সোমবার, ১২ অক্টোবর ২০২৬, ০৮:১৬ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
আইটি, এআই, সার ও জ্বালানি খাতে বিনিয়োগে মারুবেনি কর্পোরেশনকে আমন্ত্রণ প্রধানমন্ত্রীর জার্মান পর্যটকের মালামাল চুরি করা যুবককে ধরতে পুরস্কার ঘোষণা উচ্চ আয়ের পাশাপাশি যে ১০ পেশায় রয়েছে কাজের আনন্দ খাবারের আগে অলিভ অয়েল খেলে রক্তে শর্করা বাড়ে ধীরে, বলছে গবেষণা প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে সরকারদলীয় এমপিদের বৈঠক ফ্যাটি লিভার থেকে লিভার ক্যানসার, যে ৭ লক্ষণে হবেন সতর্ক নিজের মত প্রকাশ করলে কিংবা অন্যায়ের প্রতিবাদ করলে ‘অলক্ষ্মী’: ইশা সাহা ময়নাতদন্তের রিপোর্টে মিলল নানা পাটেকারের মৃত্যুর প্রকৃত কারণ দুর্গাপূজায় টানা তিন দিন বন্ধ থাকবে ব্যাংক জমাদিউল আউয়ালের চাঁদ দেখা যায়নি

বোয়িং-এয়ারবাসকে টেক্কা দিতে তৈরি রাশিয়া-চীন

Reporter Name
  • Update Time : মঙ্গলবার, ১৮ জানুয়ারী, ২০২২
  • ৯৫ Time View

 

আন্তর্জাতিক ডেস্ক : বিমান প্রস্তুতকারক সংস্থা হিসেবে বিশ্বে একচেটিয়া বাজার বোয়িং এবং এয়ারবাসের। এবার রাশিয়া এবং চীন নতুন বিমান বাজারে নামাচ্ছে।

গত বহু দশক ধরে বিমান প্রস্তুতকারক সংস্থা হিসেবে গোটা বিশ্বে কার্যত একচেটিয়া বাজার ছিল বোয়িং এবং এয়ারবাসের। পৃথিবীর প্রায় সমস্ত দেশে তাদের তৈরি বিমানই ব্যবহার হয়। এবার তাদের সেই বাজারকে চ্যালেঞ্জ ছুঁড়তে প্রস্তুত রাশিয়া এবং চীন। চলতি বছরের শেষেই বাজারে নতুন বিমান নামাতে চলেছে রাশিয়া। যার নাম এমসি ২১। 

অন্যদিকে, চীনও তাদের নতুন বিমান তৈরি করে ফেলেছে। তাদের বিমানও এবছরের শেষেই বাজারে আসার কথা ছিল। তবে লকডাউন-সহ একাধিক জটিলতার জন্য নতুন বিমান বাজারে নামাতে আরো কিছুদিন সময় লাগতে পারে বলে চীনের সূত্র জানিয়েছে। চীন যে নতুন মডেলের বিমানটি বানিয়েছে, তার নাম কোম্যাক সি ৯১৯।

১৯৬৭ সাল থেকে বিমানের বাজারে একাধিপত্য চালাচ্ছে বোয়িং। ১৯৮৭ সালে বাজারে আসে এয়ারবাস। এই দুই সংস্থাই গত কয়েক দশক কার্যত বিমানের বাজার নিয়ন্ত্রণ করেছে। সোভিয়েত ইউনিয়ন অবশ্য এক সময় এই দুই সংস্থার সঙ্গে পাল্লা দেওয়ার চেষ্টা চালিয়েছিল। এখনো রাশিয়ার বিভিন্ন প্রান্তে একাধিক সাবেক বিমান প্রস্তুতকারক সংস্থা আছে। কিন্তু গোটা বছরে তারা ১৪টি বিমান তৈরি করতে পারে। যেখানে সব ঠিক থাকলে বোয়িং বা এয়ারবাস দিনে ওই পরিমাণ বিমান তৈরি করে।

বিমান বিশেষজ্ঞদের বক্তব্য, এবার সেই ইতিহাস বদলাতে চলেছে। রাশিয়ার নতুন বিমান বোয়িং এবং এয়ারবাসকে সমানে সমানে টেক্কা দেবে। আগামী গ্রীষ্মে বিমানটির চূড়ান্ত পরীক্ষা হওয়ার কথা। ইতোমধ্যেই যাত্রী পরিবহনের সার্টিফিকেট তারা পেয়ে গেছে। দুইটি ক্লাস মিলিয়ে বিমানটিতে মোট ১৬৭ জন যাত্রী বসতে পারেন। 

বিশেষজ্ঞদের বক্তব্য, বিমানটি পরীক্ষামূলক উড্ডয়নে সফল হলে বোয়িং এবং এয়ারবাসকে সব দিক থেকেই চ্যালেঞ্জ জানাবে এটি। নতুন বিমানে ফিচার অনেক বেশি। দামও প্রতিযোগিতামূলক।

চীনের বিমানটি নিয়ে অবশ্য এখনো সমস্ত তথ্য বাইরে আসেনি। তবে ওই বিমানটিও প্রতিযোগিতায় সকলকে চ্যালেঞ্জ জানাবে বলেই মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।

সূত্র: ডয়চে ভেলে।

কিউএনবি/অনিমা/১৮ই জানুয়ারি, ২০২২ খ্রিস্টাব্দ/বিকাল ৫:০৩

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category

আর্কাইভস

October 2026
M T W T F S S
 12345
6789101112
13141516171819
20212223242526
27282930  
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০১৫-২০২৬
IT & Technical Supported By:BiswaJit