মঙ্গলবার, ০১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০:১৬ অপরাহ্ন
শিরোনাম
সীমান্ত নিরাপত্তায় ভূমিকা রাখছে ড্রোন: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী শত্রুরা আমাদের ক্ষেপণাস্ত্র হামলা বন্ধ করতে পারবে না: ইরান স্বাধীনতার ঘোষণা দিয়ে যুদ্ধে অংশ নেওয়া একমাত্র প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান তৃতীয় টার্মিনালে দুর্ঘটনাস্থল পরিদর্শনে মন্ত্রী শুভশ্রীর বিয়ের আগের দিন পর্যন্ত কথা হয়েছে, তারপরই ব্লক : দেব মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ভাতিজির মরদেহ উদ্ধার, নেপথ্যে কী ভালো ঘুমের জন্য মেনে চলতে পারেন যেসব অভ্যাস ২০২৭ সালের রোজা শুরু কবে থেকে, জানা গেল নেপালে টানেলে কর্মরত শত শত শ্রমিক নিখোঁজ, পাহাড়ে বিস্ফোরণ ঘটিয়ে উদ্ধারের চেষ্টা পিসিবিকে প্রশ্নের মুখে ফেললেন আফ্রিদি-মালিক

ইরানে ফের আক্রমণ নাাকি পিছু হটা, শেষ পর্যন্ত ট্রাম্প কোন পথে?

Reporter Name
  • Update Time : মঙ্গলবার, ১ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
  • ১৭ Time View

আন্তর্জাতিক ডেস্ক :  ডোনাল্ড ট্রাম্পের ঘোষিত নতুন নিষেধাজ্ঞা এবং ইরানি দ্বীপ লারাকের ওপর সদ্য ঘটে যাওয়া মার্কিন বিমান হামলা ঘিরে ব্যাপক তোলপাড় শুরু হলেও বিশ্লেষণধর্মী নানা উপাত্ত ইঙ্গিত দিচ্ছে যে, ট্রাম্প এই মুহূর্তে ইরানের ওপর চাপ একলাফে চরম মাত্রায় বাড়াতে চান না। পারস্য উপসাগরের হরমুজ প্রণালিতে তেহরান যাতে নতুন করে মাইন বসাতে না পারে, সে জন্য মার্কিন সামরিক বাহিনী লারাক দ্বীপে ইরানি ক্ষেপণাস্ত্র উৎক্ষেপণ কেন্দ্রে আঘাত হেনেছে। জুলাই মাসে ট্রাম্পের যুদ্ধবিরতি ঘোষণার পর এটিই প্রথম প্রকাশ্য মার্কিন হামলা।

অন্যদিকে, ট্রেজারি সেক্রেটারি স্কট বেসেন্ট ইরানের সাথে লেনদেনের অপরাধে যেই প্রধান আর্থিক প্রতিষ্ঠানের ওপর বড় ধরনের নিষেধাজ্ঞা আরোপের ঢাকঢোল পিটিয়েছিলেন, তা শেষ পর্যন্ত মিসরের দ্বিতীয় বৃহত্তম ব্যাংক ‘ব্যাংক মিসর’-এ গিয়ে ঠেকেছে। যদিও ব্যাংক মিসর এই অঞ্চলে একটি প্রধান ব্যাংক কিন্তু বৈশ্বিক অর্থের বহুমুখী ট্রিলিয়ন ডলারের জায়ান্টগুলোর সামনে এটি নিতান্তই ছোট।

ট্রাম্পের এই সাম্প্রতিক নিষেধাজ্ঞা পদক্ষেপে কামড়ের চেয়ে গর্জনই বেশি। তবে এর অর্থ এই নয় যে স্কট বেসেন্টের অর্থনৈতিক যুদ্ধ সাধারণ ইরানিদের ক্ষতি করবে না বা ইরানি অর্থনীতিকে চাপে ফেলবে না; অবশ্যই ফেলবে। তবে এই অর্থনৈতিক যন্ত্রণা তেহরানকে ট্রাম্পের কাছে নতি স্বীকার করতে বাধ্য করবে কিংবা মুখে যা-ই বলা হোক না কেন, এই নিষেধাজ্ঞাগুলো আদতে ইরানকে বড় ধরনের ধ্বংসাত্মক ক্ষতির মুখে ফেলার মতো করে সাজানো হয়েছে; এমন কোনো জোরালো প্রমাণ নেই।

