রবিবার, ১১ অক্টোবর ২০২৬, ১০:৫১ অপরাহ্ন
শিরোনাম
আইটি, এআই, সার ও জ্বালানি খাতে বিনিয়োগে মারুবেনি কর্পোরেশনকে আমন্ত্রণ প্রধানমন্ত্রীর জার্মান পর্যটকের মালামাল চুরি করা যুবককে ধরতে পুরস্কার ঘোষণা উচ্চ আয়ের পাশাপাশি যে ১০ পেশায় রয়েছে কাজের আনন্দ খাবারের আগে অলিভ অয়েল খেলে রক্তে শর্করা বাড়ে ধীরে, বলছে গবেষণা প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে সরকারদলীয় এমপিদের বৈঠক ফ্যাটি লিভার থেকে লিভার ক্যানসার, যে ৭ লক্ষণে হবেন সতর্ক নিজের মত প্রকাশ করলে কিংবা অন্যায়ের প্রতিবাদ করলে ‘অলক্ষ্মী’: ইশা সাহা ময়নাতদন্তের রিপোর্টে মিলল নানা পাটেকারের মৃত্যুর প্রকৃত কারণ দুর্গাপূজায় টানা তিন দিন বন্ধ থাকবে ব্যাংক জমাদিউল আউয়ালের চাঁদ দেখা যায়নি

দিল্লির সব ব্যারিকেড সরানোর নির্দেশ, স্বাভাবিক করতে হবে ইন্টারনেট

Reporter Name
  • Update Time : রবিবার, ১১ অক্টোবর, ২০২৬
  • ১৬ Time View

আন্তর্জাতিক ডেস্ক : ভারতের রাজধানী দিল্লিতে বিক্ষোভকে কেন্দ্র করে সৃষ্ট কঠোর পুলিশি ব্যবস্থা, যাতায়াতে বাধা এবং ইন্টারনেট পরিষেবা বন্ধের অভিযোগ নিয়ে কঠোর অবস্থান নিয়েছে দেশটির সুপ্রিম কোর্ট। 

আদালত নির্দেশ দিয়েছে, রাজধানীর বিভিন্ন স্থানে ব্যারিকেড সরিয়ে সাধারণ মানুষের চলাচল স্বাভাবিক রাখতে হবে এবং অবিলম্বে মেট্রো ও ইন্টারনেট পরিষেবা চালু করতে হবে। একই সঙ্গে আইনজীবীরা যাতে পেশাগত দায়িত্ব স্বাধীনভাবে পালন করতে পারেন, তাও নিশ্চিত করার কথা বলা হয়েছে।

শনিবারের (১০ অক্টোবর) বিক্ষোভ ঘিরে দিল্লির ব্যাপক নিরাপত্তা ও পুলিশি তৎপরতার বিরুদ্ধে দায়ের হওয়া একাধিক আবেদনের শুনানি চলাকালীন এসব নির্দেশনা দেন আদালত।

শুনানিতে প্রবীণ আইনজীবী কপিল সিবাল দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আসা ট্রেনগুলোকে দিল্লি পর্যন্ত চলার অনুমতি দেওয়ার আবেদন জানান। পাশাপাশি, যন্তর মন্তরের চার কিলোমিটার এলাকার বাইরে ভারতীয় নাগরিক সুরক্ষা সংহিতার ১৬৩ ধারা জারির বিরোধিতা করেন এবং আইনশৃঙ্খলা বজায় রেখে শান্তিপূর্ণ প্রতিবাদের সুযোগ দেওয়ার দাবি জানান। 

এ সময় সুপ্রিম কোর্টের আশপাশে কীভাবে ১৬৩ ধারা জারি করা হলো, তা নিয়েও প্রশ্ন তোলে আদালত। সলিসিটর জেনারেল তুষার মেহতা এ বিষয়ে তাৎক্ষণিকভাবে কিছু জানাতে না পারায় আদালত তাকে দ্রুত তথ্য সংগ্রহের নির্দেশ দেয়। 

এ ছাড়া সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবীদের সংগঠনের পক্ষ থেকে অভিযোগ করা হয় যে, নিষেধাজ্ঞার বিষয়ে তাদের আগে থেকে জানানো হয়নি এবং কয়েকজন আইনজীবীকে তাদের চেম্বার থেকে ধরে নিয়ে যাওয়া হয়েছে।

এ প্রসঙ্গে বিচারপতি জয়মাল্য বাগচী বলেন, আইনজীবীদের যদি নোটিশ দিয়ে না জানানো হয়ে থাকে, তবে তা এই নির্দেশের বৈধতা নিয়ে প্রশ্ন তোলার বড় কারণ হতে পারে। প্রবীণ আইনজীবী গোপাল শঙ্করনারায়ণ ভগবান দাস রোডের নিষেধাজ্ঞার নোটিশ এবং দিল্লি হাইকোর্টে যাতায়াতের বাধার বিষয়টিও আদালতে তুলে ধরেন।

আবেদনকারীদের পক্ষ থেকে আরও অভিযোগ করা হয়, বিক্ষোভের সময় রাজনৈতিক নেতা, আইনজীবী, সাংবাদিক ও সাধারণ মানুষকে নির্বিচারে আটক করা হয়েছে। এ ছাড়া হামলা, ইন্টারনেট পরিষেবা বন্ধ রাখা এবং ৫৭টি মেট্রো স্টেশন বন্ধ রাখার মতো গুরুতর অভিযোগও আদালতে উপস্থাপন করা হয়।

আইনজীবী মানেকা গুরুস্বামী শুনানিতে জানান, এই বিষয়টি কেবল কয়েকজন ব্যক্তির আটকের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়, এটি সরাসরি সংবিধানের মৌলিক অধিকারের প্রশ্ন। মেট্রো স্টেশনগুলো বন্ধ রাখার সুনির্দিষ্ট কারণ ব্যাখ্যা করতে দিল্লি মেট্রো রেল করপোরেশনকে নির্দেশ দিয়েছে আদালত।

সবমিলিয়ে, বিক্ষোভের সময় নিরাপত্তা নিশ্চিত করার পাশাপাশি সাধারণ মানুষের যাতায়াত, যোগাযোগব্যবস্থা এবং আইনজীবীদের পেশাগত অধিকার রক্ষাকেই এখন সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিচ্ছে শীর্ষ এই আদালত। 

 

 

কিউএনবি/আয়শা/১১ অক্টোবর ২০২৬,/রাত ৯:৫০

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category

আর্কাইভস

October 2026
M T W T F S S
 12345
6789101112
13141516171819
20212223242526
27282930  
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০১৫-২০২৬
IT & Technical Supported By:BiswaJit