বৃহস্পতিবার, ১৬ এপ্রিল ২০২৬, ১১:০৩ অপরাহ্ন
শিরোনাম
‎লালমনিরহাটে ‘ভোল বদল’ রাজনীতির কারিগর সোহরাবের পদত্যাগ, আলোচনার কেন্দ্রে ‘সুবিধাবাদ’ দুর্গাপুরে হাম-রুবেলার টিকার ক্যাম্পেইন উপলক্ষে সমন্বয় সভা অনুষ্ঠিত যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলই ‘প্রকৃত সন্ত্রাসী’: পেজেশকিয়ান নেত্রকোণায় পহেলা বৈশাখ ও বাংলা নববর্ষ-১৪৩৩ পালিত বর্ণাঢ্য আয়োজনে নেত্রকোনায় ইবতেদায়ি মাদ্রাসা শিক্ষকদের মানববন্ধন আশুলিয়ায় হামলা-ভাংচুরের ঘটনায় গ্রেফতারের দাবীতে মানববন্ধন বাংলাদেশ সিরিজ থেকে শিখতে চায় নিউজিল্যান্ড ঢাবির কলা অনুষদের উদ্যোগে দিনব্যাপী বাংলা নববর্ষ উদযাপিত সভাপতি তামিম প্রসঙ্গে যা বললেন অধিনায়ক মিরাজ নরসিংদীতে কিশোরীকে তুলে নিয়ে ধর্ষণ 

নওগাঁয় ঝড়ে আমের ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি

সজিব হোসেন নওগাঁ প্রতিনিধি । 
  • Update Time : শনিবার, ২১ মে, ২০২২
  • ১৬৩ Time View

সজিব হোসেন নওগাঁ প্রতিনিধি : নওগাঁয় ঝড়ে আমের ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। গত শুক্রবার রাতের ঝড়ে বাগানগুলোর প্রায় ১৫ শতাংশ গাছ থেকে ঝরে পড়ে গেছে। তবে কৃষি বিভাগ বলছে, তারা ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ এখনও নিরূপণ করতে পারেনি। শনিবার সকালে জেলার সাপাহার ও পত্নীতলা উপজেলার বিভিন্ন এলাকা ঘুরে দেখা যায়, বাগানে-বাগানে মাটিতে পড়ে আছে ঝরে পড়া আম। কোনো কোনো বাগানে ঝরে আম কুড়িয়ে বাগানের এক জায়গায় স্তুপ করে রাখা হয়েছে। ঝরে পড়া এসব আমের অধিকাংশই ফেটে নষ্ট হয়েছে অনেক আম। কোনো কোনো বাগানে আমের গাছ উপড়ে পড়ে থাকতে দেখা যায়। এছাড়া গাছের ডাল ভেঙে পড়ে থাকতে দেখা গেছে। নওগাঁর বদলগাছী আবহাওয়া কার্যালয় সূত্র জানায়, গতকাল রাত ১টা থেকে ৪টা পর্যন্ত নওগাঁয় ঝড়-বৃষ্টি হয়। এ সময় বাতাসের গতিবেগ ছিল ৬০ থেকে ৭০ কিলোমিটার। বৃষ্টি হয়েছে ৪৩ মিলিমিটার। নওগাঁর কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর জানায়, জেলায় এ বছর ২৯ হাজার ৪৭০ হেক্টর জমিতে আমের চাষ হয়েছে। ৬ হাজার ৮০০ আম চাষির প্রায় সাড়ে ৯ হাজার বাগান রয়েছে।

প্রতি হেক্টর জমিতে আম উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয় ১৩ দশমিক ৫ মেট্রিক টন। সে হিসেবে এবার আম উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছিল ৩ লাখ ৯৭ হাজার ৮৪৫ মেট্রিক টন। জেলার কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক শামসুল ওয়াদুদ বলেন, গত রাতের ঝড়ে কোন ফসলের কি পরিমাণ ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে তা এখনও নিরূপণ করা হয়নি। ক্ষতির পরিমাণ নিরূপণে কাজ চলছে। তবে এর আগে চলতি মাসেই কয়েক দফা ঝড়ে নওগাঁর বাগানগুলোর প্রায় ১৫ শতাংশ আম ঝরে পড়েছে। গত রাতের ঝড়েও ফজলী, ল্যাংড়া, নাক ফজলী, গোপালভোগ জাতের গাছগুলো বড় হওয়ায় এসব গাছের আম বেশি ঝরে পড়েছে। ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ নিরূপণে কাজ চলছে। জেলার ১১টি উপজেলার মধ্যে ৬০ ভাগেরও বেশি আম উৎপাদন হয় পোরশা ও সাপাহার উপজেলায়। সকালে সাপাহার উপজেলার মানিকুড়ি এলাকায় গিয়ে দেখা যায়, ঝরে আম কুড়ে এনে বাগানের একটি স্থানে স্তুপ রাখছেন আমচাষি আমিনুলসহ ছয়-সাত জন শ্রমিক।

আমচাষি আমিনুল ইসলাম বলেন, ‘৮০ বিঘা জমি জুড়ে তাঁর দুটি বাগান রয়েছে। রাতের ঝড়ে তাঁর দুই বাগানে প্রায় ১০০ মণ আম ঝড়ে পড়েছে। বাগানের চার ভাগের এক ভাগ আমই ঝরে গেছে। ঝরে পড়া এসব আম বাজারে দুই টাকা কেজিতে বিক্রি হচ্ছে। অথচ পরিপক্ক অবস্থায় এসব আম বাজারে বিক্রি করলে কমপক্ষে ৫০ টাকা কেজিতে বিক্রি হতো। পত্নীতলা উপজেলার রূপগ্রাম এলাকার বাসিন্দা আমচাষি সোহেল রানা বলেন, তাঁর ১২০ বিঘার বাগানে ৮০ শতাংশের বেশি আম্রপালি জাতের গাছ রয়েছে। আ¤্রপালি গাছ ছোট হওয়ায় এসব গাছে ঝড়ে আম ঝরেছে। তবে আশ্বিনা, নাক ফজলী ও ল্যাংড়া জাতের গাছগুলো বড় হওয়ায় এসব গাছের প্রায় ২০ শতাংশ আম ঝরে পড়েছে।

 

কিউএনবি/আয়শা/২১.০৫.২০২২ খ্রিস্টাব্দ/সন্ধ্যা ৭:১৫

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category

আর্কাইভস

April 2026
M T W T F S S
 123456
78910111213
14151617181920
21222324252627
28293031  
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০১৫-২০২৬
IT & Technical Supported By:BiswaJit