বরং ট্রাম্প এক অন্য ধরনের ঝুঁকিপূর্ণ খেলায় নেমেছেন। আগামী মধ্যবর্তী নির্বাচন (মিডটার্মস) পর্যন্ত সংঘাতকে একটি নিম্ন মাত্রায় জিইয়ে রাখা—যেখানে বড় কোনো কূটনৈতিক সমঝোতাও হবে না, আবার পরিস্থিতি পুরোদস্তুর যুদ্ধেও রূপ নেবে না। এটি মূলত এক ধরনের সাময়িক প্রশান্তি বজায় রাখার চেষ্টা, যাতে ইরান সংবাদের শিরোনাম থেকে দূরে থাকে এবং নির্বাচনের প্রাক্কালে মার্কিন বাজারে ক্রমবর্ধমান মূল্যস্ফীতি ও জ্বালানি তেলের দাম বৃদ্ধির সাথে ট্রাম্পের এই স্বৈরাচারী ও অপ্রয়োজনীয় যুদ্ধের সংযোগটি দুর্বল হয়ে পড়ে।

নতুন ঘোষিত এই ডি-ডে নিষেধাজ্ঞাগুলো আমেরিকার কর্তৃত্বের একটি কৃত্রিম প্রতিচ্ছবি তৈরি করে এবং ইরানের ওপর চাপ বাড়ায়। হরমুজ প্রণালিতে নৌচলাচল বৃদ্ধির সাথে সাথে এই স্থিতাবস্থা ওয়াশিংটনের চেয়ে তেহরানের জন্য বেশি ব্যয়বহুল হয়ে উঠেছে; তবে তা এতটাও বেশি নয় যে ইরান এখনই তাত্ক্ষণিক সামরিক পাল্টা-হামলায় জড়িয়ে পড়বে। এটি প্রকৃতপক্ষে ধীরগতির অর্থনৈতিক শ্বাসরোধ, যার লক্ষ্য আগামী দুই মাস কোনো বড় বড় কূটনৈতিক সমঝোতা বা সামরিক উত্তাপ ছাড়াই পরিস্থিতি শান্ত রাখা। তেহরানের জন্য এটি এই মুহূর্তে কোনো জরুরি প্যানিক সৃষ্টি করছে না, এবং তাদের পরবর্তী পদক্ষেপ মূলত ওয়াশিংটনের আগামী চালের ওপর নির্ভর করবে।

বিশ্লেষকদের মতে, সামনে তিনটি সম্ভাব্য পরিস্থিতি দেখা যেতে পারে।

প্রথমত, ট্রাম্প হয়তো হিসাবের বাইরে গিয়ে অতিরিক্ত পদক্ষেপ নিয়ে ফেলতে পারেন, যা তেহরানের সহ্যসীমার বাইরে চলে যাবে। উদাহরণস্বরূপ, লারাক দ্বীপে ইরানি ঘাটিতে সাম্প্রতিক আক্রমণ ইতিমধ্যেই একটি ইরানি পাল্টা প্রতিক্রিয়ার জন্ম দেওয়া প্রায় নিশ্চিত করেছে। উপরন্তু, ট্রাম্প যদি চীনগামী ইরানি তেল ট্যাঙ্কার বাজেয়াপ্ত করার সিদ্ধান্ত নেন, তবে তেহরান প্রায় নিশ্চিতভাবেই প্রণালীর দক্ষিণ করিডোর দিয়ে যাওয়া আন্তর্জাতিক জাহাজে আক্রমণ জোরদার করবে এবং একই সাথে গাল্ফ কোঅপারেশন কাউন্সিল (জিসিসি) ভুক্ত দেশগুলোর জ্বালানি অবকাঠামোকে লক্ষ্যবস্তু বানাতে পারে। চীনও এই ধরনের পদক্ষেপের জোরালো প্রতিক্রিয়া জানাবে। এর ফলাফল হবে ঠিক সেই ধরনের সামরিক উত্তেজনা, যা ট্রাম্প আগামী দুই মাস এড়াতে চাচ্ছেন।

