মঙ্গলবার, ১৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১২:১২ অপরাহ্ন

রাশিয়ার সঙ্গে যেভাবে আপোসের পথ খুঁজছে আমেরিকা

Reporter Name
  • Update Time : বুধবার, ৯ ফেব্রুয়ারী, ২০২২
  • ১০৬ Time View

 

আন্তর্জাতিক ডেস্ক : বর্তমানে যুদ্ধপরিস্থিতি বিরাজ করছে বিশ্বের অন্যতম পরাশক্তি রাশিয়ার সঙ্গে প্রতিবেশি ইউক্রেনের। তবে ইউক্রেনকে সব ধরনের নিরাপত্তা দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিচ্ছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রসহ পশ্চিমা বিশ্বের মিত্ররা। এরই মধ্যে ইউক্রেন সীমান্ত হাজার হাজার সেনা মোতায়েন করেছে রাশিয়া। যুক্তরাষ্ট্র ও ন্যাটো জোটও তাদের মোকাবিলায় সেখানে সৈন্য পাঠানো শুরু করেছে।

তবে এর মধ্যে আলোচনাও চলছে এই সংকটকে কূটনৈতিকভাবে নিরসনের। এর অংশ হিসেবে বর্তমানে ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাকরন রাশিয়ার প্রেসিডেন্টের সঙ্গে আলোচনা চালিয়ে যাচ্ছেন।

রাশিয়ার সঙ্গে কীভাবে আপোসের পথ খুঁজছে আমেরিকা

রাশিয়ার দাবি, ইউক্রেনকে যেন কখনওই ন্যাটো জোটে সদস্য হিসেবে অন্তভূর্ক্ত করা না হয়। কিন্তু ন্যাটোর রয়েছে “মুক্ত দুয়ার” নীতি। অর্থাৎ শর্ত পূরণে সক্ষম যেকোনও ইউরোপীয় দেশ চাইলে জোটের সদস্য হতে পারবে। এটি প্রেসিডেন্ট বাইডেনের কাছে “রেড-লাইন”। তার মানে এই বিষয়ে তিনিও আপোস করবেন না।

তবে একটি বিষয়ে সমঝোতার আশা করা যাচ্ছে। সেটি হচ্ছে ইউক্রেন এখনও ন্যাটো সদস্যপদের সব শর্ত পূরণ করতে পারেনি। এসব শর্ত পূরণ করতে এখনও তাদের কিছুটা সময় লাগবে। রাশিয়ার সাথে একটি আপোস-মীমাংসার রাস্তা হিসেবে এই বিষয়টি নিয়েই ওয়াশিংটনে এখন কানাঘুষো শুরু হয়েছে।

জর্জ বুশ ক্ষমতায় থাকাকালে রাশিয়ার সাথে সংলাপের দায়িত্বে ছিলেন টমাস গ্রাহাম। তিনি ইতোমধ্যে ন্যাটোতে ইউক্রেনের সদস্যপদের ওপর একটি অস্থায়ী স্থগিতাদেশ জারির প্রস্তাব দিয়েছেন।

তার মতে, “এটি ইউক্রেনকে পরিত্যাগ করা নয়। এটি বরঞ্চ বিপজ্জনক একটি ভূ-রাজনৈতিক দ্বন্দ্বের মাঝে পড়ে যাওয়ার বিপদ থেকে ইউক্রেনকে রক্ষার একটি চেষ্টা।”

রাশিয়ার সাথে একটি দীর্ঘস্থায়ী দ্বন্দ্বে জড়িয়ে পড়ার ঝুঁকি সত্ত্বেও ন্যাটো জোটে ইউক্রেনের সদস্যপদের পক্ষ নেওয়া কতটা যথার্থ- তা নিয়ে প্রশ্ন তুলছেন ট্রাম্প-পন্থী অনেকেই।

এমনকি ডেমোক্র্যাট সিনেটর ডিক ডারবিনও টমাস গ্রাহামের দেওয়া প্রস্তাবের পথেই একটি সমাধানের কথা বলেছেন। তিনি বলেছেন, চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদোমির জেলেনস্কির হাতে। 

সম্প্রতি এনবিসি টিভিতে এক সাক্ষাৎকারে সিনেটর ডারবিন বলেন, “তিনি (ইউক্রেনের নেতা) যদি দেখেন যে তার সামনে দুটো বিকল্প। একটি হচ্ছে ন্যাটোর সদস্যপদ। আর অন্যটি ইউক্রেনের ওপর রাশিয়ার দখলদারিত্ব। তাহলে আমরা একটি সমাধান খুঁজে পেতে পারি।”

এর মধ্য দিয়ে ডারবিন বলার চেষ্টা করেন যে, জেলেনস্কি চাইবেন না যে তার দেশ রাশিয়া দখল করে নিক এবং সেই আশঙ্কা থেকে আপাতত তিনি নিজেই ন্যাটোর সদস্যপদে নিয়ে কথা বলা বন্ধ করে দেবেন। আর এতেই উত্তেজনা কমবে। সূত্র: বিবিসি

 

 

কিউএনবি/আয়শা/৯ই ফেব্রুয়ারি, ২০২২ খ্রিস্টাব্দ/বিকাল ৫:০২

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category

আর্কাইভস

February 2026
M T W T F S S
 12
3456789
10111213141516
17181920212223
24252627282930
31  
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০১৫-২০২৬
IT & Technical Supported By:BiswaJit