বৃহস্পতিবার, ১৩ অগাস্ট ২০২৬, ০৬:৫৭ অপরাহ্ন
শিরোনাম
দৈনিক ‘ভোরের দর্পণে’ সংবাদ প্রকাশের পর কাউ বয় ফুডসে ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযান; জরিমানা ২ লাখ বিশ্বনেতারা কে কত ঘণ্টা ঘুমান? স্মিথের নটআউট সিদ্ধান্তে নতুন করে বিতর্কে স্নিকোমিটার, কী এটি? হরমুজ প্রণালি ঘিরে নতুন সমীকরণ, ইরানের শক্ত অবস্থান মেনে নিচ্ছে জিসিসি? ট্রাম্পকে ‘ভুয়া গোয়েন্দা তথ্য’ থেকে সতর্ক থাকতে বলল ইরান আজকের মুদ্রার রেট: ১৩ আগস্ট ২০২৬ স্পোর্টস ডেস্ক : ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ফজলুল হক স্টুডেন্ট ফিল্ম প্রোডাকশন সাপোর্ট ট্রাস্ট ফান্ড গঠিত প্রথম দিনটি বাংলাদেশই জিতে নিয়েছে: সাবেক অজি স্পিনার নিহত বেড়ে ২৬৫, নিখোঁজ ৪৯৬: চূড়ান্ত পর্যায়ে কলম্বিয়ার উদ্ধার অভিযান ‘চমৎকার স্বাস্থ্য’ বলা হলেও ট্রাম্পের শরীরে দেখা যাচ্ছে ‘ভয়াবহ’ যেসব উপসর্গ

‘আর যায় কোথায়, গেল গেল বাংলাদেশ চীন হয়ে গেল’

Reporter Name
  • Update Time : শনিবার, ৫ ফেব্রুয়ারী, ২০২২
  • ৯০ Time View

 

স্পোর্টস ডেস্ক : চীন থেকে বাংলাদেশের ঋণগ্রহণ প্রসঙ্গে পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. একে আবদুল মোমেন বলেছেন, চীনা ঋণ নিয়ে অনেকেই অহেতুক ভয় দেখাচ্ছে। চীনা ঋণ নিয়ে ভয়ের কোনো কারণ নেই। শনিবার রাজধানীর হোটেল সোনারগাঁওয়ে ‘সেন্টার ফর নন রেসিডেন্ট বাংলাদেশি’ আয়োজিত ‘ব্রান্ডিং বাংলাদেশ’ শীর্ষক এক সম্মেলনে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি একথা বলেন।

সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে ড. মোমেন বলেন, অবশ্যই এগুলো অপপ্রচার। বিদেশিরা বলেন, বাংলাদেশ নাকি চীনের লেজুর হয়ে যাচ্ছে। কারণটা তারা বলেন, বাংলাদেশ চীনের ডেথ ট্র্যাপে পড়ে যাচ্ছে শ্রীলঙ্কার মতো। ডেথ ট্র্যাপ হতে হলে ৪০ শতাংশ ঋণ নিতে হবে। আমাদের দেশের সর্বমোট ঋণ হলো ১৫ শতাংশের কিছু বেশি। ১৬ শতাংশের মতো। এখনো অনেক দূর। আর যদি দেশগুলো দেখেন, প্রতিষ্ঠান দেখেন, আমরা সবচেয়ে বেশি ঋণ নিয়েছি ওয়ার্ল্ড ব্যাংক, এশিয়ান ডেভেলপমেন্ট ব্যাংক এবং আইএমএফ থেকে। প্রায় ৭৩ শতাংশের বেশি। পরবর্তী সবচেয়ে বেশি যে দেশ থেকে আমরা ঋণ নিয়েছি সেটা হলো জাপান। চীন তো ধারেকাছেই নেই, ৫ শতাংশের কিছু বেশি। 

তিনি বলেন, আমাদের কিছু জ্ঞানপাপী বলে বেড়ান- বাংলাদেশ সতর্ক হও। বলা হয়, আমরা চীনের লেজুর হয়ে যাচ্ছি। কারণ আমাদের নাকি ৮০ শতাংশ মিলিটারি ইক্যুইপমেন্ট চীন থেকে কেনা। এটা একটা ডাহা মিথ্যা কথা। আমরা যা কিনি সব দেশ থেকেই কিনি। সব জায়গা থেকে কিছু কিছু করে কিনি, ভারতও আমাদের দিতে চাচ্ছে। আমাদের আর্মিরা জানে কী কিনবে।

পররাষ্ট্রমন্ত্রী আরও বলেন, আরেকটি কথা উঠেছে- চীন আমাদের তিস্তা ব্যারেজের জন্য টাকা দিচ্ছে। তিস্তা ব্যারেজ একটা প্রকল্প, ১৯৮৮ সালে যখন বড় রকমের বন্যা হয় তখন ফ্রেন্স সরকার এসেছিল, বাংলাদেশে বন্যা কীভাবে প্রতিরোধ করা যায় তার জন্য তারা পরিকল্পনা করেছিলেন। ৫-৬ বিলিয়ন ডলার। অত টাকা কেউ দেয়নি। তার একটি অংশ ছিল তিস্তা ব্যারেজ। এখন চীন নাকি উৎসাহ দেখিয়েছে, আমাদের বলেনি, তারা নাকি পয়সা দিতে চায়। আর যায় কোথায়, গেল গেল বাংলাদেশ চীন হয়ে গেল! এ ধরনের একটি ভয় তৈরি করা হচ্ছে। ড. মোমেন বলেন, আমাদের অনেক জ্ঞানপাপী এই ভয়টা তৈরি করছেন। তার ফলে এসব শুনে অনেকেই বলছে, সত্যি সত্যিই কিছু দুর্ঘটনা ঘটছে।

 

 

কিউএনবি/আয়শা/৫ই ফেব্রুয়ারি, ২০২২ খ্রিস্টাব্দ/রাত ৯:১৪

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category

আর্কাইভস

August 2026
M T W T F S S
 123
45678910
11121314151617
18192021222324
25262728293031
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০১৫-২০২৬
IT & Technical Supported By:BiswaJit