মঙ্গলবার, ১৮ অগাস্ট ২০২৬, ০৪:৪৩ পূর্বাহ্ন

বিজয়নগরে প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে অভিযোগ

Reporter Name
  • Update Time : মঙ্গলবার, ৭ জুন, ২০২২
  • ১৫৯ Time View
বাদল আহাম্মদ খান ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা প্রতিনিধি : ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বিজয়নগর উপজেলার চান্দুরা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে বিভিন্ন অজুহাতে ফি আদায়ের অভিযোগ পাওয়া গেছে। বিভিন্ন দপ্তরে এলাকাবাসী ও শিক্ষার্থীদের অভিভাবকদের দেওয়া অভিযোগে সাত খাতে ফি আদায়ের কথা উল্লেখ করা হয়। এছাড়াও ওই প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে বিভিন্ন ধরণের অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে।  

এদিকে অভিযোগ দায়েরের পর এক ‘প্যারা শিক্ষকের’ পাওনা ব্যাঙ্ক চেকের মাধ্যমে দিয়েছেন প্রধান শিক্ষক। ইতিমধ্যেই এ বিষয়ে তদন্ত শুরু করেছেন সংশ্লিষ্টরা। তবে সোমবার নাগাদ ওই শিক্ষকের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। বিজয়নগর উপজেলা নির্বাহী অফিসারের কাছে দেওয়া অভিযোগে উল্লেখ করা হয়, ২০১৮ সালের শেষের দিকে যোগদানের পর থেকেই হারুণুর রশিদ বিভিন্ন অজুহাতে শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে ফি আদায় করতে থাকেন, যা নিয়ম বহির্ভূত। এর মধ্যে রয়েছে, ভর্তি ফি, বই প্রদান ফি, সেশন ফি, পরীক্ষার ফি, রেজিস্ট্রেশন ফি, সনদপত্র ফি, সিলেবাস ফি। এছাড়া বিদ্যালয়ের নামে আসা সরকারি বরাদ্দও প্রধান শিক্ষক সঠিকভাবে খরচ করেন না। অষ্টম শ্রেণি পর্যন্ত পড়া চালু থাকা বিদ্যালয়টিতে শিক্ষার্থীর সংখ্যা প্রায় ১১০০। অভিযোগটিতে এলাকাবাসী ও অভিভাবকদের পক্ষে ৩৯ জন স্বাক্ষর করেন।

বিদ্যালয়ের এক শিক্ষকের স্বামী জানান, ওই প্রধান শিক্ষক যোগদানের পর থেকে এখানে অনিয়মই যেন নিয়মে পরিণত হয়েছে। এলাকার মানুষ বাধ্য হয়ে গত মে মাসে বিভিন্ন দপ্তরে অভিযোগ করেছেন। বিদ্যালয়ের অন্যান্য শিক্ষকরাও প্রধান শিক্ষকের উপর বিরক্ত।  প্যারা শিক্ষক সুমিত্রা রানী দাস বলেন, ‘আমাকে এ বিদ্যালয়ে প্যারা শিক্ষক হিসেবে নিয়োগ দেওয়ার কয়েকমাস পর্যন্ত নিয়মিত বেতন পাই। তবে প্রধান শিক্ষক হারুণুর রশিদ যোগদানের পর থেকেই আমার বেতন বন্ধ হয়ে যাই। উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার তদন্ত করতে আসার পর বিস্তারিত বলে দিলে প্রধান শিক্ষক ৮ জুনের তারিখ দিয়ে ৪২ হাজার টাকার একটি চেক আমাকে দিয়েছেন।’

তবে প্রধান শিক্ষক মো. হারুণুর রশিদ খান এসব অভিযোগ অস্বীকার করেছেন। সোমবার বিকেলে কুইক নিউজ কে তিনি বলেন, ‘শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে আমি কোনো ধরণের ফি নেইনি। আমার বিরুদ্ধে দায়ের হওয়া অভিযোগের তদন্ত হচ্ছে। তদন্তেই সব বেরিয়ে আসবে।’ এক প্রশ্নের জবাবে তিনি জানান, পরিচালনা কমিটি টাকা দিতে দেরি হওয়ায় প্যারা শিক্ষকের বেতন সময় মতো দিতে পারেন নি। উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা শাহনেওয়াজ পারভীন তদন্তে কি উঠে এসেছে সেটা বলতে চাননি। কুইক নিউজকে তিনি বলেন, ‘উপজেলা নির্বাহী অফিসার আমাকে এ বিষয়ে তদন্তের দায়িত্ব দিয়েছেন। মঙ্গলবার ওনার কাছে প্রতিবেদন জমা দেওয়া হবে।’  

       
কিউএনবি/আয়শা/০৭.০৬.২০২২ খ্রিস্টাব্দ/বিকাল ৪:২৩

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category

আর্কাইভস

August 2026
M T W T F S S
 123
45678910
11121314151617
18192021222324
25262728293031
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০১৫-২০২৬
IT & Technical Supported By:BiswaJit