সোমবার, ২৬ অক্টোবর ২০২৬, ০৮:৫৬ অপরাহ্ন
শিরোনাম
জাজিরায় প্রাথমিক শিক্ষা অফিসারের অনিয়ম তদন্তে প্রভাব বিস্তার, বাঁধাগ্রস্ত তদন্ত স্বাধীনতার ৫৫ বছর পার হলেও ফুলবাড়ী জেলা বাস্তবায়িত হয়নি॥ ইজিবাইকের ধাক্কায় অজ্ঞাত নারীর মৃত্যু, চালক পলাতক রাজধানীতে হানি ট্র্যাপে যুক্তরাষ্ট্র প্রবাসীর ছেলেকে হত্যা:  সঠিক তদন্তের জন‍্য মামলা পিবিআইতে হস্তান্তরের দাবি পরিবারের ফুলবাড়ীতে মাইক্রোওয়েভ স্টেশনটি সংস্কার না করায় নষ্ট হয়ে যাচ্ছে॥ সবচেয়ে কম বয়সে ব্যালন ডি’অর জিতেছেন যারা মার্কিন-ইরান দ্বন্দ্ব, আঞ্চলিক অস্থিরতা এবং কূটনীতির শেষ চাল এক কোটির ওপরে দাম উঠল যাদের নরসিংদীতে ১৪০ রাউন্ড সিসার গুলিসহ  এক নারী গ্রেপ্তার  লিটনের টেস্ট খেলা নিয়ে সুখবর দিলেন কোচ

জাজিরায় প্রাথমিক শিক্ষা অফিসারের অনিয়ম তদন্তে প্রভাব বিস্তার, বাঁধাগ্রস্ত তদন্ত

খোরশেদ আলম বাবুল, শরীয়তপুর প্রতিনিধি ।
  • Update Time : সোমবার, ২৬ অক্টোবর, ২০২৬
  • ২৫ Time View
খোরশেদ আলম বাবুল, শরীয়তপুর প্রতিনিধি : শরীয়তপুরের জাজিরা উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তার দুর্নীতি, ক্ষমতার অপব্যবহার, প্রশাসনিক অনিয়ম ও শিক্ষকদের হয়রানির অভিযোগ তদন্ত শুরু করেছে তদন্ত কমিটি। তদন্ত বিলম্বিত ও বাঁধাগ্রস্ত করতে মরিয়া হয়েছে উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা। তিনি স্থানীয় প্রভাবশালী ব্যক্তি, পক্ষের শিক্ষক ও কর্মকর্তাদের নিয়ে তদন্তে বাঁধা সৃষ্টি করেন।

এক পর্যায়ে তদন্ত শেষ না করেই চলে যেতে হয়েছে তদন্ত কর্মকর্তার। ২৬ অক্টোবর সোমবার সকাল ১১টার দিকে অভিযোগের তদন্তে যায় তদন্ত কর্মকর্তা ও শরীয়তপুরের পিটিআই সুপারিনটেনডেন্ট মো. সেলিম। পরিস্থিতি ঘোলাটে দেখে তিনি তদন্তের স্থান পরিবর্তন করেন। পরে তদন্ত শেষ না করে চলে যেতে হয়েছে তাকে। সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, জাজিরা উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার মো. বজলুর রহমানের বিরুদ্ধে অনিয়মের ফিরিস্তি তুলে ধরে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সচিব বরাবর অভিযোগ দায়ের করেন কতিপয় শিক্ষক। অভিযোগের তদন্ত ভার গ্রহণ করে ২৬ অক্টোবর তদন্তে যায় শরীয়তপুর পিটিআই সুপারিনটেনডেন্ট মো. সেলিম।

অভিযোগ দায়েরকারী শিক্ষকদের দাবি, তদন্ত শুরুর আগেই উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মো. বজলুর রহমান অভিযোগে স্বাক্ষরকারী শিক্ষকদের বাড়ি ও বিদ্যালয়ে গিয়ে প্রভাবিত করেন। শিক্ষা কর্মকর্তার নির্দেশে তদন্ত কর্মকর্তার কাছে বয়ান না দিলে তাদের হয়নারীর হুমকিও দেয়া হয়। নাম প্রকাশে অনাগ্রহী কতিপয় শিক্ষক দাবি করেন, প্রশাসনিক চাপে অভিযোগকারী কতিপয় শিক্ষককে স্বাক্ষর অস্বীকার করতে বাধ্য করা হয়েছে। সে কারণে অভিযোগকারী শিক্ষকরা তাদের অভিযোগের কথা তদন্তে প্রকাশ করতে পারেনি।

অভিযোগের কথা অস্বীকার করে উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা মো. বজলুর রহমান বলেন, তিনি ১৩ মাস পূর্বে জাজিরা উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসে যোগদান করেছেন। যোগদানের পর থেকে শিক্ষক নেতাদের ক্ষমতা অপসারণ করে পাঠদানে বাধ্য করেছেন। স্লিপ ও ক্ষুদ্র মেরামতের বরাদ্দ সংশ্লিষ্ট খাতে শতভাগ ব্যয় করিয়েছেন। যারা সঠিক সময়ে বিদ্যালয়ে উপস্থিত না হয়েছেন তাদের কারণ দর্শিয়েছেন। ফলে অনিয়মকারী শিক্ষকরা এমন অভিযোগ করেছেন। যার সত্যতা নাই।

তদন্তের দায়িত্ব প্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. সেলিম জানায়, প্রাথমিক তদন্তে অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেছে। তদন্তকালে উভয় পক্ষের লোকজন উপস্থিত হয়ে পরিস্থিতি ঘোলাটে করেছে তা সামাল দিতে সময় কেটে যায়। তদন্ত পূর্ণাঙ্গ ভাবে শেষ করা সম্ভব হয়নি। বিষয়টি নিয়ে জেলা পর্যায়ের কর্মকর্তাদের সাথে মিটিংয়ে বসেছি। তাদের সহযোগিতায় ও নির্দেশনা অনুযায়ী তদন্ত শেষ করব।

কিউএনবি/আয়শা/২৬ অক্টোবর ২০২৬,/সন্ধ্যা ৭:৪০

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category

আর্কাইভস

October 2026
M T W T F S S
 12345
6789101112
13141516171819
20212223242526
27282930  
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০১৫-২০২৬
IT & Technical Supported By:BiswaJit