
আন্তর্জাতিক ডেস্ক : ইরানের প্রেসিডেন্ট সাইয়্যেদ ইব্রাহিম রায়িসি বলেছেন, তার সরকার বিশ্বের সব দেশের সঙ্গে বিশেষ করে প্রতিবেশী দেশগুলোর সঙ্গে কৌশলগত সম্পর্ক স্থাপন করতে চায়। তিনি আরও বলেছেন, প্রতিবেশী দেশগুলোর মধ্যে সহযোগিতা শক্তিশালী হলে তা গোটা অঞ্চলের স্বার্থ রক্ষা করবে। তিনি ইরানের ইসলামি বিপ্লবের ৪৩তম বার্ষিকী উপলক্ষে বৃহস্পতিবার তেহরানে নিযুক্ত বিদেশি রাষ্ট্রদূতদের এক সম্মেলনে এ মন্তব্য করেন।
রায়িসি বলেন, ইরানের সংবিধান ও সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহিল উজমা খামেনেয়ীর দিক-নির্দের্শনা অনুযায়ী তার প্রশাসনের পররাষ্ট্রনীতি পরিচালিত হচ্ছে। বিশ্বের প্রতিটি দেশের সঙ্গে পারস্পরিক সম্মান ও স্বার্থ রক্ষা করে সম্পর্ক স্থাপন করা হচ্ছে ইরানের মূলনীতি। ইরানের প্রেসিডেন্ট বলেন, তার দেশ সেইসব দাম্ভিক শক্তিকে সুস্পষ্ট বার্তা দিতে চায় যারা অন্য দেশের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে হস্তক্ষেপ করে। এসব শক্তির বিরুদ্ধে তেহরান শক্ত প্রতিরোধ গড়ে তুলবে। ইরানি জনগণ কখনই তাদের দেশের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে কোনো বহিঃশক্তিকে হস্তক্ষেপ করতে দেবে না।
তিনি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের বর্তমান প্রশাসনের সঙ্গে সাবেক প্রশাসনগুলোর তুলনা করে বলেন, সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রশাসনের সঙ্গে বর্তমান প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন প্রশাসনের কোনও পার্থক্য নেই। ইরানের প্রেসিডেন্ট ২০১৫ সালে পাশ্চাত্যের সঙ্গে তার দেশের স্বাক্ষরিত পরমাণু চুক্তির অচলাবস্থার জন্য এই চুক্তি থেকে আমেরিকার একতরফা বেরিয়ে যাওয়াকে দায়ী করেন। তিনি বলেন, যখন সব পক্ষ কোনও চুক্তি মেনে চলে তখনই কূটনৈতিক প্রচেষ্টায় ফল পাওয়া যায়। অস্ট্রিয়ার রাজধানী ভিয়েনায় চলমান আলোচনায় ইতিবাচক ফল পাওয়া যাবে বলেও তিনি আশা প্রকাশ করেন। সূত্র: প্রেসটিভি
কিউএনবি/আয়শা/১১ই ফেব্রুয়ারি, ২০২২ খ্রিস্টাব্দ/দুপুর ১:৪২