বুধবার, ২২ জুলাই ২০২৬, ০৮:১৮ অপরাহ্ন
শিরোনাম
সাতক্ষীরার এমপি গাজী নজরুলকে জামায়াত থেকে বহিষ্কার রাঙামাটিতে ৩ মাস কিস্তি বন্ধের নির্দেশ, তবু পাহাড়ে আদায়:বন্যার্তদের প্রশ্ন! সরকারি নির্দেশনা কি মাঠেই আটকে? দুর্যোগে বিচ্ছিন্ন পরিবার পুনর্মিলনে ফেনীতে রেড ক্রিসেন্টের প্রশিক্ষণ নোয়াখালীতে দুই চাঞ্চল্যকর হত্যা মামলার আসামিসহ গ্রেপ্তার ৩ দিনাজপুরে কর্মরত ৭ জন পুলিশ সদস্যকে চিকিৎসার জন্য আর্থিক অনুদান প্রদান বড়পুকুরিয়া কয়লা খনির পাতিগ্রাম ও পাঁচঘরিয়া এলাকায় নতুন করে বাড়ীঘরে ফাটল ও তলিয়ে যাচ্ছে আবাদি জমি॥ ফুলবাড়ীতে পূবালী ব্যাংকের ক্যাশলেস ফুলবাড়ী এর শুভ উদ্বোধন॥ কুড়িগ্রামে পানি কমতেই তীব্র নদীভাঙন, হুমকিতে ৪৪৮ কোটি টাকার বাঁধ আটোয়ারীতে ইসলামী ব্যংকের গ্রাহক সমাবেশ অনুষ্ঠিত নওগাঁর পত্নীতলা পুলিশের অভিযানে মাদক সহ একজন আটক 

কেয়া গাছের শিকড় মানব সভ্যতার চেয়েও পুরোনো, বলছে নতুন গবেষণা

Reporter Name
  • Update Time : বুধবার, ২২ জুলাই, ২০২৬
  • ১৮ Time View

ডেস্ক নিউজ : ‍মিষ্টি সুগন্ধের জন্য কেয়া বা কেওড়া আমাদের সবার কাছেই বেশ পরিচিত। নানা রকম মিষ্টিজাতীয় খাবার, সুগন্ধি, ওষুধ তৈরি থেকে শুরু করে ধর্মীয় আচার-অনুষ্ঠানেও এর ব্যাপক ব্যবহার রয়েছে। তবে আশ্চর্যের বিষয় হলো, আমাদের চিরচেনা এই সুগন্ধি গাছটির শিকড় মানব সভ্যতার চেয়েও প্রাচীন!

সম্প্রতি এমনই এক বিস্ময়কর তথ্য উঠে এসেছে ভারতের আসামের মাকুম কয়লাখনি অঞ্চল থেকে। সেখানকার টিকাক পর্বত এলাকা থেকে কেয়া পাতার চমৎকার সংরক্ষিত কিছু জীবাশ্ম বা ফসিল উদ্ধার করেছেন বিজ্ঞানীরা। লখনৌর বীরবল সাহনি ইনস্টিটিউট অব প্যালিওসায়েন্সেস (বিএসআইপি)-এর গবেষক দলটি জীবাশ্মগুলো পরীক্ষা করে জানান, ভারতীয় উপমহাদেশে অন্তত ২ কোটি ৪০ লাখ (২৪ মিলিয়ন) বছর ধরে এই গাছের অস্তিত্ব রয়েছে।

এই গবেষণাটি সম্প্রতি বিজ্ঞানভিত্তিক জার্নাল ‘জিওবায়োস’-এ প্রকাশিত হয়েছে। বিষয়টি নিয়ে প্রেস ইনফরমেশন ব্যুরো (পিআইবি) জানিয়েছে, সুগন্ধি এই উদ্ভিদের বংশধররা শুধু মানব সভ্যতার চেয়েই নয়, বরং হিমালয় পর্বতমালা সৃষ্টির আগে থেকেই পৃথিবীতে টিকে আছে। বিশ্বজুড়ে এই উদ্ভিদের জীবাশ্ম পাওয়া অত্যন্ত বিরল ঘটনা। তাই গবেষকদের কাছে এই আবিষ্কার এক যুগান্তকারী সাফল্য।

বর্তমান সময়ের কেয়া পাতার সঙ্গে এই জীবাশ্মগুলোর নিখুঁত মিল পেয়েছেন বিজ্ঞানীরা। আজকের কেয়া পাতার মতো এতেও তলোয়ারের মতো লম্বা আকৃতি, সমান্তরাল শিরা এবং কাঁটাযুক্ত প্রান্ত রয়েছে। এই চমৎকার মিল থেকে নিশ্চিত হওয়া গেছে যে, এগুলো ‘পান্ডানাসি’ (Pandanaceae) পরিবারের অন্তর্ভুক্ত।

এই যুগান্তকারী আবিষ্কার প্রমাণ করে, প্রাচীনকালে জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে পৃথিবীর অন্যান্য অংশ থেকে যখন গ্রীষ্মমণ্ডলীয় উদ্ভিদ হারিয়ে যাচ্ছিল, তখন ভারতীয় উপমহাদেশ তাদের জন্য একটি নিরাপদ আশ্রয়স্থল হয়ে উঠেছিল। এর মাধ্যমে উদ্ভিদ বিজ্ঞানের বিবর্তনের ইতিহাসের একটি বড় শূন্যস্থানও পূরণ হলো।

কিউএনবি/অনিমা/২২ জুলাই ২০২৬,/সন্ধ্যা ৭:২২

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category

আর্কাইভস

July 2026
M T W T F S S
 123456
78910111213
14151617181920
21222324252627
282930  
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০১৫-২০২৬
IT & Technical Supported By:BiswaJit