাকা।
জানা গেছে, নদী বিধৌত জেলা কুড়িগ্রাম। এ জেলার ৪ শতাধিক চরাঞ্চলে প্রচুর পরিমাণ গরু খামার রয়েছে। এসব খামারি পশু পালন করে তাদের জীবিকা নির্বাহ করে থাকে। কিন্তু এবার বন্যার কারণে গরুর ক্রেতা খুঁজে পাচ্ছেন না তারা। তবে ঈদের দু’দিন আগে ক্রেতারা গণহারে হাটে প্রবেশ করবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন তারা। কুড়িগ্রাম সদর উপজেলার খামারি বাবলু মিয়া বলেন, গরু পালন করে আমি আমার সংসারের পুরো বছর অর্থের চাহিদা পূরণ করে থাকি। কিন্তু এবার বন্যার কারণে হাটে ক্রেতাদের দেখতে পাচ্ছি।
কুড়িগ্রাম শহরতলির খামারী এমদাদুল হক বলেন-প্রতি বছর এ সময় হাটে প্রচুর ক্রেতার আগমন ঘটে। কিন্তু এখন পর্যন্ত ক্রেতার দেখা পাচ্ছি না। কোরবানির গরু কেনার জন্য হাটে যতটুকু আসছে শহুরে মানুষ। কিন্তু গ্রামের মানুষ এখন পর্যন্ত হাট আসে নাই।
কিউএনবি/আয়শা/০৫ জুলাই ২০২২, খ্রিস্টাব্দ/বিকাল ৫:০৫