দ্বিতীয় পরিস্থিতিতে, এই নতুন নিষেধাজ্ঞা ইরানকে তাৎক্ষণিক কোনো পাল্টা আক্রমণে উৎসাহিত করবে না, আবার তেহরানের মধ্যমেয়াদী হিসাব-নিকাশকেও পরিবর্তন করবে না। তেহরান মনে করে, প্রচার যাই হোক না কেন, তাদের হরমুজ প্রণালী অবরোধের ক্ষমতা এখনো যথেষ্ট কার্যকর এবং ট্রাম্পের ওপর বাড়তে থাকা অভ্যন্তরীণ অর্থনৈতিক চাপ শেষ পর্যন্ত তাকে আরও বাস্তবসম্মত অবস্থান নিয়ে আলোচনার টেবিলে ফিরতে বাধ্য করবে। ট্রাম্প এই মুহূর্তে কোনো চুক্তি চান না এমন পরিষ্কার ইঙ্গিত থাকা সত্ত্বেও কেন ইরান আঞ্চলিক কূটনীতিতে বিপুল বিনিয়োগ করছে, এই কৌশল তা ব্যাখ্যা করে।

ওমানি, পাকিস্তানি এবং কাতারি কূটনীতিকরা বর্তমানে হরমুজ প্রণালি নিয়ে তেহরানের সাথে নিবিড় আলোচনা চালাচ্ছেন। আন্তর্জাতিক সূত্র অনুযায়ী, ট্রাম্প ইরানকে সরাসরি সংকেত পাঠিয়েছেন যে তেহরান প্রণালি খুলে দিলেও আমেরিকা তাদের অর্থনৈতিক অবরোধ তুলবে না। এমনকি আগের সমঝোতা স্মারকে ফিরে যাওয়ার পক্ষপাতীও নন তিনি। নির্বাচন পর্যন্ত ইরানকে সংবাদের আড়ালে রাখতে হলে সামরিক বা কূটনৈতিক; যেকোনো দৃশ্যমান অগ্রগতিই এড়িয়ে চলা ট্রাম্পের জন্য জরুরি।

তবে এই আঞ্চলিক মধ্যস্থতাকারীদের সাথে যোগাযোগের মাধ্যমে তেহরান তিনটি বড় লক্ষ্য অর্জন করছে। প্রথমত, তারা তাদের নিজস্ব জনগণের কাছে প্রমাণ করছে যে যুদ্ধের এই দীর্ঘসূত্রতা আমেরিকার একগুঁয়েমির কারণে, ইরানের নমনীয়তার অভাবে নয়। যুদ্ধ দীর্ঘায়িত হওয়ার সাথে সাথে বেসামরিক জনগণ যখন ক্লান্ত হয়ে পড়ছে, তখন এই দোষারোপের বিবরণ নিয়ন্ত্রণ করা তেহরানের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ, আর ট্রাম্পের প্রকাশ্যে কূটনীতি প্রত্যাখান করা সিদ্ধান্তটি ইরানের হাতে সরাসরি সুবিধা তুলে দিচ্ছে। দ্বিতীয়ত, এটি আঞ্চলিক রাজনৈতিক খেলায় অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। যুদ্ধ যদি পুনরায় শুরু হয়, তবে তার ভারি মাশুল আঞ্চলিক দেশগুলোকেই গুণতে হবে, আর তখন তারা কাকে দায়ী করছে তা অনেক বড় বিষয়। ইরান দেখাতে চায় যে তারা সমঝোতায় প্রস্তুত, যেখানে ট্রাম্প আলোচনাই করতে রাজি নন। অবশেষে, এই কূটনীতি নির্দিষ্ট সমাধান ও নীতির ভিত্তিতে একটি আঞ্চলিক ঐকমত্য তৈরি করছে, যাতে ট্রাম্প ভবিষ্যতে টেবিলে ফিরে এলে একটি আধা-প্রস্তুত চুক্তির কাঠামো আগেই তৈরি থাকে। ট্রাম্প হোয়াইট হাউসে বসে যখন সুযোগ হাতছাড়া করছেন, তখন অঞ্চলটি যে অগ্রগতি সাধন করেছে তা নস্যাৎ করতে গেলে ট্রাম্পকেই বড় মূল্য দিতে হবে।

