বুধবার, ০৫ অগাস্ট ২০২৬, ০৬:২১ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
বগি উদ্ধার, পৌনে ৭ ঘণ্টা পর উত্তরবঙ্গের সঙ্গে যোগাযোগ স্বাভাবিক ৫ আগস্ট জাতির জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ দিন: পানিসম্পদ মন্ত্রী জেলের জালে ধরা পড়ল ৫৪ কেজির তবল মাছ বন্যায় পানিবন্দি মা ও পরিবার, কান্নায় ভেঙে পড়লেন অভিনেত্রী জুলাই স্মৃতি জাদুঘর উদ্বোধন কাল, সবার জন্য উন্মুক্ত ৬ আগস্ট বাংলাদেশ রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটিতে ‌‘জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস’ পালিত প্রধানমন্ত্রীকে সৌদি আরব সফরের আমন্ত্রণ শেখ হাসিনার বক্তব্য প্রচার করলে আইনানুগ ব্যবস্থা: তথ্য উপদেষ্টা ফেসবুক-টিকটক ব্যবহার না করার শর্তে সন্তান ফিরে পেলেন কিশোরী মা সিল্কসিটি ট্রেন লাইনচ্যুত, ঢাকা-উত্তরবঙ্গ যোগাযোগ বন্ধ

বৈধ ভিসায় গ্রিস গিয়ে অবৈধ হচ্ছেন বাংলাদেশিরা!

Reporter Name
  • Update Time : বুধবার, ১১ মার্চ, ২০২৬
  • ৫৮ Time View

ডেস্ক নিউজ : বৈধ ওয়ার্ক পারমিট ভিসায় গ্রিসে গিয়েও নির্ধারিত কাজ না পেয়ে অনিশ্চয়তায় পড়েছেন শতাধিক বাংলাদেশি। প্রতিশ্রুত নিয়োগকর্তা না থাকায় এবং ভিসার নির্ধারিত সময় পার হয়ে যাওয়ায় অনেকেই ইতোমধ্যে অবৈধ হয়ে পড়ছেন। অসাধু মালিক ও দালালদের প্রতারণায় বিপাকে পড়ে দূতাবাসের দ্বারস্থ হয়েছেন এসব বাংলাদেশি।

ভুক্তভোগীদের অভিযোগ, বাংলাদেশের দালালরা গ্রিসে নির্দিষ্ট কোম্পানিতে ভালো বেতনে কাজের প্রলোভন দেখিয়ে ভিসার ব্যবস্থা করে দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়ে জনপ্রতি ১০ থেকে ১৫ লাখ টাকা হাতিয়ে নেন। কিন্তু গ্রিসে পৌঁছানোর পর দেখা যায়, প্রতিশ্রুত নিয়োগকর্তার কোনো অস্তিত্ব নেই। জানা গেছে, দালালরা গ্রিসের বিভিন্ন গ্রামের কৃষিজমির মালিকদের কাছ থেকে ৫০০ থেকে ১০০০ ইউরোর বিনিময়ে শুধু কাগুজে ওয়ার্ক পারমিট সংগ্রহ করেন। পরে ওই পারমিট ব্যবহার করে দিল্লি গ্রিসের দূতাবাসে ভিসার জন্য আবেদন করা হয়। কিন্তু ভিসা অনুমোদনের পর গ্রিসে পৌঁছালে চাকরির কোনো অস্তিত্ব খুঁজে পান না প্রবাসীরা। ফলে নির্ধারিত সময়ের পর অনেকেই হয়ে যান অবৈধ। চুক্তিভিত্তিক এই ভিসায় এক বছর পরপর নবায়ন করে পাঁচ বছর পর্যন্ত থাকা যায়, যদি একই নিয়োগকর্তা থাকে। অন্যদিকে দিল্লিতেও রয়েছে সক্রিয় দালাল সিন্ডিকেট, তাদের সঙ্গে ঠিকমতো চুক্তি না করলে ভিসা হয় না বলেও অভিযোগ রয়েছে।

ভুক্তভোগীদের একজন নারায়ণগঞ্জের আসিফ মিয়া বলেন, দালালের মাধ্যমে প্রায় ১৩ লাখ টাকা দিয়ে গ্রিসে আসি। বলা হয়েছিল একটি কৃষি খামারে কাজ পাব। কিন্তু এখানে এসে দেখি ওই মালিকের কোনো খোঁজই নেই। এখন কাজও নেই, কাগজও নেই।

প্রতারণার শিকার ইব্রাহিম হোসেন জানান, বাংলাদেশে থাকা অবস্থায় বলা হয়েছিল মাসে অন্তত ১২০০ ইউরো বেতন পাব। কিন্তু এখানে এসে দেখি যে কোম্পানির নামে ভিসা হয়েছে, সেই কোম্পানির কোনো অফিসই নেই।

নাসিম হোসেন বলেন, গ্রিসে এসেছি ১১ মাস হয়ে গেছে, দালালদের সঙ্গে যোগাযোগ করলে তারা ফোন ধরছে না। যে মালিকের ভিসায় এসেছি ওই মালিক আমাদের পারমিট নবায়ন না করলে ভিসা বাতিল, এক মাস পর অবৈধ হয়ে যাব। এখন কী করব বুঝতে পারছি না।

এ বিষয়ে এথেন্সে বাংলাদেশ দূতাবাসের প্রথম সচিব (শ্রম) মার্জিয়া সুলতানা বাংলাদেশ প্রতিদিনকে বলেন, বৈধ ওয়ার্ক পারমিট ভিসায় গ্রিসে এসে যারা প্রতিশ্রুত নিয়োগকর্তাকে পাচ্ছেন না, ইতোমধ্যে তারা কয়েকজন দূতাবাসে যোগাযোগ করেছেন। বিষয়টি আমলে নিয়ে রাষ্ট্রদূত সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে বৈঠক করেছেন।

কিউএনবি/অনিমা/১১ মার্চ ২০২৬,/সকাল ১০:১২

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category

আর্কাইভস

August 2026
M T W T F S S
 123
45678910
11121314151617
18192021222324
25262728293031
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০১৫-২০২৬
IT & Technical Supported By:BiswaJit