
মোঃ আফজাল হোসেন, দিনাজপুর প্রতিনিধি : ফুলবাড়ীতে বন্দ্রেবহুমুখি অফিসের গাফিলাতির কারণে সেচ লাইসেন্স থেকে আবেদনকারী মোঃ আব্দুর রশিদ বঞ্চিত।দিনাজপুরের ফুলবাড়ী উপজেলার কাজিহাল ইউপির চকিয়া পাড়া গ্রামের মোঃ ওসমান সরকার এর পুত্র মোঃ আব্দুর রশিদ এর গত ০৮/০২/২০২২ইং তারিখে ফুলবাড়ী উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও সভাপতি, উপজেলা সেচ কমিটি ফুলবাড়ীতে দায়েরকৃত অভিযোগ সূত্রে জানা যায় যে, গত ২৬/০৭/২০২০ইং তারিখে উপজেলার সেচ কমিটি বরেন্দ্র বহুমুখী সদস্য সচিব বরাবরে কাজিহাল ইউপির কালকুন মৌজার ২৮৯ দাগে-অগভীর পাম্পের জন্য সেচ লাইসেন্স নেওয়ার জন্য ্আবেদন করেন। ২০২০-২১ ইং সালে অর্থ বছরে প্রস্তাবিত মৌজার তদন্ত না করায় আব্দুর রশীদ লাইসেন্স পাননি। গত ২০২১-২০২২ইং অর্থ বছরে সেচ কমিটির দপ্তরে আবেদনের বিষয়ে খোজ খবর নিয়ে জানতে পারেন যে, আবেদনের তারিখ, নাম, মৌজা তাদের রেজিষ্টারে লিপিবদ্ধ রয়েছে।
যাহার রেজিষ্টারের সিরিয়াল নং-১০, তারিখ- ২৬/০৭/২০২০-২০২২। খোঁজ নিয়ে জানতে পারে ফুলবাড়ী বরেন্দ্র বহুমুখী উন্নয় প্রকল্পের অফিসার নতুন করে আবেদন করতে বলে। সেই মোতাবেক তার কথামতো ফুলবাড়ী উপজেলা সেচ কমিটি সভাপতির স্বাক্ষর গ্রহণ করে আবেদন করেন। তিনি অভিযোগ করে বলেন, গত ২৬/০৭/২০২০ ইং সালে তার সেচ লাইসেন্স এর আবেদন ফরমটি গোপন রেখে তার আবেদন করা কানকুন মৌজায় তার প্রস্তাবিত ২৮৯ দাগ হতে মাত্র ৩০০ ফিট দূরে কাজিহাল ইউপির প্রতিপক্ষ মোঃ আজগর আলী মন্ডলের পুত্র মোঃ এরশাদ আলীকে ঐ মৌজার ২৭৫ নং দাগে গত ১২/০১/২০২২ ইং তারিখে অগভীর নলকুপে সেচ লাইসেন্স প্রদান করেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও সভাপতি, উপজেলা সেচ কমিটি মোঃ এরশাদ আলী।
লাইসেন্স প্রদানের খবর জানতে পেয়ে বিদ্যুৎ সংযোগ যাতে সেচ পাম্পে না দেওয়া হয় সেজন্য দিনাজপুর পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি-২, আমবাড়ী সাব-জোনাল অফিসে গত ১২/০২/২০২২ ইং তারিখে লিখিত অভিযোগ করেন। মোঃ এরশাদ আলীর সেচ লাইসেন্সটি যাতে স্থগিত করা হয় সেজন্য তিনি উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও সভাপতি উপজেলা সেচ কমিটি বরাবর লিখিত অভিযোগ করেন। কিন্তু ইতিমধ্যে ৩১/০১/২০২২ ইং তারিখে উপজেলা নির্বাহী অফিসার রিয়াজ উদ্দিন এরশাদ আলী মন্ডলকে লাইসেন্স প্রদান করেন। লাইসেন্স নং-৭০/অনকূ/ফুল/২০২১-২০২২।
আব্দুর রশীদ বিষয়টি তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে উপজেলা সেচ কমিটির সভাপতির কাছে লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। এ বিষয়ে ফুলবাড়ী উপজেলা বরেন্দ্র বহুমুখি উন্নয়ন প্রকল্পের সহকারি প্রকৌশলী মোঃ মাহাবুব আলম এর সাথে মোবাইল ফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি জানান আবেদন করেছিল, আবেদনটি খুজে না পাওয়ার কারণে নতুন করে তাকে আবেদন করার কথা বলা হয়েছে। কাকে লাইসেন্স দেওয়া হয়েছে আমার জানা নাই। এই ঘটনায় বিষয়টি মোঃ আব্দুর রশিদ তদন্ত সাপেক্ষে ন্যায় বিচারের দাবি করেছেন প্রশাসনের কাছে।
কিউএনবি/অনিমা/১৯ই ফেব্রুয়ারি, ২০২২ খ্রিস্টাব্দ/দুপুর ২:৩৫