কিন্তু সবচেয়ে সম্ভাব্য তৃতীয় দৃশ্যপটটি হলো, তাৎক্ষণিক চরম সামরিক সংঘাত বা মধ্যবর্তী নির্বাচন-পরবর্তী দ্রুত আলোচনায় ফেরা; কোনোটিই হয়তো ঘটবে না। বরং ট্রাম্প প্রশাসনের সাম্প্রতিক আত্মবিশ্বাস হয়তো কিছুটা ফল দেবে; যেখানে নতুন নিষেধাজ্ঞা এবং প্রণালীর দক্ষিণ অংশে জাহাজ চলাচল বাড়ার ফলে এমন এক নতুন বাস্তবতা তৈরি হবে যেখানে যুক্তরাষ্ট্রের চেয়ে ইরানই অর্থনৈতিকভাবে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে এবং তাদের পরিস্থিতি ধীরে ধীরে তবে নিশ্চিতভাবে নেতিবাচক দিকে যাচ্ছে।

এর ফলে ইরান কয়েক মাস পর সামরিক ও কূটনৈতিকভাবে আরও দুর্বল অবস্থানে চলে যাবে। এই পরিস্থিতি ইরানকে পাল্টা জবাবে উৎসাহিত করলেও, তেহরান হয়তো এই মুহূর্তে সরাসরি সংঘাত না করে উপযুক্ত সুযোগের জন্য অপেক্ষা করার কৌশল নেবে। ওয়াশিংটন যদি মধ্যবর্তী নির্বাচন পর্যন্ত সবকিছু শান্ত রাখতে চায়, তবে তেহরান হিসাব করতে পারে যে পাল্টা আঘাত হানার উপযুক্ত সময় হলো কংগ্রেস নির্বাচনের ঠিক দুই বা তিন সপ্তাহ আগে, যাতে ট্রাম্পের ওপর রাজনৈতিক আঘাতটি সবচেয়ে মারাত্মকভাবে পড়ে।

ইরানের প্রতিক্রিয়া কেবল হরমুজ প্রণালির তেল ট্যাঙ্কারের মধ্যেই সীমাবদ্ধ নাও থাকতে পারে। ইরানি কর্মকর্তা এবং আঞ্চলিক কূটনীতিকরা প্রকাশ্যে ও গোপনে মনে করছেন যে, নতুন নিষেধাজ্ঞা যে প্রভাবই ফেলুক না কেন, নির্বাচন শেষ হওয়া মাত্রই যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল আবারও পূর্ণাঙ্গ যুদ্ধ শুরু করবে। দীর্ঘস্থায়ী স্থবিরতা বা বিরতি আসলে তেহরানের বিরুদ্ধেই কাজ করবে। তাই তেহরান নির্বাচনের ঠিক আগে ট্রাম্পের রাজনৈতিক দুর্বলতার পূর্ণ সুযোগ নিয়ে একটি চরম উত্তেজনাকর সামরিক পদক্ষেপ নেওয়ার সিদ্ধান্ত নিতে পারে।

ইরান যুদ্ধের দ্বিতীয় পর্বে নিজেদের পারফরম্যান্স এবং ট্রাম্প কত দ্রুত আক্রমণ বন্ধ করেছিলেন তা দেখে উৎসাহিত বোধ করছে। যুদ্ধের প্রথম পর্ব স্থায়ী হয়েছিল ৩৮ দিন; কিন্তু দ্বিতীয় পর্ব চলেছিল মাত্র ১৩ দিন। তা সত্ত্বেও মাত্র তিন ভাগের এক ভাগ সময় স্থায়ী হওয়া দ্বিতীয় পর্বেই অর্ধেকেরও বেশি আমেরিকান হতাহতের ঘটনা ঘটেছিল। এটি ইঙ্গিত দেয় যে, মার্কিন বাহিনীর নিরাপত্তা ব্যবস্থা দুর্বল হয়ে পড়েছিল, ইন্টারসেপ্টর ক্ষেপণাস্ত্রের ঘাটতি তীব্র হয়েছিল এবং ওয়াশিংটনের চেয়ে ফেব্রুয়ারি মাসের প্রথম দফার লড়াই থেকে তেহরান অনেক বেশি শিক্ষা গ্রহণ করেছিল। ইরান তাদের আক্রমণের আধুনিকতা ও গোয়েন্দা তথ্যের দক্ষতা অভূতপূর্বভাবে বাড়িয়েছে। ইরাক ও আফগানিস্তানে যুক্তরাষ্ট্র কীভাবে লড়াই করেছে তা ইরান বহু দশক ধরে পর্যবেক্ষণ করেছে কিন্তু এবার তারা সরাসরি আমেরিকার বিরুদ্ধে যুদ্ধ করার অভিজ্ঞতা অর্জন করেছে এবং ওয়াশিংটন যতটা ভেবেছিল, তার চেয়েও দ্রুত গতিতে ইরান নিজেদের শুধরে নিয়েছে।

তবে ট্রাম্পের নির্বাচনী দুর্বলতা নিয়ে ইরানের হিসাব সঠিক হলেও, নির্বাচন হারলে ২০২৭ সালে ট্রাম্প সংযত হয়ে যাবেন; ইরানের এই ধারণাটি সম্পূর্ণ ভুল হতে পারে। নির্বাচনে পরাজিত এবং তৃতীয়বারের মতো ইমপিচমেন্টের মুখোমুখি হওয়া একজন ট্রাম্প হয়তো দেশে রক্ষণাত্মক অবস্থানে থাকবেন কিন্তু সেই অভ্যন্তরীণ চাপের কারণেই তিনি বিদেশে নিজের সমস্ত ক্ষোভ ও আক্রমণ উগড়ে দিতে উৎসাহিত হতে পারেন। নির্বাচনী বাধ্যবাধকতা থেকে মুক্ত হয়ে ট্রাম্প এমন সব চরম ঝুঁকি নিতে পারেন যা তিনি আগে এড়িয়ে গিয়েছিলেন; যার মধ্যে ভূমিতে স্থল সৈন্য পাঠানোও অন্তর্ভুক্ত থাকতে পারে।

ইতিহাস সাক্ষ্য দেয়, ২০২০ সালের নভেম্বরের পরাজয়ের পরেই ট্রাম্প অভূতপূর্ব ঝুঁকি নেওয়ার প্রবণতা দেখিয়েছিলেন। তৎকালীন যৌথ চিফ অব স্টাফের চেয়ারম্যান জেনারেল মার্ক মিলি আশঙ্কা করেছিলেন যে ট্রাম্প নির্বাচনে হেরে যাওয়ার পর হয়তো ইরানের সাথে যুদ্ধ উস্কে দেবেন, অথবা সামরিক বাহিনী ব্যবহার করে ক্ষমতায় টিকে থাকার জন্য দেশে একটি কৃত্রিম সংকট তৈরি করবেন। ট্রাম্প সেই সময়েও ইরানে আক্রমণের প্রস্তাব তুলেছিলেন। এই প্রস্তাব মিলি কঠোরভাবে প্রত্যাখ্যান করেছিলেন এবং সতর্ক করে বলেছিলেন, আপনি একটি সর্বনাশা যুদ্ধের দিকে এগোচ্ছেন। মধ্যবর্তী নির্বাচনের পর ট্রাম্পের অভ্যন্তরীণ সার্কেলে কোনো জেনারেল মিলি থাকবেন কি না এখন সেটাই বড় প্রশ্ন।

এশিয়া টাইমসে কুইন্সি ইনস্টিটিউটের এক্সিকিউটিভ ভাইস প্রেসিডেন্ট এবং মার্কিন-ইরান সম্পর্ক ও মধ্যপ্রাচ্য ভূ-রাজনীতি বিশেষজ্ঞ ত্রিতা পারসির বিশ্লেষণ।

কিউএনবি/অনিমা/০১ সেপ্টেম্বর ২০২৬,/রাত ৮:২০

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category

আর্কাইভস

September 2026
M T W T F S S
1234567
891011121314
15161718192021
22232425262728
293031  
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০১৫-২০২৬
IT & Technical Supported By:BiswaJit